• শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

রাজশাহীর পবা উপজেলায় বীজ-সার পেল পবার ১২০০ কৃষক

সোহরাব হোসেন সৌরভ, রাজশাহী // / ২০৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাজশাহীর পবা উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে মাসকলাই বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ। অনুষ্ঠানে সাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এম.বএ. মান্নান।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এম.এ. মান্নান জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জেলায় মোট তিন হাজার কৃষকের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পবা উপজেলার চরাঞ্চলের কৃষকদের প্রাধান্য দিয়ে ১২শ’ কৃষকের মধ্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রণোদনার আওতায় প্রত্যেক কৃষককে এক কেজি মাসকলাই বীজ, পাঁচ কেজি এমওপি (পটাশ) সার এবং ১০ কেজি ডিএপি সার প্রদান করা হয়েছে। চরাঞ্চল কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্ষার পানি নেমে গেলে এই চরাঞ্চলে ব্যাপক আকারে খরিপ ফসল চাষ হয়। এ কারণে সরকার কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে কৃষকদের উৎসাহিত করছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও আরাফাত আমান আজিজ বলেন,“বন্যা পরবর্তী সময়ে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এজন্য জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। খালি জমি ফেলে রাখা যাবে না। আমরা যে সার ও বীজ দিচ্ছি, তা কাজে লাগিয়ে আপনারা সাধ্যমতো চাষাবাদ করবেন। বীজ নিয়ে কেউ অবহেলা করবেন না। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আপনাদের উৎপাদন বাড়বে এবং দেশের কৃষি অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।”

তিনি আরও বলেন, “চরাঞ্চল কৃষির সম্ভাবনাময় এলাকা। এ ধরনের প্রণোদনা কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন। আমরা চাই, চরাঞ্চলের প্রতিটি ইঞ্চি জমি ফসলি জমিতে পরিণত হোক।”

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রায়হান উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার তন্ময় কুমার সরকার, উপসহকারী পাট কর্মকর্তা সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শতাধিক কৃষক-কৃষাণী। তারা বীজ ও সার পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং জানান, এ ধরনের সহায়তা তাদের কৃষি কাজে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা হলেও কমবে। পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি ও উন্নত চাষাবাদের প্রবণতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ