• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

রাজশাহীতে প্রতীক বুঝে পেলেন ২৯ প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের ২৯ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।

বুধবার ২১ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের উপস্থিতিতে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থী ও তাঁদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

প্রতীক বরাদ্দের আগে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। ব্যানার ও ফেস্টুন ব্যবহার, মিটিং-মিছিল এবং জনসভা সংক্রান্ত বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করেন প্রার্থীরা। পরে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

রাজশাহী জেলার ছয়টি আসনে মোট ২৬ জন দলীয় প্রার্থী নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পেয়েছেন। এ ছাড়া দুটি আসনে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাঁদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ পান।

এর মধ্যে রাজশাহী সদর-২ আসনের স্বতন্ত্র তরুণ প্রার্থী সালেহ আহমেদ মোটরসাইকেল প্রতীক পেয়েছেন। রাজশাহী-৫ দুর্গাপুর-পুঠিয়া আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ঘোড়া প্রতীক এবং একই আসনে যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ও বিএনপি বিরোধী স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন।

প্রতীক বরাদ্দ চলাকালে রাজশাহী-৪ বাগমারা, রাজশাহী-৬ চারঘাট-বাঘা এবং রাজশাহী-৩ পবা-মোহনপুর আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দের প্রতিবাদ জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা। এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম সাজু জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। এ সময় তিনি জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিরোধিতা করে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

প্রতীক বরাদ্দ শেষে প্রার্থীরা জানান, তাঁরা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে জনগণের দোরগোড়ায় গিয়ে ভোট চাইবেন এবং নির্বাচিত হলে দেশের উন্নয়নে কাজ করবেন। বৃহস্পতিবার থেকে তাঁরা মাঠপর্যায়ে প্রচারণা শুরু করবেন বলে জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ