১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে চট্টগ্রামের ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি সেনাদের নৃশংসতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক যুবক সৈনিক দেশকে নেতৃত্বের পথ দেখালেন, তিনি মেজর জিয়াউর রহমান। যিনি তখন বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর প্রাদেশিক কমান্ডার, বিস্তারিত...
বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাদেরকে আমি অনেক পছন্দ করি, যারা রাজপথকে মনে করে ঘর-সংসার-পরিবার। এমন নীতি থেকে কাজ করেছেন মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, আমার প্রিয় ভাষা মতিনসহ গত শত বছরের
যখন সারাদেশে সহিংসতা বাড়ছে তখন ‘পুরান ঢাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ হত্যাকাণ্ডে আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবে না বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বার ইউনিটের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী
আমিনুল হক ছিলেন দ্র”ত ধাবমান একজন পথিক। তিনি শুধু গোদাগাড়ী-তারোনের নেতা ছিলেন না তিনি ছিলেন পুরো উত্তর বঙ্গের অসবিসাংবাদিত কিংবদোন্তী আলোক বতির্কা। জীবনকে,জীবনের বিভিন্ন রুপকে,জীবনের বিভিন্ন আবেদনকে তিনি চেষ্টা করেছেন
পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বর্বর সামরিক অভিযান চালিয়ে যখন নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালিকে নিমর্মভাবে হত্যা করছিল, তখনই মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। বিভিন্ন
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এশিয়ান টাইমস ও দ্য কনভার্সেশনে টিউলিপ সিদ্দিক ও বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর পরিবারের পতন শিরোনামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যে টিউলিপ সিদ্দিকের পদত্যাগ এবং শেখ
১৯৭৫ সালের ১১ নভেম্বর বেতার ও টেলিভিশন ভাষণে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, আমি রাজনীতিবিদ নই। আমি একজন সৈনিক।…. রাজনীতির সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই এবং আমাদের সরকার সম্পূর্ণ নির্দলীয়
শিক্ষা- মনের বন্ধ দরোজাগুলো উন্মোচন করে, আচরনের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে সত্যিকার মানুষ তৈরি করে। আধুনিক ,স্মার্ট ও সভ্য জাতির এগিয়ে যাওয়ার মূল নির্দেশিকা হলো গুনগত শিক্ষা। জীবন আলোকিত করার পাশাপাশি