ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে হত্যাকাণ্ডের ৪ঘন্টায় আসামি গ্রেফতার

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনায় মূল হোতা সুমনসহ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, রাব্বি, কাউসার মিয়া ও মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আসামী সুমনকে হত্যাকাণ্ডের চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে

অপরদিকে ডিবি পুলিশ আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে ৫০ গ্রাম হেরোইন সহ গ্রেফতার করে।

ডিবির ওসি ফারুক হোসেন জানান,
ফুলবাড়ীয়ার দেওখোলা বাজার সংলগ্ন হাসপাতাল রোড়ে বুধবার সকালে মেয়েদেরকে ইভটিজিং করা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সাঈদ ও শ্রাবণকে সুমন নামীয় আরেক কিশোর চাকু দ্বারা মারাত্মক আঘাত করে। গুরুতর আহতদ্বয়কে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাঈদের অবস্থা আশংকাজনক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সন্ধ্যায় সে মৃত্যুবরণ করে। ঘটনায় ফুলবাড়ীয়া থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০৮/২০২৩ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইভটিজিং সংক্রান্ত ঘটনায় মঙ্গলবার সুমন ও সাইদ গংদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দাওয়া-পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি এলাকার বড় ভাই নামে পরিচিতরা মীমাংসা করে। বুধবার দেওখোলা ইউনিয়ন হাসপাতাল রোডে প্রাইভেট সেন্টারে পড়তে আসে এ সব শিক্ষার্থীরা। এমন সময় হঠাৎ তর্কে জড়িয়ে পড়ে সাইদ ও সুমন গংরা। তখনই সুমন মিয়া তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে সহপাঠি সাঈদ (১৭) ও শ্রাবণ (১৭) কে আঘাত করে।

এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি ঝটিকা অভিযান চালায়। ডিবির এসআই পরিমল চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে একটি টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে সাইদ হত্যার ঘটনা ও শ্রাবণকে গুরুতর আহত করার মূল হোতা মোঃ সুমনকে চার ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি কুশমাইলের টেকিপাড়ায়। ফুলবাড়িয়া থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, ঘটনায় নিহতের পিতা আবু তাহের বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদের মধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্যদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। অপরদিকে ডিবি পুলিশের আরেকটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে ঢাকা ময়মনসিংহ রোডের ভালুকা জামিরদিয়া মাস্টার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, নাটোরের আমজাদ হোসেন ও রাজশাহীর আফাজ উদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ময়মনসিংহে হত্যাকাণ্ডের ৪ঘন্টায় আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অগাস্ট ২০২৩

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনায় মূল হোতা সুমনসহ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, রাব্বি, কাউসার মিয়া ও মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আসামী সুমনকে হত্যাকাণ্ডের চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে

অপরদিকে ডিবি পুলিশ আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে ৫০ গ্রাম হেরোইন সহ গ্রেফতার করে।

ডিবির ওসি ফারুক হোসেন জানান,
ফুলবাড়ীয়ার দেওখোলা বাজার সংলগ্ন হাসপাতাল রোড়ে বুধবার সকালে মেয়েদেরকে ইভটিজিং করা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সাঈদ ও শ্রাবণকে সুমন নামীয় আরেক কিশোর চাকু দ্বারা মারাত্মক আঘাত করে। গুরুতর আহতদ্বয়কে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাঈদের অবস্থা আশংকাজনক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সন্ধ্যায় সে মৃত্যুবরণ করে। ঘটনায় ফুলবাড়ীয়া থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০৮/২০২৩ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইভটিজিং সংক্রান্ত ঘটনায় মঙ্গলবার সুমন ও সাইদ গংদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দাওয়া-পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি এলাকার বড় ভাই নামে পরিচিতরা মীমাংসা করে। বুধবার দেওখোলা ইউনিয়ন হাসপাতাল রোডে প্রাইভেট সেন্টারে পড়তে আসে এ সব শিক্ষার্থীরা। এমন সময় হঠাৎ তর্কে জড়িয়ে পড়ে সাইদ ও সুমন গংরা। তখনই সুমন মিয়া তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে সহপাঠি সাঈদ (১৭) ও শ্রাবণ (১৭) কে আঘাত করে।

এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি ঝটিকা অভিযান চালায়। ডিবির এসআই পরিমল চন্দ্র সরকারের নেতৃত্বে একটি টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে সাইদ হত্যার ঘটনা ও শ্রাবণকে গুরুতর আহত করার মূল হোতা মোঃ সুমনকে চার ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে। তার বাড়ি কুশমাইলের টেকিপাড়ায়। ফুলবাড়িয়া থানার ওসি শাহিনুজ্জামান খান বলেন, ঘটনায় নিহতের পিতা আবু তাহের বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদের মধ্যে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্যদেরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। অপরদিকে ডিবি পুলিশের আরেকটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম হেরোইনসহ আন্তঃজেলা মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে ঢাকা ময়মনসিংহ রোডের ভালুকা জামিরদিয়া মাস্টার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, নাটোরের আমজাদ হোসেন ও রাজশাহীর আফাজ উদ্দিন।