ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টানা২৬ বছর ধরে জনগণকে সেবা দিচ্ছেন দাপুনিয়ার মেম্বার কাজল

আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ:
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪ ১৯ বার পড়া হয়েছে

কতটা জনপ্রিয় হলে কিংবা মানুষের সেবার নিয়োজিত থাকলে টানা ২৬বছর জনপ্রতিনিধি থাকা যায়, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আনিসুর রহমান কাজল। ময়মনসিংহের সদর উপজেলার রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিদের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। দীর্ঘ ২৪বছর জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের সেবা করেছেন। জানা যায়, তাঁর বাড়ির দরজা জনতার জন্য সবসময়ই থাকে খোলা। তাঁর বাসার ড্রয়িং রুম প্রায় ২৪ ঘণ্টাই থাকে সরব।

দীর্ঘ ২৬বছর জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনে কতটা সফল হয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই প্রতিবেককে বলেন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে আমি ওয়ার্ডবাসির কাছে দায়বদ্ধ। মূলত সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভালো-মন্দের বিচার বা সফলতার কথা সাধারণ মানুষ বলতে পারবে। তিনি ১৯৯৮সাল থেকে টানা ৪বার সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ২৬বছর জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি জনসাধারণের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। দীর্ঘদিন ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তার কাজ নিয়ে এলাকার মানুষের যেন কোনো অভিযোগ নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি রেখেছেন কঠোর জবাবদিহিতা। দাপুনিয়া ইউনিয়নের সরকারি ভিজিএফ কর্মসূচি প্রকল্পগুলো ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বিভিন্ন সহায়তা উদ্যোগ চালু রেখেছেন। এসব প্রকল্পের আওতায় অতিশয় দরিদ্ররা সহায়তা পেয়ে থাকেন।

আনিসুর রহমান কাজল দাপুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক মডেল ওয়ার্ড তৈরী করতে নিরলস কার্য সম্পাদন করে চলেছেন। বৈশ্বিক করোনার মর্মান্তিক ভয়াবহতায় সমগ্র দেশ যখন থমকে দাঁড়ায়, ঠিক তখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে গরীব-অসহায় মানুষে পাশে থেকে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। অতুলনীয় সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সম্মোহনী বাগ্মিতা তাকে খ্যাতি এবং ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। ওয়ার্ডের উন্নয়নে রাস্তাঘাট, নর্দমা, ফুটপাত উন্নয়ন ও সংস্কার করেছেন। নারী শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ওয়ার্ডের শিক্ষা বিস্তারে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন
কিন্ডার গার্ডেন সহ শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দাপুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডকে নান্দনিক রূপ দেওয়ার প্রত্যয়ে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রগতিশীল, আধুনিক ও কর্মঠ মেম্বার আনিসুর রহমান কাজল। টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করে আধুনিক, সুন্দর পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও নান্দনিক ওয়ার্ড বিনির্মাণের লক্ষ্যে নিরন্তর ছুটে চলছেন তিনি। ওয়ার্ডের প্রতিটি দেয়াল-ইট-পাথরে মিশে আছে তার শ্রমের ঘাম। ইতোমধ্যে ওয়ার্ডের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন রাস্তার পাশে, সড়ক ডিভাইডারে, সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়ির আঙিনায় ফুল ও বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে ওয়ার্ডকে সুবাসিত ‘মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য-সংস্কৃতি, সামাজিক, শিক্ষামূলক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত নির্ভীক, নিরহংকার, বিনয়ী, জনদরদি, মানবিক বোধসম্পন্য অসাম্প্রদায়িক, শিক্ষিত এই জনপ্রতিনিধি উচ্চকণ্ঠে বলেন, ‘আমি একা নই, ওয়ার্ডের সকলেই মেম্বার। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন সকলের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে সুখে-দুঃখে, সংকটে, মহামারি, দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে সাথে নিয়েই ওয়ার্ডের উন্নয়ন করেছি। এরপরও হয়তো কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। করোনা মহামারিও অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে। আপনারা আমার পাশে থাকুন, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও অসর্ম্পূণ কাজগুলো শেষ করব ইনশাল্লাআল্লাহ। আমার বিশ্বাস আগামীতেও বিচক্ষণ জনগণ নিশ্চয়ই যোগ্য ব্যক্তিকে বেছে নেবেন ওয়ার্ডের প্রতিনিধি হিসেবে। সামনের নির্বাচনে মেম্বার না হলেও দুঃখ নেই, কারণ যথাযথ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর জন্য সেরাটুকু দিয়েছি। নিজ বিলাসী জীবন ফেলে, স্ত্রী-সন্তানকে স্নেহবঞ্চিত করেও মাটির টানে, নিজ এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। অগনিত মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, এটুকুই সান্ত্বনা। পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকেই সমাজিক দায়বোধসহ জনকল্যাণে কাজ করার শিক্ষা পেয়ে ছাত্রজীবন থেকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত রয়েছি। আমি মনে করি, জনসেবার জন্য চেয়ারের প্রয়োজন নেই, ইচ্ছেটাই আসল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টানা২৬ বছর ধরে জনগণকে সেবা দিচ্ছেন দাপুনিয়ার মেম্বার কাজল

আপডেট সময় : ১০:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

কতটা জনপ্রিয় হলে কিংবা মানুষের সেবার নিয়োজিত থাকলে টানা ২৬বছর জনপ্রতিনিধি থাকা যায়, তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আনিসুর রহমান কাজল। ময়মনসিংহের সদর উপজেলার রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিদের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। দীর্ঘ ২৪বছর জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের সেবা করেছেন। জানা যায়, তাঁর বাড়ির দরজা জনতার জন্য সবসময়ই থাকে খোলা। তাঁর বাসার ড্রয়িং রুম প্রায় ২৪ ঘণ্টাই থাকে সরব।

দীর্ঘ ২৬বছর জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনে কতটা সফল হয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই প্রতিবেককে বলেন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে আমি ওয়ার্ডবাসির কাছে দায়বদ্ধ। মূলত সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভালো-মন্দের বিচার বা সফলতার কথা সাধারণ মানুষ বলতে পারবে। তিনি ১৯৯৮সাল থেকে টানা ৪বার সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার
হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরবর্তীতে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দীর্ঘ ২৬বছর জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি জনসাধারণের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। দীর্ঘদিন ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তার কাজ নিয়ে এলাকার মানুষের যেন কোনো অভিযোগ নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি রেখেছেন কঠোর জবাবদিহিতা। দাপুনিয়া ইউনিয়নের সরকারি ভিজিএফ কর্মসূচি প্রকল্পগুলো ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক বিভিন্ন সহায়তা উদ্যোগ চালু রেখেছেন। এসব প্রকল্পের আওতায় অতিশয় দরিদ্ররা সহায়তা পেয়ে থাকেন।

আনিসুর রহমান কাজল দাপুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক মডেল ওয়ার্ড তৈরী করতে নিরলস কার্য সম্পাদন করে চলেছেন। বৈশ্বিক করোনার মর্মান্তিক ভয়াবহতায় সমগ্র দেশ যখন থমকে দাঁড়ায়, ঠিক তখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে গরীব-অসহায় মানুষে পাশে থেকে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। অতুলনীয় সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সম্মোহনী বাগ্মিতা তাকে খ্যাতি এবং ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। ওয়ার্ডের উন্নয়নে রাস্তাঘাট, নর্দমা, ফুটপাত উন্নয়ন ও সংস্কার করেছেন। নারী শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠা করেছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ওয়ার্ডের শিক্ষা বিস্তারে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন
কিন্ডার গার্ডেন সহ শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

দাপুনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডকে নান্দনিক রূপ দেওয়ার প্রত্যয়ে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রগতিশীল, আধুনিক ও কর্মঠ মেম্বার আনিসুর রহমান কাজল। টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করে আধুনিক, সুন্দর পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য ও নান্দনিক ওয়ার্ড বিনির্মাণের লক্ষ্যে নিরন্তর ছুটে চলছেন তিনি। ওয়ার্ডের প্রতিটি দেয়াল-ইট-পাথরে মিশে আছে তার শ্রমের ঘাম। ইতোমধ্যে ওয়ার্ডের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন রাস্তার পাশে, সড়ক ডিভাইডারে, সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বাসাবাড়ির আঙিনায় ফুল ও বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে ওয়ার্ডকে সুবাসিত ‘মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য-সংস্কৃতি, সামাজিক, শিক্ষামূলক এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত নির্ভীক, নিরহংকার, বিনয়ী, জনদরদি, মানবিক বোধসম্পন্য অসাম্প্রদায়িক, শিক্ষিত এই জনপ্রতিনিধি উচ্চকণ্ঠে বলেন, ‘আমি একা নই, ওয়ার্ডের সকলেই মেম্বার। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন সকলের সুচিন্তিত মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে সুখে-দুঃখে, সংকটে, মহামারি, দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে সাথে নিয়েই ওয়ার্ডের উন্নয়ন করেছি। এরপরও হয়তো কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থেকে গেছে। করোনা মহামারিও অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে। আপনারা আমার পাশে থাকুন, জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও অসর্ম্পূণ কাজগুলো শেষ করব ইনশাল্লাআল্লাহ। আমার বিশ্বাস আগামীতেও বিচক্ষণ জনগণ নিশ্চয়ই যোগ্য ব্যক্তিকে বেছে নেবেন ওয়ার্ডের প্রতিনিধি হিসেবে। সামনের নির্বাচনে মেম্বার না হলেও দুঃখ নেই, কারণ যথাযথ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে ওয়ার্ডবাসীর জন্য সেরাটুকু দিয়েছি। নিজ বিলাসী জীবন ফেলে, স্ত্রী-সন্তানকে স্নেহবঞ্চিত করেও মাটির টানে, নিজ এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে তৃপ্তি পেয়েছি। অগনিত মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, এটুকুই সান্ত্বনা। পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকেই সমাজিক দায়বোধসহ জনকল্যাণে কাজ করার শিক্ষা পেয়ে ছাত্রজীবন থেকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত রয়েছি। আমি মনে করি, জনসেবার জন্য চেয়ারের প্রয়োজন নেই, ইচ্ছেটাই আসল।