• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

নামবে ঘনকুয়াশা, বাড়বে শীত

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ২৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

আবহাওয়া অফিস বলছে— উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দুই-তিন দিন কুয়াশা আরও বাড়বে। এতে তাপমাত্রা কমে শীতের অনুভূতি বাড়বে। এই অবস্থার শুরু হতে পারে আগামীকাল, অর্থাৎ রোববার রাত থেকে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ডিসেম্বরে শৈত্যপ্রবাহ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা হয়নি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় জানুয়ারিতে একটা শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। সংস্থাটির মতে— আগামী ১০ দিনে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে নামতে পারে ঘনকুয়াশাও।

আবহাওয়াবিদ এস এম কামরুল হাসান কাজ করেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরে। তিনি বলছেন, কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঠে যাচ্ছে খুব সকালেই। ফলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও খুব একটা নামছে না। আর এই সময়টায় তাপমাত্রা সাধারণত উঠানামা করলেও এবার এল নিনোর প্রভাবে সেটাও দেখা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, সাধারণত এ সময় তাপমাত্রা দশের নিচে আটের কাছাকাছি থাকার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র তেঁতুলিয়াতেই দশের নিচে নেমেছে, নয়ের নিচে এখনো কোথাও নামেনি।

পুরোপুরি শীত কবে নামবে?
আবহাওয়া অফিস বলছে— আগামী অন্তত ৭ থেকে ১০ দিনে শৈত্যপ্রবাহের কোনো সম্ভাবনা তারা দেখছেন না। যদিও সাধারণত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে শীত পড়ে। এ সময় তাপমাত্রা কমতে কমতে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছালে তখন শৈত্যপ্রবাহ চলছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

সংস্থাটি বলছে, তাপমাত্রা যদি আট থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয় তবে সেটাকে ধরা হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলে হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ আর ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে সেটা হয় অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়াবিদ কামরুল হাসান বলেন, যেহেতু ডিসেম্বরে এখনও শৈত্যপ্রবাহ হয়নি তাই জানুয়ারিতে স্বাভাবিকভাবেই একটা শৈত্যপ্রবাহ হবে এমন প্রত্যাশা করাই যায়। কিন্তু এখনও সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ দিনে তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রিতে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়ার সম্ভাবনা আছে। কারণ এই সময়ে ঘনকুয়াশা আসবে।

এই আবহাওয়াবিদ জানান, এরইমধ্যে উত্তরাঞ্চলে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। আর এটা মূলত দিল্লি থেকে দেশে ঢুকছে। শীতের সময় দুপুর ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে হয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, কিন্তু কুয়াশা যদি ১২টার আগেই কেটে যায় তাহলে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। কিন্তু যদি কুয়াশা ৩টা পর্যন্তও থাকে, তাহলে তাপমাত্রা কম থাকবে। এভাবে কুয়াশার ওপর নির্ভর করেই তাপমাত্রা কমবে বা বাড়বে।

কামরুল হাসান বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে এখন তাপমাত্রা এমনতিও বেড়ে যাচ্ছে। এবারে যুক্ত হয়েছে এল নিনোর প্রভাব। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তাই কমলেও, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা খুব বেশি নিচে নামার সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি। ফলে এবার শীতের প্রকোপও হয়তো খুব বেশি মারাত্মক হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ