• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

দেশে ফেরার পথে তারেক রহমানের বাধা নেই

দেশের আওয়াজ ডেস্ক : / ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো বিধিনিষেধ বা আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। শফিকুল আলম লিখেছেন, ‘তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ নেই এবং এ বিষয়ে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।’

প্রেস সচিব আরও জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এর আগে আজ শনিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, “সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”

তিনি আরও লিখেছেন, “সর্বজন শ্রদ্ধেয় বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করছি।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, দেশে ফেরার ক্ষেত্রে তারেক রহমানের পথ এখনো অনেক দিক থেকে সংবেদনশীল। নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে তাঁর প্রত্যাবর্তন সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করবে।

বেশ কয়েকদিন ধরে লন্ডন থেকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। পরিবার সূত্র বলছে, তারেক দ্রুত দেশে ফিরে মায়ের পাশে থাকতে চাইছেন, তবে নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টরগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শারীরিক ঝুঁকি বিবেচনায় তারেকের প্রত্যাবর্তন কেবল সময়ের অপেক্ষা। সরকারের পক্ষ থেকে বিধিনিষেধ না থাকলেও বাস্তবায়নে আরও কিছু প্রক্রিয়াগত ও নিরাপত্তা বিষয় সমাধান করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ