ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছাত্রদলের নতুন সভাপতি রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় দাম নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি খাবার সংগ্রহে লাইনে দাঁড়ানো ফিলিস্তিনিদের গুলি, নিহত ১১২ রাজশাহীতে ভোক্তা অধিকার অধিদফতরের অভিযান না থাকায় ক্রমেই বাড়ছে পেঁয়াজের দাম ঘুড়ি প্রতীকের বিজয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা চান কাউন্সিলর প্রার্থী আসলাম ‘অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেও মানা হচ্ছে না’ নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি ২৩নং ওয়ার্ডকে পরিকল্পিত আধুনিক এলাকা গড়তে চান – রানা বেইলি রোডে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে নিহত ৪৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জে জমি জবরদখল ও গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফোনে আড়ি পাতলে কীভাবে বুঝবেন, বন্ধের ৩ উপায়

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

Phone in the dark

স্মার্টফোন দিয়ে এখন নানাভাবে মানুষকে ট্র্যাক করা সম্ভব। তবে এ বিষয়ে খেয়াল রাখলে এর পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারবেন। আর এ যুগে ফোন ট্যাপ করাটা আরও সহজ! কারণ, এর জন্য আপনার মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক হ্যাক করার প্রয়োজন হবে না। হ্যাকাররা শুধু আপনার ফোনের ভালনেরাবিলিটি বা দুর্বলতা খুঁজে বের করে সহজেই আপনার ফোনকে ‘ট্যাপিং ডিভাইজ’-এ পরিণত করে ফেলতে পারে।
যেসব উপায়ে ফোন ট্র্যাকিং হতে পারে

ফোন ট্র্যাকিং অনেক অপ্রত্যাশিত উপায়ে হতে পারে। আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসটিতে কারও প্রবেশের অধিকার থাকলে সহজেই সেই ব্যক্তি আপনার ফোনে লোকেশন-ট্র্যাকিং ফিচারটি সক্রিয় করতে পারবে। আর অন্য কোনো ব্যক্তি ট্র্যাকিং চালু করেছেন কি না সেটা ডিভাইসের মালিক বুঝতেও পারবেন না। এতে করে অনেক অ্যাপ এবং ফোন অপারেটিং সিস্টেমের লোকেশন-ট্র্যাকিং ফিচার মানুষের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ ছাড়া আপনার কর্মক্ষেত্র বা নিয়োগকর্তা দ্বারাও আপনার ফোনের ব্যবহার ট্র্যাকড হতে পারে। বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসটি কোম্পানি থেকে ইস্যু করা থাকে। এমনকি আপনার স্মার্টফোনটি যদি একটি করপোরেট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, সেক্ষেত্রেও আপনাকে ট্র্যাকিং সম্ভব।

এর বাইরে অনেক অ্যাপ এবং ফোন পরিষেবাতে রয়েছে বিল্ট-ইন ট্র্যাকিং ফিচার। এই ফিচারগুলো কখনো কখনো বেশ কাজের এবং প্রয়োজনীয়। যেমন- অ্যান্ড্রয়েড তার ব্যবহারকারীদের বর্তমান অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে কাছাকাছি এলাকাগুলো সম্পর্কে তথ্য দেখায়। যেন তারা সেই এলাকা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারে। এ ছাড়া অনেকেই জানেন না, বিভিন্ন অ্যাপ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ট্র্যাক করে থাকে।

যোগাযোগ পরিষেবা প্রদানকারী বা সিম কোম্পানিও ফোন ট্র্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত। কারণ প্রতিটি ফোনই কোম্পানির মালিকানাধীন সেল টাওয়ারে ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য পাঠায়। যদিও এটি সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় অংশ। কারণ ফোন কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই আপনার অবস্থান যাচাই করতে হবে। এ ছাড়া আপনি যে তাদের একজন গ্রাহক তা নিশ্চিত করতে হবে৷ তবে আপনার পরিচয় গোপন রেখে এই যাচাইকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য এখনো গবেষণা চলমান।

ফোন ট্র্যাক হচ্ছে কি না বুঝবেন কীভাবে? অনেকে ফোন ট্র্যাকিংয়ের কিছু লক্ষণ শনাক্ত করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ তারা লক্ষ্য করতে পারেন, ডিভাইসটি ধীর হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন কর্মক্ষমতায় অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখা যায়। তবে ট্র্যাকিং করা হলে তা সব সময় এত সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় না।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে, আপনি বিভিন্ন কোড ডায়াল করে দেখতে পারেন। যেগুলো ফোন ট্র্যাকিং করা হলে সম্ভাব্য কিছু প্রতিক্রিয়া দেখাবে। যেমন: *#61# লিখে ডায়াল করলে ইনকামিং কলগুলো অন্য কোনো নম্বরে ফরওয়ার্ড করা হয় কি না তা জানাবে। একইভাবে *#62# ডায়াল করে আপনি দেখতে পারবেন যে, কোনো ডাইভারশন সফ্টওয়্যার বিভিন্ন কল এবং টেক্সটকে আপনার কাছে পৌঁছাতে বাধা দেয় কি না।

ফোন ট্র্যাক করা থেকে কীভাবে বাঁচাবেন?

ফ্লাইট মোড চালু এবং জিপিএস লোকেশন সেটিংস নিষ্ক্রিয় করা ফোনের অ্যারোপ্লেন মোড ফিচারটি চালু করলে তা সেলুলার এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলোর সেই সংযোগগুলোকে বাধা দেয়, যেগুলো ট্র্যাকিংয়ে সাহায্য করে। প্রথমে ফ্লাইট মোড নির্বাচন করুন। তারপর আপনার ফোনের জিপিএস বা লোকেশন ফিচারটির অবস্থা পরীক্ষা করুন৷ ফ্লাইট মোড চালু করার পর প্রায়শই লোকেশন সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তবে এটি বন্ধ হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো।

কিন্তু এই ফিচারগুলো বন্ধ করলে আপনি কল বা মোবাইল ডেটার জন্য আপনার ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে ট্র্যাকিং বন্ধ করার জন্য এটি একটি দ্রুত উপায়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এটি আদর্শ নয়।

অপারেটিং সিস্টেম সেটিংসের দিকে মনোযোগ দিন যারা অ্যাপভিত্তিক ট্র্যাকিং সম্পর্কে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন। তারা অপারেটিং সিস্টেম বা ওএস-ভিত্তিক সেটিংস থেকে এটিকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। অ্যাপলের আইওএস-এর সাম্প্রতিক সংস্করণগুলো সব ধরনের অ্যাপ কিংবা পৃথক অ্যাপের ক্ষেত্রে ট্র্যাকিং বন্ধ করার সুযোগ দিয়ে থাকে।

গুগলও সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েডের জন্য প্রাইভেসি স্যান্ডবক্স নামে অনুরূপ একটি ফিচারের ঘোষণা করেছে। এটি থার্ড পার্টির কাছে ব্যক্তিগত ডেটা স্থানান্তর সীমিত করে আনে। এ ছাড়া এটি সব অ্যাপে ট্র্যাকিং কার্যক্রম চলার অনুমতি দেয় না।

গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক ব্রাউজার নির্বাচন ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে বেশিরভাগ মানুষ গুগল ক্রোমকে তাদের পছন্দের শীর্ষে রাখে। তবে অনেকে বুঝতে পারে না যে এটি ব্যবহারকারীদের অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করে থাকে। কিন্তু আপনি চাইলে বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে গুগলের ট্র্যাকিং ফিচারগুলো বন্ধ করতে পারবেন।

আরেকটি বিকল্প হল, এমন একটি ব্রাউজার ব্যবহার করা যা আপনাকে কম ট্র্যাক করে কিংবা একেবারেই ট্র্যাক করে না। এই ব্রাউজারগুলো অনুসন্ধানের সময় আপনাকে পার্সোনালাইজড ফলাফল দেবে না। যা ট্র্যাকারযুক্ত ব্রাউজারগুলো আপনাকে দিয়ে থাকে। তবে এই ব্রাউজারগুলো অবশ্যই আপনাকে গোপনীয়তা সম্পর্কে আরও বেশি মানসিক শান্তি প্রদান করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফোনে আড়ি পাতলে কীভাবে বুঝবেন, বন্ধের ৩ উপায়

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

স্মার্টফোন দিয়ে এখন নানাভাবে মানুষকে ট্র্যাক করা সম্ভব। তবে এ বিষয়ে খেয়াল রাখলে এর পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারবেন। আর এ যুগে ফোন ট্যাপ করাটা আরও সহজ! কারণ, এর জন্য আপনার মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক হ্যাক করার প্রয়োজন হবে না। হ্যাকাররা শুধু আপনার ফোনের ভালনেরাবিলিটি বা দুর্বলতা খুঁজে বের করে সহজেই আপনার ফোনকে ‘ট্যাপিং ডিভাইজ’-এ পরিণত করে ফেলতে পারে।
যেসব উপায়ে ফোন ট্র্যাকিং হতে পারে

ফোন ট্র্যাকিং অনেক অপ্রত্যাশিত উপায়ে হতে পারে। আপনার ব্যবহৃত ডিভাইসটিতে কারও প্রবেশের অধিকার থাকলে সহজেই সেই ব্যক্তি আপনার ফোনে লোকেশন-ট্র্যাকিং ফিচারটি সক্রিয় করতে পারবে। আর অন্য কোনো ব্যক্তি ট্র্যাকিং চালু করেছেন কি না সেটা ডিভাইসের মালিক বুঝতেও পারবেন না। এতে করে অনেক অ্যাপ এবং ফোন অপারেটিং সিস্টেমের লোকেশন-ট্র্যাকিং ফিচার মানুষের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এ ছাড়া আপনার কর্মক্ষেত্র বা নিয়োগকর্তা দ্বারাও আপনার ফোনের ব্যবহার ট্র্যাকড হতে পারে। বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসটি কোম্পানি থেকে ইস্যু করা থাকে। এমনকি আপনার স্মার্টফোনটি যদি একটি করপোরেট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, সেক্ষেত্রেও আপনাকে ট্র্যাকিং সম্ভব।

এর বাইরে অনেক অ্যাপ এবং ফোন পরিষেবাতে রয়েছে বিল্ট-ইন ট্র্যাকিং ফিচার। এই ফিচারগুলো কখনো কখনো বেশ কাজের এবং প্রয়োজনীয়। যেমন- অ্যান্ড্রয়েড তার ব্যবহারকারীদের বর্তমান অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে কাছাকাছি এলাকাগুলো সম্পর্কে তথ্য দেখায়। যেন তারা সেই এলাকা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারে। এ ছাড়া অনেকেই জানেন না, বিভিন্ন অ্যাপ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের ট্র্যাক করে থাকে।

যোগাযোগ পরিষেবা প্রদানকারী বা সিম কোম্পানিও ফোন ট্র্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত। কারণ প্রতিটি ফোনই কোম্পানির মালিকানাধীন সেল টাওয়ারে ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য পাঠায়। যদিও এটি সংযোগ স্থাপনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় অংশ। কারণ ফোন কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই আপনার অবস্থান যাচাই করতে হবে। এ ছাড়া আপনি যে তাদের একজন গ্রাহক তা নিশ্চিত করতে হবে৷ তবে আপনার পরিচয় গোপন রেখে এই যাচাইকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য এখনো গবেষণা চলমান।

ফোন ট্র্যাক হচ্ছে কি না বুঝবেন কীভাবে? অনেকে ফোন ট্র্যাকিংয়ের কিছু লক্ষণ শনাক্ত করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ তারা লক্ষ্য করতে পারেন, ডিভাইসটি ধীর হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন কর্মক্ষমতায় অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখা যায়। তবে ট্র্যাকিং করা হলে তা সব সময় এত সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় না।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে, আপনি বিভিন্ন কোড ডায়াল করে দেখতে পারেন। যেগুলো ফোন ট্র্যাকিং করা হলে সম্ভাব্য কিছু প্রতিক্রিয়া দেখাবে। যেমন: *#61# লিখে ডায়াল করলে ইনকামিং কলগুলো অন্য কোনো নম্বরে ফরওয়ার্ড করা হয় কি না তা জানাবে। একইভাবে *#62# ডায়াল করে আপনি দেখতে পারবেন যে, কোনো ডাইভারশন সফ্টওয়্যার বিভিন্ন কল এবং টেক্সটকে আপনার কাছে পৌঁছাতে বাধা দেয় কি না।

ফোন ট্র্যাক করা থেকে কীভাবে বাঁচাবেন?

ফ্লাইট মোড চালু এবং জিপিএস লোকেশন সেটিংস নিষ্ক্রিয় করা ফোনের অ্যারোপ্লেন মোড ফিচারটি চালু করলে তা সেলুলার এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলোর সেই সংযোগগুলোকে বাধা দেয়, যেগুলো ট্র্যাকিংয়ে সাহায্য করে। প্রথমে ফ্লাইট মোড নির্বাচন করুন। তারপর আপনার ফোনের জিপিএস বা লোকেশন ফিচারটির অবস্থা পরীক্ষা করুন৷ ফ্লাইট মোড চালু করার পর প্রায়শই লোকেশন সেটিংস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তবে এটি বন্ধ হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো।

কিন্তু এই ফিচারগুলো বন্ধ করলে আপনি কল বা মোবাইল ডেটার জন্য আপনার ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। তবে ট্র্যাকিং বন্ধ করার জন্য এটি একটি দ্রুত উপায়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য এটি আদর্শ নয়।

অপারেটিং সিস্টেম সেটিংসের দিকে মনোযোগ দিন যারা অ্যাপভিত্তিক ট্র্যাকিং সম্পর্কে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন। তারা অপারেটিং সিস্টেম বা ওএস-ভিত্তিক সেটিংস থেকে এটিকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। অ্যাপলের আইওএস-এর সাম্প্রতিক সংস্করণগুলো সব ধরনের অ্যাপ কিংবা পৃথক অ্যাপের ক্ষেত্রে ট্র্যাকিং বন্ধ করার সুযোগ দিয়ে থাকে।

গুগলও সম্প্রতি অ্যান্ড্রয়েডের জন্য প্রাইভেসি স্যান্ডবক্স নামে অনুরূপ একটি ফিচারের ঘোষণা করেছে। এটি থার্ড পার্টির কাছে ব্যক্তিগত ডেটা স্থানান্তর সীমিত করে আনে। এ ছাড়া এটি সব অ্যাপে ট্র্যাকিং কার্যক্রম চলার অনুমতি দেয় না।

গোপনীয়তা-কেন্দ্রিক ব্রাউজার নির্বাচন ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে বেশিরভাগ মানুষ গুগল ক্রোমকে তাদের পছন্দের শীর্ষে রাখে। তবে অনেকে বুঝতে পারে না যে এটি ব্যবহারকারীদের অনলাইন কার্যকলাপ ট্র্যাক করে থাকে। কিন্তু আপনি চাইলে বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে গুগলের ট্র্যাকিং ফিচারগুলো বন্ধ করতে পারবেন।

আরেকটি বিকল্প হল, এমন একটি ব্রাউজার ব্যবহার করা যা আপনাকে কম ট্র্যাক করে কিংবা একেবারেই ট্র্যাক করে না। এই ব্রাউজারগুলো অনুসন্ধানের সময় আপনাকে পার্সোনালাইজড ফলাফল দেবে না। যা ট্র্যাকারযুক্ত ব্রাউজারগুলো আপনাকে দিয়ে থাকে। তবে এই ব্রাউজারগুলো অবশ্যই আপনাকে গোপনীয়তা সম্পর্কে আরও বেশি মানসিক শান্তি প্রদান করবে।