• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

দেশ টিভির এমডি আরিফ হাসান আটক

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ১৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪

দেশ টিভির এমডি আরিফ হাসানকে ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাতে তাকে আটক করে ডিবি পুলিশের একটি দল।

জানা গেছে, আটকের পর আরিফ হাসানকে তাকে ডিবি পুলিশের মিন্টু রোডস্থ কার্যালয় নেয়া হয়েছে।

তথ্যমতে, আরিফ হাসানকে বিমানবন্দর থানার এক‌টি হত‌্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলা‌টি গত ১৯ জুলাই দায়ের করা হয়। বর্তমানে তিনি ডিবি পুলিশের হেফাজতে আছেন।

আরিফ হাসানের জন্মস্থান কুমিল্লা। তার বাবার নাম আবদুল আজিজ এবং মায়ের নাম মালেকা পারভীন। ঠিকানা দু’টি হলো বাড়ি-১৮/এ, রোড-৪৪, গুলশান উত্তর, ঢাকা-১২১২ এবং অ্যাপার্টমেন্ট-বি-৩/ডি, বাসা-১৫, পুরাতন ডিওএইচএস, বনানী। পাসপোর্টে আরিফের জন্ম তারিখ হলো ১৯৭৪ সালে ২৭ জুন।

এর আগে অবৈধ সম্পদ অর্জন, ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ, অর্থপাচার আর সিন্ডিকেট পরিচালনার মাধ্যমে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে আরিফ হাসানের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারিও করা হয়েছিলো। সেই সময় তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আরিফের ঋণ জালিয়াতি: ন্যাশনাল ব্যাংক মহাখালী শাখায় আরিফের মালিকাধীন হাসান টেলিকমের নামে ২৭৫ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি হয়েছে। ডাইরেক্ট হু হোম প্রকল্পের আওতায় ৪৭৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ওয়ার্ক পারমিটের বিপরীতে ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় ঋণের আবেদন করা হয়। ২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর ব্যাংকের পর্ষদ সভায় হাসান টেলিকমের অনুকূলে ২৭৫ কোটি টাকার ৫ বছর মেয়াদি ওভারড্রাফট (ওডি) ঋণ অনুমোদন করা হয়। একই বছরের ২৯ নভেম্বর আরিফের ব্যাংক হিসাবে ১০০ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরে পুরো টাকা ১৯টি চেকের মাধ্যমে তুলে নেন আরিফ। এরপর ওই বছরের ২ ও ৩ ডিসেম্বর যথাক্রমে ১০০ কোটি ও ৭৫ কোটি টাকা একইভাবে আরিফের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়। পরে চেকের মাধ্যমে ওই টাকাও তুলে নেন আরিফ।

ওই সময় দুদক জানায়, জালিয়াতি করা টাকায় আরিফ হাসান নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। আরিফ ও তার বাবার নামে গুলশানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট আছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আছে জমি। দেশ টিভিতে শেয়ার বাবদ বিনিয়োগ ৭৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। দেশ এন্টারটেইনমেন্টে শেয়ার বাবদ বিনিয়োগ ৬ লাখ টাকা। হাসান টেলিকমে শেয়ার বাবদ বিনিয়োগ ৮ লাখ টাকা। ৫ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। এফডিআর, বিভিন্ন ব্যাংকের জমা এবং হাতে নগদ বাবদ ১২০ কোটি ৬৮ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৮ টাকা আছে। কিন্তু কোনও কিছুরই বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ