• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করছে সরকার, বেড়েছে সক্ষমতাও

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ১৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা / ছবি : সংগৃহীত

দেশের অংশগ্রহণমূলক দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়তে দুর্যোগ প্রশমনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। সেই সাথে দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার ‘আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টেকসই ও সমন্বিত দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কর্মসূচি প্রণয়নের পথিকৃৎ। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭৩ সালে দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে আগাম সতর্কবার্তা উপকূলীয় এলাকার জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)’ প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে তিনি দুর্যোগ মোকাবিলার উন্নত টেলিযোগাযোগ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। জাতির পিতা ঘূর্ণিঝড় থেকে জনগণের জানমাল রক্ষায় সেই সময় উপকূলীয় অঞ্চলে ১৭২টি উঁচু মাটির কিল্লা তৈরি করেন, যা ‘মুজিব কিল্লা’ নামে পরিচিত।

আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে ও দুর্যোগ সহনশীল দেশ গঠনে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা ও দৈনন্দিন আবহাওয়া বার্তা জানতে মোবাইলে ১০৯০ (টোল ফ্রি) ইন্টারএ্যাকটিভ ভয়েস রেসপন্স (আইভিআর) সেবা চালু করা হয়েছে। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সরকারপ্রধান বলেন, বর্তমানে উপকূলে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)-তে আমাদের ৭৬ হাজার ১৪০ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে; যার অর্ধেকই নারী। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ফলে দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস ব্যবস্থাপনায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এ কারণে জেন্ডার রেসপনসিভ ক্যাটেগরিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্মানসূচক ‘জাতিসংঘ জনসেবা পদক- ২০২১’ অর্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, সম্পদ, সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে প্রণীত ১০০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’তে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা দুর্যোগ সহনশীল, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে সমর্থ হবো, ইনশাল্লাহ।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ