• বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

চট্টগ্রামে জুলাই হত্যাকাণ্ড: ২৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

দেশের আওয়াজ ডেস্ক : / ১১৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদুল ইসলাম শহিদ হত্যা মামলায় ২৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা অভিযোগপত্রের গ্রহণযোগ্যতা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সাবেক জনপ্রতিনিধিরা।

সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদন খারিজ করে ২৩১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন। এই মামলায় এ পর্যন্ত ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গত ৩০ জুলাই চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফয়সাল ২৩১ জনকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের আন্দোলনকেন্দ্রিক চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটি প্রথম চার্জশিট।

২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বিকেলে নগরের বহদ্দারহাট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা–কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় অস্ত্রধারীরা আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হন অটোরিকশাচালক শহিদ। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ওই দিন ছাত্র–জনতার মিছিল নিউমার্কেট মোড় অতিক্রম করার সময় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের ষোলশহরের বাসভবনে হামলা চালানো হয়। এরপর বহদ্দারহাট মোড়ে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর বাসভবনেও হামলা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও রেজাউল করিম চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, এম এ লতিফ, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দীন নদভী, মহিউদ্দিন বাচ্চু, আবদুচ ছালাম, দিদারুল আলম দিদার, এস এম আল মামুন ও নোমান আল মাহমুদ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর এসরারুল হক, নুর মোস্তফা টিনু, সলিমুল্লাহ বাচ্চু, জিয়াউল হক সুমন ও নুরুল আজিম রনিসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অনেক নেতা-কর্মী।

অভিযোগপত্রে ১২৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৮ জন সাধারণ নাগরিক, ৯৯ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং একজন চিকিৎসক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ