• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

কমছে পানি বাড়ছে দুর্ভোগ

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ১৫৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪

উজানে ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে বন্যায় দেশের ১১ জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২৯ পরিবার। তবে নতুন করে কোনো এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব কামরুল হাসান। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, লক্ষ্মীপুর ও কক্সবাজারের বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। নতুন করে কোনো এলাকা প্লাবিত হচ্ছে না এবং হওয়ার আশঙ্কাও নেই।

সচিব বলেন, বিগত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী জেলার ভারতীয় ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এবং ত্রিপুরা রাজ্যের অভ্যন্তরীণ অববাহিকাসমূহে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি পরিলক্ষিত হয়নি এবং উজানের নদ-নদীর পানি সমতলে হ্রাস অব্যাহত আছে। বর্তমানে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ফেনী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলের বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত আছে। এ সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, খোয়াই ও ধলাই নদীসমূহের পানি সমতলে হ্রাস পেতে পারে এবং সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে।

ত্রাণ সচিব বলেন, পানি নেমে যাওয়ার পর অনেক রোগের প্রাদুর্ভাব হতে থাকে। এ বিষয়ে আমরা সতর্ক করেছি, প্রত্যেককে নিরাপদ পানি ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করেছি। আমাদের কন্ট্রোল রুম খোলা আছে। এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার একটি হিসাব খোলা আছে সেখানে যদি কেউ কিছু দিতে চান সেটি অব্যাহত আছে। তিনি জানান, ফেনীতে একটি ফিল্ড হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক অথবা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বন্যা আক্রান্ত এলাকা থেকে যারা স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসবে তাদের প্রত্যেকের স্বাস্থ্যসেবা যেন নিশ্চিত করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব বলেন, বন্যার কবলে পড়েছে ১১ জেলার ৭৩টি উপজেলা, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫৪৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এ পর্যন্ত ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২৯টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৫২ লাখ ৯ হাজার ৭৯৮ জন। মৃতের সংখ্যা আগের মতো ১৮ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মৌলভীবাজারে দুজন নিখোঁজ থাকার কথা আমরা জেনেছি।
বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩ হাজার ৬৫৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে জানিয়ে সচিব জানান, এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ লাখ ১৫ হাজার ২৭৩ জন। সে সঙ্গে ২২ হাজার ২৯৮টি গবাদিপশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বন্যার্তদের চিকিৎসায় মোট ৭৪৮টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে বলে জানান তিনি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এ সময় এই অঞ্চলের কুমিল্লা জেলার গোমতী নদীর পানি সমতলে স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এ সময় এই অঞ্চলের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী, কর্ণফুলী, হালদা ও অন্যান্য প্রধান নদীসমূহের পানি সমতলে সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী আগামী ২৪ ঘণ্টায় ফেনী জেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে, তবে কোনো কোনো স্থানে স্থিতিশীল থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সমতলে হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতলে স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতলে স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতলে সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল আছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এ নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

দেশের কোনো কোনো এলাকায় নতুন করে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গেছে বসতবাড়ি। কুমিল্লায় বন্যার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মিরসরাইয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১১টি ইউনিয়নের মানুষ। সময়ের আলোর প্রতিনিধি ও সংবাদাতাদের পাঠানো খবর-

কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় বন্যার পানিতে একই পরিবারের ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো বোন। রোববার সকাল ১০টায় উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের বাঘাইরামপুর গ্রামে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। নিহতরা হলো-বাঘাইরামপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মুক্তার হোসেনের বড় মেয়ে সামিয়া আক্তার (১০) ও মালদ্বীপ প্রবাসী মনির হোসেনের মেয়ে আয়েশা আক্তার (৯)। তারা নয়াকান্দি বাজারের স্থানীয় খাদিজাতুল কোবরা (রা.) মহিলা মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবদুল হক বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় মাদরাসা খোলা রাখা ঠিক হয়নি। যেহেতু রাস্তায় হাঁটু পানি ও প্রবল স্রোত, তাই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবক সচেতন হলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না।

টেকনাফ (কক্সবাজার) জানান, বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কক্সবাজারের টেকনাফের উদ্যোগে অর্থ অনুদান সংগ্রহ করেছে। রোববার এক দিনে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৫৮২ টাকা সংগ্রহ করা হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লা ও কক্সবাজারের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও টেকনাফের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিলে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছেন। শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তারা টেকনাফ শহরের বিভিন্ন স্থানে ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা অর্থ সংগ্রহ করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে দেওয়ার লক্ষ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে টেকনাফ থেকে এক দিনে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৫৮২ টাকা সংগ্রহ করা হয়। রোববার সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে পাঠানো হয়।

নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, শনিবার সারা দিন বৃষ্টি না হওয়ায় একটু কমেছিল পানি। কিন্তু মধ্যরাত থেকে আবার অঝোরে বৃষ্টি হওয়ায় নোয়াখালীতে বেড়ে গেছে পানির পরিমাণ। এতে নতুন করে আবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলাবাসী। চরম দুর্ভোগে রয়েছে তারা।

জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে আটটি উপজেলা বেশি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। এর মধ্যে চারটি উপজেলায় নতুন করে আবার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে এসব উপজেলার বাসিন্দারা। পানি একটু কমে যাওয়ার পর বাসিন্দারা যখন আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন আবার বৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আবার উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন।

অতিরিক্ত পানি থাকায় ত্রাণ বা খাদ্যবাহী গাড়ি যেতে পারছে না গ্রামের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে। ফলে এক ধরনের মানবেতর জীবন পার করছে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠা মানুষরা।

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, গত তিন দিনে নোয়াখালীতে ৬৩ জনকে সাপে কেটেছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সাপে কেটেছে ২৮ জনকে। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে ১০৮ জন।

জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, রাতে বৃষ্টি হওয়ায় পানি বাড়ায় আবার নতুন করে সংকটে পড়েছে জেলাবাসী। এতে করে বন্যায় আক্রান্তদের সমস্যাও বেড়ে যাবে। এ পর্যন্ত ৯০৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যা পাওয়া যাচ্ছে তা বাসভাসিদের দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ টন চাল, নগদ ৪৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। কাজ করছে সেনাবাহিনী, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানবতাবাদী সংগঠন।

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে টানা পাঁচ দিনের বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ২ লাখেরও বেশি মানুষ। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে এখানকার ফেনী নদীর পানির উচ্চতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বুধবার থেকে এখানকার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় ১৬৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। অবশ্য গতকাল সকাল থেকে কিছু কিছু এলাকায় এক থেকে দুই ফুট পর্যন্ত পানি কমেছে।

একদিকে বন্যায় পানিবন্দি লাখো অসহায় মানুষ। অন্যদিকে ফেনী নদীর ভাটিতে অবস্থিত দেশের বৃহত্তর সেচ প্রকল্প মুহুরীর দুটি গেট পানির তোড়ে ভেঙে গেছে। অকেজো আছে আরও দুটি গেইট। এ কারণে একদিকে জোয়ারের সময় ফেনী নদী হয়ে অভ্যন্তরে ঢুকছে বঙ্গোপসাগরের পানি। আবার ভাটার সময় দুটি গেট অকেজো থাকার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাশেদ শাহরিয়ারকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে গত কয়েক দিন বন্যার কারণে দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে বিবেচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ছিল। গতকাল রোববার সকাল থেকে ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। তবে গত কয়েক দিন পথে আটকে থাকার দরুন মালবাহী অনেক যানবাহনে থাকা নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচা ভোগ্যপণ্য নষ্ট হয়ে গেছে।

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ (পরিদর্শক) সোহেল সরকার জানান, রোববার সকাল থেকে ঢাকামুখী লেন পুরোপুরি চালু হয়েছে। চট্টগ্রামমুখী লেনও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
মিরসরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশান্ত চক্রবর্তী সবশেষ বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে জানান, শনিবার রাত থেকে রোববার পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। কিছু কিছু এলাকায় পানি কমতে শুরু করেছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, যুব রেড ক্রিসেন্ট অ্যালামনাই, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষার্থীরা পৃথক পৃথকভাবে বানভাসি মানুষদের উদ্ধার এবং তাদের মাঝে বিশুদ্ধ পানীয়, ওষুধ ও খাবার বিতরণ করছেন।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ বারইয়ারহাট জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হেদায়েত উল্যাহ ও মিরসরাই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আদনান আহমেদ জানান, কিছু কিছু এলাকায় পানির তীব্রতা কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়েছে। এখনও বন্যাকবলিত অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎসেবা দেওয়া যাচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ