ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হাওরের ৯৭ শতাংশ বোরো ধান কাটা শেষ

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪ ১৭ বার পড়া হয়েছে

রোববার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, হাওরের ৯৭ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে।

টানা এক মাস তীব্র তাপপ্রবাহ গেছে। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জেলায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে। আর কালবৈশাখীর মেঘের আনাগোনার মধ্যেই হাওরের নিম্নাঞ্চলের বোরো ধান কাটা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। আগাম বৃষ্টির কবল থেকে রক্ষা পেল দেশের নিচু অঞ্চলের বোরো ধান।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর সাতটি জেলায় (সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া) শুধু হাওর এলাকায় ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৩৮ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। আর সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩৩ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে।

এছাড়া হাওরের ফসলকে ঝুঁকিমুক্ত করতে বর্তমান সরকার বহুমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন কাজ করে যাচ্ছে। পাকা ধান যাতে দ্রুত কৃষকের ঘরে তোলা যায়, সেজন্য বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে হাওরের কৃষকদের ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন্ড হারভেস্টার ও রিপার দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, হাওর অধিভুক্ত সাত জেলায় এবার ৪ হাজার ৪০০টির বেশি কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা চলছে। এর মধ্যে এ বছরই নতুন ১০০টি হারভেস্টার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের অন্য এলাকা থেকেও হাওরের বোরো ধান কাটার জন্য কম্বাইন্ড হারভেস্টার নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে দ্রুততার সাথে হাওরের ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। এ বছর সারাদেশে ৫০ লাখ ৫৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বেশি। এবার বোরোতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হলো ২ কোটি ২২ লাখ টন।

সম্প্রতি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে বোরো ধান কাটা উৎসবে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুস শহীদ বলেছেন, আমাদের সারা বছরের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি যোগান দেয় বোরো ধান। সেজন্য এ বছরও বোরোর আবাদ ও ফলন বাড়াতে আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়েছি। বোরোর আবাদ বাড়াতে ২১৫ কোটি টাকার বীজ ও সার কৃষকদের বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। এছাড়া সারা দেশের বোরো ধান সফলভাবে ঘরে তুলতে পারলে দেশে খাদ্য নিয়ে তেমন কোনো ঝুঁকি থাকবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হাওরের ৯৭ শতাংশ বোরো ধান কাটা শেষ

আপডেট সময় : ১১:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪

রোববার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, হাওরের ৯৭ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে।

টানা এক মাস তীব্র তাপপ্রবাহ গেছে। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জেলায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে। আর কালবৈশাখীর মেঘের আনাগোনার মধ্যেই হাওরের নিম্নাঞ্চলের বোরো ধান কাটা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। আগাম বৃষ্টির কবল থেকে রক্ষা পেল দেশের নিচু অঞ্চলের বোরো ধান।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর সাতটি জেলায় (সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া) শুধু হাওর এলাকায় ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৩৮ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। আর সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩৩ শতাংশ বোরো ধান কাটা হয়েছে।

এছাড়া হাওরের ফসলকে ঝুঁকিমুক্ত করতে বর্তমান সরকার বহুমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন কাজ করে যাচ্ছে। পাকা ধান যাতে দ্রুত কৃষকের ঘরে তোলা যায়, সেজন্য বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে হাওরের কৃষকদের ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন্ড হারভেস্টার ও রিপার দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, হাওর অধিভুক্ত সাত জেলায় এবার ৪ হাজার ৪০০টির বেশি কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়ে ধান কাটা চলছে। এর মধ্যে এ বছরই নতুন ১০০টি হারভেস্টার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের অন্য এলাকা থেকেও হাওরের বোরো ধান কাটার জন্য কম্বাইন্ড হারভেস্টার নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে দ্রুততার সাথে হাওরের ধান কাটা সম্ভব হয়েছে। এ বছর সারাদেশে ৫০ লাখ ৫৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর বেশি। এবার বোরোতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হলো ২ কোটি ২২ লাখ টন।

সম্প্রতি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে বোরো ধান কাটা উৎসবে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুস শহীদ বলেছেন, আমাদের সারা বছরের মোট চাল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি যোগান দেয় বোরো ধান। সেজন্য এ বছরও বোরোর আবাদ ও ফলন বাড়াতে আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়েছি। বোরোর আবাদ বাড়াতে ২১৫ কোটি টাকার বীজ ও সার কৃষকদের বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। এছাড়া সারা দেশের বোরো ধান সফলভাবে ঘরে তুলতে পারলে দেশে খাদ্য নিয়ে তেমন কোনো ঝুঁকি থাকবে না।