ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্পেনে যাওয়ার পথে সাগরে নিখোঁজ ৩০০ অভিবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

সমুদ্রপথে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাওয়ার সময় অন্তত ৩০০ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। আজ সোমবার (১০ জুলাই) একটি সহায়তা সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নিখোঁজ হওয়া এই অভিবাসীরা সবাই আফ্রিকান এবং তারা পৃথক তিনটি নৌকায় ছিলেন।

স্প্যানিশ এই সংস্থাটি ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাস নামেও পরিচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনেগাল থেকে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার সময় তিনটি অভিবাসী নৌকায় ভ্রমণকারী অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিবাসন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ওয়াকিং বর্ডারস জানিয়েছে।

ওয়াকিং বর্ডারসের হেলেনা ম্যালেনো রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই তিনটি নৌকার মধ্যে দু’টি নৌকা স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টায় সেনেগাল ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এই দু’টি নৌকার একটিতে প্রায় ৬৫ জন লোক এবং অন্যটিতে ৫০ থেকে ৬০ জন আরোহী ছিল।

আর তৃতীয় নৌকাটি গত ২৭ জুন সেনেগাল ছেড়ে যায় এবং এতে প্রায় ২০০ জন আরোহী ছিল। সেনেগাল ছেড়ে স্পেনের উদ্দেশে রওনা করার পর এই তিনটি নৌকায় আরোহী ব্যক্তিদের পরিবার তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি বলে ম্যালেনো জানিয়েছেন।

রয়টার্স বলছে, অভিবাসীদের বহনকারী তিনটি নৌকাই সেনেগালের দক্ষিণাঞ্চলীয় কাফাউন্টাইন থেকে তাদের যাত্রা শুরু করে। এখান থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের টেনেরিফ দ্বীপের দূরত্ব প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার (১ হাজার ৫৭ মাইল)।

ম্যালেনো বলেন, নিখোঁজ এই অভিবাসীদের পরিবারগুলো খুবই উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছে। সেনেগালের একই এলাকার প্রায় ৩০০ জন মানুষ। সেনেগালের অস্থিতিশীলতার কারণে তারা (দেশ ছেড়ে) চলে গেছে।

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সেই তুলনায় অনেক কম সংখ্যক মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনের মূল ভূখণ্ডে যেতে চান।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে পৌঁছানোর প্রচেষ্টায় কমপক্ষে ৫৫৯ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ২২ জন শিশু।

সাধারণত সাব-সাহারান আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীরা এই রুটটি ব্যবহার করে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্পেনে যাওয়ার পথে সাগরে নিখোঁজ ৩০০ অভিবাসী

আপডেট সময় : ১০:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩

সমুদ্রপথে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাওয়ার সময় অন্তত ৩০০ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। আজ সোমবার (১০ জুলাই) একটি সহায়তা সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নিখোঁজ হওয়া এই অভিবাসীরা সবাই আফ্রিকান এবং তারা পৃথক তিনটি নৌকায় ছিলেন।

স্প্যানিশ এই সংস্থাটি ক্যামিনাডো ফ্রন্টিরাস নামেও পরিচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনেগাল থেকে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার সময় তিনটি অভিবাসী নৌকায় ভ্রমণকারী অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিবাসন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ওয়াকিং বর্ডারস জানিয়েছে।

ওয়াকিং বর্ডারসের হেলেনা ম্যালেনো রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই তিনটি নৌকার মধ্যে দু’টি নৌকা স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টায় সেনেগাল ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এই দু’টি নৌকার একটিতে প্রায় ৬৫ জন লোক এবং অন্যটিতে ৫০ থেকে ৬০ জন আরোহী ছিল।

আর তৃতীয় নৌকাটি গত ২৭ জুন সেনেগাল ছেড়ে যায় এবং এতে প্রায় ২০০ জন আরোহী ছিল। সেনেগাল ছেড়ে স্পেনের উদ্দেশে রওনা করার পর এই তিনটি নৌকায় আরোহী ব্যক্তিদের পরিবার তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেনি বলে ম্যালেনো জানিয়েছেন।

রয়টার্স বলছে, অভিবাসীদের বহনকারী তিনটি নৌকাই সেনেগালের দক্ষিণাঞ্চলীয় কাফাউন্টাইন থেকে তাদের যাত্রা শুরু করে। এখান থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের টেনেরিফ দ্বীপের দূরত্ব প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার (১ হাজার ৫৭ মাইল)।

ম্যালেনো বলেন, নিখোঁজ এই অভিবাসীদের পরিবারগুলো খুবই উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছে। সেনেগালের একই এলাকার প্রায় ৩০০ জন মানুষ। সেনেগালের অস্থিতিশীলতার কারণে তারা (দেশ ছেড়ে) চলে গেছে।

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী অভিবাসীদের প্রধান গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সেই তুলনায় অনেক কম সংখ্যক মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনের মূল ভূখণ্ডে যেতে চান।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের উপকূলে পৌঁছানোর প্রচেষ্টায় কমপক্ষে ৫৫৯ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ২২ জন শিশু।

সাধারণত সাব-সাহারান আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীরা এই রুটটি ব্যবহার করে থাকেন।