ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সৌদিতে রোজা শুরু ২৩ মার্চ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩ ৯১ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবে মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় পবিত্র রজমান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এর ফলে, দেশটিতে ২২ মার্চ হবে শাবান মাসের শেষদিন এবং রমজান মাস শুরু হবে আগামী ২৩ মার্চ। খবর খালিজ টাইমসের।

ইসলামী ক্যালেন্ডারে মাস হয় সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনে। মাসের শুরু ও শেষ নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর। এ জন্য অন্য মাসগুলোর মতো প্রতি বছর রমজানের শুরুর দিনও পূর্বনির্ধারিত হয় না।

রমজানের চাঁদ দেখা নিশ্চিত করতে বুধবারও বৈঠকে বসেবে সৌদির জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এর আগে, সৌদি কর্তৃপক্ষ দেশটিতে বসবাসরত মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছিল। খালি চোখে অথবা দূরবীনের মাধ্যমে যেভাবেই হোক, কেউ নতুন চাঁদ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী আদালতে জানানোর আহ্বান জানিয়েছিল দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

এদিকে বাংলাদেশে কবে থেকে রোজা রাখতে হবে তা জানা যাবে বুধবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায়। বাদ মাগরিব সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল হক খান।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় হিজরি ১৪৪৪ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে বৃহস্পতিবার থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে ও মুসলমানরা রোজা রাখবেন। সেক্ষেত্রে বুধবার রাতেই এশার নামাজের পর ২০ রাকাত তারাবি নামাজ পড়বেন, রোজা রাখতে শেষ রাতে প্রথম সেহরিও খাবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

অন্যদিকে বুধবার চাঁদ দেখা না গেলে বৃহস্পতিবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, রমজান মাস গণনা শুরু হবে শুক্রবার। এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়বেন ও শেষ রাতে খেতে হবে সেহরি।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন এবং ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সৌদিতে রোজা শুরু ২৩ মার্চ

আপডেট সময় : ০৫:১৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মার্চ ২০২৩

সৌদি আরবে মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সন্ধ্যায় পবিত্র রজমান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এর ফলে, দেশটিতে ২২ মার্চ হবে শাবান মাসের শেষদিন এবং রমজান মাস শুরু হবে আগামী ২৩ মার্চ। খবর খালিজ টাইমসের।

ইসলামী ক্যালেন্ডারে মাস হয় সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনে। মাসের শুরু ও শেষ নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর। এ জন্য অন্য মাসগুলোর মতো প্রতি বছর রমজানের শুরুর দিনও পূর্বনির্ধারিত হয় না।

রমজানের চাঁদ দেখা নিশ্চিত করতে বুধবারও বৈঠকে বসেবে সৌদির জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এর আগে, সৌদি কর্তৃপক্ষ দেশটিতে বসবাসরত মুসলিমদের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছিল। খালি চোখে অথবা দূরবীনের মাধ্যমে যেভাবেই হোক, কেউ নতুন চাঁদ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী আদালতে জানানোর আহ্বান জানিয়েছিল দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

এদিকে বাংলাদেশে কবে থেকে রোজা রাখতে হবে তা জানা যাবে বুধবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায়। বাদ মাগরিব সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।

এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল হক খান।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বুধবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় হিজরি ১৪৪৪ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে বৃহস্পতিবার থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে ও মুসলমানরা রোজা রাখবেন। সেক্ষেত্রে বুধবার রাতেই এশার নামাজের পর ২০ রাকাত তারাবি নামাজ পড়বেন, রোজা রাখতে শেষ রাতে প্রথম সেহরিও খাবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

অন্যদিকে বুধবার চাঁদ দেখা না গেলে বৃহস্পতিবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, রমজান মাস গণনা শুরু হবে শুক্রবার। এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়বেন ও শেষ রাতে খেতে হবে সেহরি।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭ টেলিফোন এবং ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১ ফ্যাক্স নম্বরে বা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।