ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে বিজিবি’

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ ১৪ বার পড়া হয়েছে

সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পিলখানায় বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী হলো বিজিবি। সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, নারী-শিশু পাচার রোধসহ বিভিন্ন কাজ বিজিবি অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে যখনই কোনো সমস্যা হয়, তখনই বিজিবির সদস্যরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জানমাল রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

বিজিবি সদস্যদের চেইন অব কমান্ড মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শৃঙ্খলা একটি বাহিনীর মূল চালিকাশক্তি। কখনও শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না। চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন।

বন্দি হওয়ার আগ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার যে ঘোষণা দেন তা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এই বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়। ২০০৯ সালে কেবল সরকার গঠন করি। ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটে এক অঘটন। এই বিদ্রোহে ৫৭ অফিসারসহ ৭৪ জন জীবন হারায়। নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। স্বজনদের সহমর্মিতা জানাচ্ছি। স্বজনহারার বেদনা কত কঠিন, সেটা বোধহয় আমার থেকে কেউ বেশি জানে না। আমরা এই ঘটনার বিচার করেছি।

বিজিবি বিশ্বমানের আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে এমনটা জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আজ বিজিবির কুচকাওয়াজ দেখে আমি আনন্দিত। বিশেষ করে, নারী সদস্যদের ড্রিল দেখে আমি বেশি আনন্দিত। বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য যারা আজ পদক পেলেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। জাতির পিতা বলে গিয়েছিল ‘ঈমানের সঙ্গে কাজ করো, সৎ পথে চলো’। আশা করি তার এ নির্দেশনা আপনারা মেনে চলবেন।

এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজভূমে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিজিবি দেশের অর্থনীতির জন্যও কাজ করে। বিজিবি রোহিঙ্গাদেরও নিরাপত্তা দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের আমরা মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়ায় যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করি, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারব।

অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক পাওয়া ৭২ বিজিবি সদস্যকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে বিজিবি’

আপডেট সময় : ১১:৪৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পিলখানায় বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশমাতৃকা রক্ষায় সদা জাগ্রত অতন্দ্র প্রহরী হলো বিজিবি। সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, নারী-শিশু পাচার রোধসহ বিভিন্ন কাজ বিজিবি অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে যখনই কোনো সমস্যা হয়, তখনই বিজিবির সদস্যরা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জানমাল রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

বিজিবি সদস্যদের চেইন অব কমান্ড মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শৃঙ্খলা একটি বাহিনীর মূল চালিকাশক্তি। কখনও শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না। চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন।

বন্দি হওয়ার আগ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার যে ঘোষণা দেন তা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এই বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, এখানে এলেই মনটা ভারী হয়ে যায়। ২০০৯ সালে কেবল সরকার গঠন করি। ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘটে এক অঘটন। এই বিদ্রোহে ৫৭ অফিসারসহ ৭৪ জন জীবন হারায়। নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। স্বজনদের সহমর্মিতা জানাচ্ছি। স্বজনহারার বেদনা কত কঠিন, সেটা বোধহয় আমার থেকে কেউ বেশি জানে না। আমরা এই ঘটনার বিচার করেছি।

বিজিবি বিশ্বমানের আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে এমনটা জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আজ বিজিবির কুচকাওয়াজ দেখে আমি আনন্দিত। বিশেষ করে, নারী সদস্যদের ড্রিল দেখে আমি বেশি আনন্দিত। বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য যারা আজ পদক পেলেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। জাতির পিতা বলে গিয়েছিল ‘ঈমানের সঙ্গে কাজ করো, সৎ পথে চলো’। আশা করি তার এ নির্দেশনা আপনারা মেনে চলবেন।

এ সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজভূমে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিজিবি দেশের অর্থনীতির জন্যও কাজ করে। বিজিবি রোহিঙ্গাদেরও নিরাপত্তা দিচ্ছে। রোহিঙ্গাদের আমরা মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়ায় যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করি, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারব।

অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক পাওয়া ৭২ বিজিবি সদস্যকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।