ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিভিল প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনী আন্তরিকভাবে কাজ করছে: সেনাপ্রধান

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

সিভিল প্রশাসনের সাথে কাজ করতে সেনাবাহিনী আগের চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এই বাহিনী চাচ্ছে, বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের যে কোনো প্রদত্ত দায়িত্ব সুন্দরভাবে শেষ করতে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে অংশ নেয়ার পর সাংবাদিকদের এমন মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।।

সেনাপ্রধান বলেন, আমি গতবারও ব্যক্তিগতভাবে এখানে এসেছি। এবারও আসলাম। কোনো প্রতিনিধি পাঠাইনি। আমার সশরীরে ডিসি সম্মেলনে পরপর দুই বছর উপস্থিতি হওয়া এটিই প্রমাণ করে এটিকে (ডিসি সম্মেলন) কতোটা গুরুত্ব আমি দিয়েছি।

‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রশাসনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে যারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখেন, তারা হলেন জেলা প্রশাসক। এছাড়াও বিভাগীয় কমিশনররা আছেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের অনেক দায়িত্ব পালন করে। যেগুলো কিন্তু বেসামরিক প্রশাসনের আওতায়।

তিনি বলেন, আর ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা যেসব বেসামরিক কাজ করি, তা বেসামরিক প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া অসম্ভব। আমি তাদেরকে এই সিগন্যালটি পরিষ্কারভাবে দিয়ে গেলাম, আমি ব্যক্তিগতভাবে এসেছি। সেনাবাহিনী চাচ্ছে, বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের যে কোনো প্রদত্ত দায়িত্ব সুন্দরভাবে শেষ করতে।

‘আপনারা জানেন, ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট, নেশন বিল্ডিং একটিভিটিজ, অনেক সিকিউরিটি ডিউটিও পালন করে থাকি। এখানে কথা প্রসঙ্গে গত বন্যার সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা সবাই করেছেন। অন্য কাজেও আমাদের প্রশংসার কথা সবাই বলেছেন। আমরাও বলেছি, বর্তমান সেনাবাহিনীর নিচের পর্যায়ের সবার মধ্যে একটি অনুভূতি এসেছে যে সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে অনেক আমাদের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি।’

তিনি জানান, তাদের সঙ্গে কাজ করে আগের চেয়ে অনেক ভালো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। এই যে আমাদের একটি কালচারাল ডিফারেন্স (সাংস্কৃতিক পার্থক্য), আর্মি ওয়ে অব ডুয়িং থিংস, সিভিলিয়ানস দেই হ্যাভ দেয়ার ওয়েজ অভ ডুয়িং থিংস। কিন্তু উদ্দেশ্য একই। কিন্তু কর্মপদ্ধতির ভিন্নতার কারণে অনেক সময় কিছু কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে। যত আমরা ওগুলো দূর করতে পারব, কাজে নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখে, আমার মনে হয়, ‘উই উইল অ্যাবল টু পারফর্ম ওয়াট ইজ এক্সপেক্টেড ফ্রম আস বাই দ্য গভর্নম্যান্ট অ্যান্ড পিপল অব দ্য কান্ট্রি।’

জেলা প্রশাসকরা কোনো সুনির্দিষ্ট ইস্যুতে আপনাদের সহযোগিতা চেয়েছেন কিনা; জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, চেয়েছে। তার বিস্তারিত এখন বলছি না। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত, এখানকার মুখপাত্র যারা আছেন, তারা এ বিষয়ে একটি পরিষ্কার ধারণা দেবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিভিল প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনী আন্তরিকভাবে কাজ করছে: সেনাপ্রধান

আপডেট সময় : ০৬:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৩

সিভিল প্রশাসনের সাথে কাজ করতে সেনাবাহিনী আগের চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এই বাহিনী চাচ্ছে, বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের যে কোনো প্রদত্ত দায়িত্ব সুন্দরভাবে শেষ করতে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে অংশ নেয়ার পর সাংবাদিকদের এমন মন্তব্য করেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।।

সেনাপ্রধান বলেন, আমি গতবারও ব্যক্তিগতভাবে এখানে এসেছি। এবারও আসলাম। কোনো প্রতিনিধি পাঠাইনি। আমার সশরীরে ডিসি সম্মেলনে পরপর দুই বছর উপস্থিতি হওয়া এটিই প্রমাণ করে এটিকে (ডিসি সম্মেলন) কতোটা গুরুত্ব আমি দিয়েছি।

‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রশাসনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে যারা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখেন, তারা হলেন জেলা প্রশাসক। এছাড়াও বিভাগীয় কমিশনররা আছেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের অনেক দায়িত্ব পালন করে। যেগুলো কিন্তু বেসামরিক প্রশাসনের আওতায়।

তিনি বলেন, আর ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা যেসব বেসামরিক কাজ করি, তা বেসামরিক প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া অসম্ভব। আমি তাদেরকে এই সিগন্যালটি পরিষ্কারভাবে দিয়ে গেলাম, আমি ব্যক্তিগতভাবে এসেছি। সেনাবাহিনী চাচ্ছে, বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের যে কোনো প্রদত্ত দায়িত্ব সুন্দরভাবে শেষ করতে।

‘আপনারা জানেন, ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট, নেশন বিল্ডিং একটিভিটিজ, অনেক সিকিউরিটি ডিউটিও পালন করে থাকি। এখানে কথা প্রসঙ্গে গত বন্যার সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা সবাই করেছেন। অন্য কাজেও আমাদের প্রশংসার কথা সবাই বলেছেন। আমরাও বলেছি, বর্তমান সেনাবাহিনীর নিচের পর্যায়ের সবার মধ্যে একটি অনুভূতি এসেছে যে সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে অনেক আমাদের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি।’

তিনি জানান, তাদের সঙ্গে কাজ করে আগের চেয়ে অনেক ভালো স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। এই যে আমাদের একটি কালচারাল ডিফারেন্স (সাংস্কৃতিক পার্থক্য), আর্মি ওয়ে অব ডুয়িং থিংস, সিভিলিয়ানস দেই হ্যাভ দেয়ার ওয়েজ অভ ডুয়িং থিংস। কিন্তু উদ্দেশ্য একই। কিন্তু কর্মপদ্ধতির ভিন্নতার কারণে অনেক সময় কিছু কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকে। যত আমরা ওগুলো দূর করতে পারব, কাজে নিজের স্বকীয়তা বজায় রেখে, আমার মনে হয়, ‘উই উইল অ্যাবল টু পারফর্ম ওয়াট ইজ এক্সপেক্টেড ফ্রম আস বাই দ্য গভর্নম্যান্ট অ্যান্ড পিপল অব দ্য কান্ট্রি।’

জেলা প্রশাসকরা কোনো সুনির্দিষ্ট ইস্যুতে আপনাদের সহযোগিতা চেয়েছেন কিনা; জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, চেয়েছে। তার বিস্তারিত এখন বলছি না। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত, এখানকার মুখপাত্র যারা আছেন, তারা এ বিষয়ে একটি পরিষ্কার ধারণা দেবেন।