ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৩ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।

পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ডিআরইউর দুই সদস্য সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে রোববার (১১ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ডিআরইউ চত্বরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বছরঘুরে আবারও সেই ১১ ফেব্রুয়ারি। ২০১২ সালে এইদিন ভোরে আমাদের প্রিয় দুই সহকর্মী সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি নির্মমভাবে খুন হয়েছিলেন। এবার এই হত্যাকাণ্ডের ১২তম বার্ষিকী। এগারো বছর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু প্রকৃত হত্যাকারীদের এখনো শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়নি। বিচার প্রক্রিয়াও থমকে আছে। নিষ্ঠুর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ডিআরইউসহ গোটা সাংবাদিক সমাজ আজও সোচ্চার।

ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভর সভাপতিত্বে এই প্রতিবাদ সমাবেশ হবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।

সেই রাতে সেই ফ্ল্যাটে তাদের দুজনের সঙ্গে ছিল তাদের একমাত্র সন্তান পাঁচ বছর বয়সী মাহির সরওয়ার মেঘ। তাকে উদ্ধৃত করে পুলিশ তখন জানিয়েছিল, খুনি ছিল দুজন।

আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর বছরের পর বছর গড়ালেও হত্যা রহস্যের কিনারা হয়নি।

হত্যাকাণ্ডের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের রোমান। বিভিন্ন সময়ে মোট আটজনকে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পরে দুজন জামিনও পান।

প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্তে নামে। চারদিন পর তদন্তের ভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। তারা রহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দায়িত্ব পেয়ে ডিএনএসহ অন্যান্য বায়োমেট্রিক পরীক্ষার জন্য ঘটনাস্থল থেকে বটি, পরিধেয় কাপড়সহ বেশ কিছু বস্তু পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবেও পাঠায় র‌্যাব।

গত বছরের আগস্টে আলোচিত এ মামলার প্রতিবেদন জমার জন্য শততমবার সময় পায় র‍্যাব। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর, ১৫ অক্টোবর, ১৬ নভেম্বর, ১৯ ডিসেম্বর ও ২৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করলেও প্রতিবেদন জমা পড়েনি। এ নিয়ে ১০৫ বারের মত এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।

পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ডিআরইউর দুই সদস্য সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে রোববার (১১ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ডিআরইউ চত্বরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বছরঘুরে আবারও সেই ১১ ফেব্রুয়ারি। ২০১২ সালে এইদিন ভোরে আমাদের প্রিয় দুই সহকর্মী সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি নির্মমভাবে খুন হয়েছিলেন। এবার এই হত্যাকাণ্ডের ১২তম বার্ষিকী। এগারো বছর পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু প্রকৃত হত্যাকারীদের এখনো শনাক্ত ও গ্রেফতার করা হয়নি। বিচার প্রক্রিয়াও থমকে আছে। নিষ্ঠুর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ডিআরইউসহ গোটা সাংবাদিক সমাজ আজও সোচ্চার।

ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভর সভাপতিত্বে এই প্রতিবাদ সমাবেশ হবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙার বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।

সেই রাতে সেই ফ্ল্যাটে তাদের দুজনের সঙ্গে ছিল তাদের একমাত্র সন্তান পাঁচ বছর বয়সী মাহির সরওয়ার মেঘ। তাকে উদ্ধৃত করে পুলিশ তখন জানিয়েছিল, খুনি ছিল দুজন।

আলোচিত ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর বছরের পর বছর গড়ালেও হত্যা রহস্যের কিনারা হয়নি।

হত্যাকাণ্ডের পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের রোমান। বিভিন্ন সময়ে মোট আটজনকে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পরে দুজন জামিনও পান।

প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্তে নামে। চারদিন পর তদন্তের ভার দেওয়া হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। তারা রহস্যের কিনারা করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দায়িত্ব পেয়ে ডিএনএসহ অন্যান্য বায়োমেট্রিক পরীক্ষার জন্য ঘটনাস্থল থেকে বটি, পরিধেয় কাপড়সহ বেশ কিছু বস্তু পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবেও পাঠায় র‌্যাব।

গত বছরের আগস্টে আলোচিত এ মামলার প্রতিবেদন জমার জন্য শততমবার সময় পায় র‍্যাব। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর, ১৫ অক্টোবর, ১৬ নভেম্বর, ১৯ ডিসেম্বর ও ২৩ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করলেও প্রতিবেদন জমা পড়েনি। এ নিয়ে ১০৫ বারের মত এই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছাল।