ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ২২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সরকার দেশের সমাজব্যবস্থাকে বিভক্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩ ৭০ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সমাজব্যবস্থাকে বিভক্ত করেছে এবং দূষিত সমাজে পরিণত করেছে।

শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে সিলেটের ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে মহানগর বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেছে। তাই তাদের অধীন কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। গুটিকয়েক মানুষের স্বার্থে সরকার উন্নয়নের নামে দেশের টাকা নষ্ট করছে।

বিদ্যুৎ বিভাগকে চুরির হাতিয়ার হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দুই মাসে তিনবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। মানুষ দ্রব্যমূল্যে দিশাহারা। ১০ টাকায় চাল খাওয়ানের কথা বলে এখন ৭০ টাকায় মোটা চাল খাওয়াচ্ছে। ডিম, পোল্ট্রি মোরগের দাম নাগালের বাইরে। ভাত খেতে না পারলে উন্নয়ন ধুয়ে খাবে না কি মানুষ।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সংবিধানকে বার বার কাঁটা-ছেড়া করে এটিকে অকার্যকর করে দিয়েছে। সংবিধানের মৌলিক বিষয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে সরিয়ে দিয়ে বাকশাল করেছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে হরণ করেছিল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে, বেআিইনিভাবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আজকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এর পূর্বে তাঁকে কারান্তরীণ করে রাখা হয়েছিল চার বছর।’

তিনি বলেন, এই সম্মেলন এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সারা বাংলাদেশে ভয়াবহ রকমের নির্যাতন-নিপীড়নের সময় চলছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। আন্দোলনে আমাদের ১৭ জন নেতাকর্মী রাজপথে প্রাণ দিয়েছেন। শত শত নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। হাজারো নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপরও তারা কী পেরেছে আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে? পারেনি। আজকে আরও দুর্বার গতিতে মানুষ জেগে উঠেছে এবং জেগে উঠেছে একটি মাত্র লক্ষ্যে, যেভাবেই হোক এই দানবীয় সরকার, যারা আমাদের সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদেরকে পরাজিত করতে হবে। তাদেরকে বিতাড়িত করতে হবে, পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সরকার অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। এমনভাবে ধ্বংস করেছে, যেটাকে টেনে তোলা অত্যন্ত কঠিন। আজকে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থে, দুর্নীতির স্বার্থে, চুরি করার স্বার্থে তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দিয়েছে। তারা অনেক বড় বড় কথা বলে, তারা নাকি অনেক উন্নয়ন করেছে। এই উন্নয়নটা কার জন্যে? এই উন্নয়ন গুটিকতক মানুষের জন্য। তারা পাতাল রেল করছে, মেট্রোরেল করেছে, কতো টাকা খরচ হয়েছে? যা খরচ হওয়ার কথা তার চেয়ে তিনগুণ খরচ করেছে। পদ্মাসেতু করে খুব বাহবা নেয় তারা। সেই পদ্মাসেতু বানাতে ১০ হাজার কোটি টাকা ছিল বাজেট, তার প্রকল্প, যেটা আমাদের সময় করা হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকার মতো। সেটা আজকে ৩০ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। চট্টগ্রামে টানেল তৈরি করেছে, যে টানেলের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা আমরা জানি না। অথচ হাসপাতালে আমার রোগীরা ঠিকমতো বেড পায় না, ওষুধ পায় না, তারা ডাক্তার পায় না। হাসপাতালে ঢোকার মতো কোনো পরিবেশ থাকে না। আজকে স্বাস্থ্যসেবার জন্য বেশিরভাগ মানুষকে বাইরে চলে যেতে হচ্ছে, ভারতে যেতে হচ্ছে, দেশে কোনো চিকিৎসা পাওয়া যায় না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। আজকে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় আওয়ামী সন্ত্রাসী, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আপনারা দেখুন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কত খারাপ হয়েছে। প্রকাশ্যে দিনের বেলায় চড়-থাপ্পড় মেরে ১১ কোটি টাকা নিয়ে যায়! পরে আবার ওরাই খোঁজে পায়, তার মধ্যে আবার দুই কোটি টাকা পাওয়া যায় না! আইনশৃঙ্খলা এমন খারাপ হয়েছে, আজকে আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা নাই। তারা নিরাপদ বোধ করেন না এই দেশে। আজকে কোথাও কোনো আইনের শাসন নেই।’

তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে তারা সম্পূর্ণ নিজেদের করায়ত্ত করে নিয়েছে। এইভাবে তারা আজকে দেশ পরিচালনা করছে শুধুমাত্র শক্তি দিয়ে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে। তারা বিদ্যুৎ সেক্টরকে বেছে নিয়েছে তাদের টাকা আয় করার জন্য, চুরি করার জন্য। আদানি, ভারতের বিশাল কোম্পানি, তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। আমরা হিসেব করে দেখেছি, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা লোকসান হবে। অন্য দেশের চেয়ে দ্বিগুণ দামে আমাদেরকে কয়লা কিনতে হচ্ছে। চুক্তির ফলে বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম দাঁড়াবে প্রায় ১৬ টাকার মতো, যেটা এখন ৮ টাকার মতো দিতে হচ্ছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় সম্মেলন। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসীনা রুশদী লুনা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ড. এনামুল হক, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সদস্যসচিব মিফতাহ সিদ্দিকী প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরকার দেশের সমাজব্যবস্থাকে বিভক্ত করেছে: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০২৩

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সমাজব্যবস্থাকে বিভক্ত করেছে এবং দূষিত সমাজে পরিণত করেছে।

শুক্রবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে সিলেটের ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে মহানগর বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হয়ে গেছে। তাই তাদের অধীন কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। গুটিকয়েক মানুষের স্বার্থে সরকার উন্নয়নের নামে দেশের টাকা নষ্ট করছে।

বিদ্যুৎ বিভাগকে চুরির হাতিয়ার হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দুই মাসে তিনবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। মানুষ দ্রব্যমূল্যে দিশাহারা। ১০ টাকায় চাল খাওয়ানের কথা বলে এখন ৭০ টাকায় মোটা চাল খাওয়াচ্ছে। ডিম, পোল্ট্রি মোরগের দাম নাগালের বাইরে। ভাত খেতে না পারলে উন্নয়ন ধুয়ে খাবে না কি মানুষ।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সংবিধানকে বার বার কাঁটা-ছেড়া করে এটিকে অকার্যকর করে দিয়েছে। সংবিধানের মৌলিক বিষয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে সরিয়ে দিয়ে বাকশাল করেছিল। সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে হরণ করেছিল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে, বেআিইনিভাবে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আজকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এর পূর্বে তাঁকে কারান্তরীণ করে রাখা হয়েছিল চার বছর।’

তিনি বলেন, এই সম্মেলন এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন সারা বাংলাদেশে ভয়াবহ রকমের নির্যাতন-নিপীড়নের সময় চলছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের আন্দোলন শুরু হয়েছে। আন্দোলনে আমাদের ১৭ জন নেতাকর্মী রাজপথে প্রাণ দিয়েছেন। শত শত নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। হাজারো নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপরও তারা কী পেরেছে আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে? পারেনি। আজকে আরও দুর্বার গতিতে মানুষ জেগে উঠেছে এবং জেগে উঠেছে একটি মাত্র লক্ষ্যে, যেভাবেই হোক এই দানবীয় সরকার, যারা আমাদের সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে, তাদেরকে পরাজিত করতে হবে। তাদেরকে বিতাড়িত করতে হবে, পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সরকার অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। এমনভাবে ধ্বংস করেছে, যেটাকে টেনে তোলা অত্যন্ত কঠিন। আজকে শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থে, দুর্নীতির স্বার্থে, চুরি করার স্বার্থে তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দিয়েছে। তারা অনেক বড় বড় কথা বলে, তারা নাকি অনেক উন্নয়ন করেছে। এই উন্নয়নটা কার জন্যে? এই উন্নয়ন গুটিকতক মানুষের জন্য। তারা পাতাল রেল করছে, মেট্রোরেল করেছে, কতো টাকা খরচ হয়েছে? যা খরচ হওয়ার কথা তার চেয়ে তিনগুণ খরচ করেছে। পদ্মাসেতু করে খুব বাহবা নেয় তারা। সেই পদ্মাসেতু বানাতে ১০ হাজার কোটি টাকা ছিল বাজেট, তার প্রকল্প, যেটা আমাদের সময় করা হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকার মতো। সেটা আজকে ৩০ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। চট্টগ্রামে টানেল তৈরি করেছে, যে টানেলের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা আমরা জানি না। অথচ হাসপাতালে আমার রোগীরা ঠিকমতো বেড পায় না, ওষুধ পায় না, তারা ডাক্তার পায় না। হাসপাতালে ঢোকার মতো কোনো পরিবেশ থাকে না। আজকে স্বাস্থ্যসেবার জন্য বেশিরভাগ মানুষকে বাইরে চলে যেতে হচ্ছে, ভারতে যেতে হচ্ছে, দেশে কোনো চিকিৎসা পাওয়া যায় না।

বিএনপির এই নেতা বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। আজকে প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় আওয়ামী সন্ত্রাসী, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আপনারা দেখুন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কত খারাপ হয়েছে। প্রকাশ্যে দিনের বেলায় চড়-থাপ্পড় মেরে ১১ কোটি টাকা নিয়ে যায়! পরে আবার ওরাই খোঁজে পায়, তার মধ্যে আবার দুই কোটি টাকা পাওয়া যায় না! আইনশৃঙ্খলা এমন খারাপ হয়েছে, আজকে আমাদের মা-বোনদের নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা নাই। তারা নিরাপদ বোধ করেন না এই দেশে। আজকে কোথাও কোনো আইনের শাসন নেই।’

তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে তারা সম্পূর্ণ নিজেদের করায়ত্ত করে নিয়েছে। এইভাবে তারা আজকে দেশ পরিচালনা করছে শুধুমাত্র শক্তি দিয়ে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অন্যায়ভাবে। তারা বিদ্যুৎ সেক্টরকে বেছে নিয়েছে তাদের টাকা আয় করার জন্য, চুরি করার জন্য। আদানি, ভারতের বিশাল কোম্পানি, তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে। আমরা হিসেব করে দেখেছি, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা লোকসান হবে। অন্য দেশের চেয়ে দ্বিগুণ দামে আমাদেরকে কয়লা কিনতে হচ্ছে। চুক্তির ফলে বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম দাঁড়াবে প্রায় ১৬ টাকার মতো, যেটা এখন ৮ টাকার মতো দিতে হচ্ছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় সম্মেলন। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপির মহাসচিব। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাহসীনা রুশদী লুনা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ড. এনামুল হক, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী, সদস্যসচিব মিফতাহ সিদ্দিকী প্রমুখ।