ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস শনিবার আরো ৬ জিম্মিকে মুক্তি দিচ্ছে। শুক্রবার হামাস ওই জিম্মিদের তালিকা ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে পাঠিয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দফায় ৪ জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয়ার পর শনিবার ৬ জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দিচ্ছে হামাস। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম পর্যায়ে মুক্তির জন্য নির্ধারিত ছয় জীবিত জিম্মি হলো- ওমের শেম-তোভ, তাল শোহাম, এলিয়া কোহেন, আভেরা মেঙ্গিস্তু, হিশাম আল-সাইদ ও ওমের ওয়েঙ্কার্ট।
ছয়জনের মধ্যে রয়েছে আভেরা মেঙ্গিস্তু এবং হিশাম আল-সাইদ, যারা যথাক্রমে ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে গাজায় অনুপ্রবেশ করার পর থেকে হামাসের হাতে বন্দি।
বাকি চারজনকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল থেকে ধরে নিয়ে গেছে হামাস। তাদের মধ্যে রয়েছেন- নোভা সঙ্গীত উৎসব থেকে অপহৃত তাল শোহাম, ওমের শেম-টভ, ওমের ওয়েঙ্কার্ট এবং এলিয়া কোহেন।
এদিকে, শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দখলদার ইসরায়েলে কাছে হঠাৎ করে একটি মরদেহ পাঠিয়েছে হামাস। রেডক্রস গাজার খান ইউনিস থেকে হামাসের কাছ থেকে মরদেহটি নিয়ে সেটি ইসরায়েলি সেনাদের কাছে হস্তান্তর করে।
হামাস জানিয়েছে, এই মরদেহটি ইসরায়েলি জিম্মি সিরি বিবাসের। এর আগে দখলদার ইসরায়েলকে গত বৃহস্পতিবার চার জিম্মির মরদেহ ফেরত দেয় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসলামিক জিহাদ।
এরমধ্যে তিনজন ছিল মা-ছেলে ও এক বৃদ্ধ। মরদেহগুলো বুঝে পাওয়ার পর ইসরায়েল এগুলো একটি ফরেনসিক ইনস্টিটিউটে নিয়ে পরীক্ষা করে।
সেখান থেকে জানা যায়, তিন মৃত জিম্মি ইসরায়েলিদের হলেও, এক নারীর মরদেহ ইসরায়েলির নয়। ইসরায়েল জানিয়েছে, সিরি বিবাস নামের ওই নারীর মরদেহ না পাঠিয়ে হামাস গাজার এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ পাঠিয়ে দিয়েছে। খবর চাইমস অব ইসরায়েলের।
আর এই ‘অজ্ঞাত’ মরদেহ নিয়ে হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। শঙ্কা তৈরি হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যেই শুক্রবার রাতে হঠাৎ আরেক নারী জিম্মির মরদেহ পাঠিয়েছে হামাস।