ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাবি শিক্ষক হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক//
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩ ৮২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২১ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে বুকে ব্যথা উঠলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এফ এম শামীম আহম্মেদ জানান, অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে প্রিজন সেলে নেয়া হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীর কারাগারের জেলার মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, সকালে প্রেসার বেড়ে গেলে তাকে দ্রুত কারা হাসপাতাল থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হন অধ্যাপক তাহের। এ ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি নিহত অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, তার ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের আত্মীয় আব্দুস সালামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাবি শিক্ষক হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাসপাতালে

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২১ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে বুকে ব্যথা উঠলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এফ এম শামীম আহম্মেদ জানান, অধ্যাপক মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে প্রিজন সেলে নেয়া হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীর কারাগারের জেলার মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, সকালে প্রেসার বেড়ে গেলে তাকে দ্রুত কারা হাসপাতাল থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদোন্নতি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হন অধ্যাপক তাহের। এ ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি নিহত অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, তার ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের আত্মীয় আব্দুস সালামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।