ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রাজশাহীর আন্ত:জেলা বাসটার্মিনালে দশ শয্যার হাসপাতাল চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৭২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর নওদাপাড়া আন্ত:জেলা বাসটার্মিনাল সংলগ্ন কার্যালয়ের সাথে দশ শয্যার হাসপাতাল চালু করা হয়েছে রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে। যান বাহনের সাথে জড়িত শ্রামিকদের সেবা দেয়ার পাশা পাশি এ টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন স্থানে যাওয়া ও আসা রোগিরা হঠাৎ অসুস্থ বোধকরলে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবাপাবেন এ হাসপাতালে। একজন সার্জন দুইজন ডাক্তার ও ৬ জননার্স সার্বক্ষনিক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত থাকবেন বলে জানা যায়।

 

এখানে এক্সরে মেশিন,ইসিজি,আল্টাস্নোগ্রাফি,ছোট অপারেশন সুবিধামিলবে বলে হাসপাতালের হাপতালে রডা: মাশফিকুর রানা জানান। হাসপাতাল চালু উপলক্ষে রবিবার সকালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর নিযামউল আযীম, রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটো, রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো: আবুল কালাম,মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলী। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন রাসিকের কাউন্সিলর ও রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরীবলেন, ২০ অক্টোবর ২০১৪ সালেরাসিক মেয়রএএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধননকরেন। তবে কয়েক টিকারনে এটি চালু করতে সময় লেগেছে। মাঝে প্রায় তিন বছর করোনা রকারনে আরো পিছিয়ে যায় হাসপাতাল চালুক রতে। অবশেষে রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এটিচালু করতে পেরে আমাদের খুবই ভালো লাগছে। এখন থেকে শ্রমিকদের স্ত্রী কন্যাকে ডেলিভারির আগে আলট্রাস্নোগ্রাফির জন্য হাজারটাকাদিয়ে কোন ডাক্তারের সিরিয়াল কিংবা ডায়াগনেস্টিকে যেতে হবেনা । এখানে বিনামূল্যে এ সেবা দেয়া হবে।

এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকরা মেডিকেলের অপারেশন পরবর্তী সেবা এখান থেকে নিতে পারবেন বিনা মূল্যে । এতে তাদের কিছু টাকা বাঁচবে। কারো কাছে হাতপাতার দরকার হবেনা। অনুষ্ঠানে প্রায়পাঁচ শতাধিক শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীর আন্ত:জেলা বাসটার্মিনালে দশ শয্যার হাসপাতাল চালু

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

রাজশাহীর নওদাপাড়া আন্ত:জেলা বাসটার্মিনাল সংলগ্ন কার্যালয়ের সাথে দশ শয্যার হাসপাতাল চালু করা হয়েছে রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে। যান বাহনের সাথে জড়িত শ্রামিকদের সেবা দেয়ার পাশা পাশি এ টার্মিনাল থেকে বিভিন্ন স্থানে যাওয়া ও আসা রোগিরা হঠাৎ অসুস্থ বোধকরলে বিনামূল্য চিকিৎসা সেবাপাবেন এ হাসপাতালে। একজন সার্জন দুইজন ডাক্তার ও ৬ জননার্স সার্বক্ষনিক চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত থাকবেন বলে জানা যায়।

 

এখানে এক্সরে মেশিন,ইসিজি,আল্টাস্নোগ্রাফি,ছোট অপারেশন সুবিধামিলবে বলে হাসপাতালের হাপতালে রডা: মাশফিকুর রানা জানান। হাসপাতাল চালু উপলক্ষে রবিবার সকালে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাউন্সিলর নিযামউল আযীম, রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটো, রাজশাহী জেলা ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি মো: আবুল কালাম,মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলী। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন রাসিকের কাউন্সিলর ও রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরীবলেন, ২০ অক্টোবর ২০১৪ সালেরাসিক মেয়রএএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধননকরেন। তবে কয়েক টিকারনে এটি চালু করতে সময় লেগেছে। মাঝে প্রায় তিন বছর করোনা রকারনে আরো পিছিয়ে যায় হাসপাতাল চালুক রতে। অবশেষে রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এটিচালু করতে পেরে আমাদের খুবই ভালো লাগছে। এখন থেকে শ্রমিকদের স্ত্রী কন্যাকে ডেলিভারির আগে আলট্রাস্নোগ্রাফির জন্য হাজারটাকাদিয়ে কোন ডাক্তারের সিরিয়াল কিংবা ডায়াগনেস্টিকে যেতে হবেনা । এখানে বিনামূল্যে এ সেবা দেয়া হবে।

এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকরা মেডিকেলের অপারেশন পরবর্তী সেবা এখান থেকে নিতে পারবেন বিনা মূল্যে । এতে তাদের কিছু টাকা বাঁচবে। কারো কাছে হাতপাতার দরকার হবেনা। অনুষ্ঠানে প্রায়পাঁচ শতাধিক শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।