ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

সোহরাব হোসেন সৌরভ, রাজশাহী ||
  • আপডেট সময় : ০১:৫২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৮২ বার পড়া হয়েছে

বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে রাজশাহী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজশাহী পিটিআই এর সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষকগণ। এরপর তারা র‌্যালি করে রাজশাহী জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৪৮,৭২০ জন জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লেখিত টাইম স্কেল ফেরত প্রদানের জন্য ১২ আগষ্ট ২০২০ এর নির্দেশ পত্র বাতিল ও প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের রায় বাস্তবায়ন এবং পদোন্নতিসহ তিন দফা দাবী আদায়ের লক্ষে এই কর্মসূচী পালন করেন তারা।

এ সময়ে বক্তারা বলেন, একই রকম চাকরী ও একই রকম পরিশ্রম করে একজন সকল সুবিধা ভোগ করবে আর অন্যরা চেয়ে চেয়ে দেখবে এটা হতে দেয়া হবেনা। তারাও সরকারী শিক্ষক আমরাও সরকারী শিক্ষক। তাহলে এত বৈষম্য কেন। সকল প্রকার বেষম্য দূর করে তাদের সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করার আহ্বান জানান তারা।

কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন প্রাথামিক শিক্ষক সমিতি রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি লিয়াকত কাদির। উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান, পুঠিয়া উপজেলা সভাপতি শফিউল ইসলাম, তানোর উপজেলা সভাপতি আতাউর রহমান, বাঘা উপজেলা সভাপতি গোলাম মোস্তফা, পবা উপজেলা সভাপতি মশিউর রহমান, গোদাগাড়ী উপজেলা সভাপতি সভাপতি সাবিয়ার রহমান, দূর্গাপূর উপজেলা উপজেলা সভাপতি দলিল উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন শমসের আলী, রুহুল আমীন, মুক্তার হোসেন, জালাল উদ্দিন ও নজরুল ইসলামসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

তারা বলেন, “শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড আর প্রাথমিক শিক্ষা এর মূল ভিত্তি” এই মহান বাণীর গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের দূর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে ১৯৭৩ সালে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষে ৩৬,১৬৫টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করাণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬,১৯৩ টি বেসরকারী প্রাথমিক বিধ্যালয় এবং কর্মরত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করেন। শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষকদের দুই ধাপ বেতন বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতন বৃদ্ধির ঘোষনা দেন। কিন্তু টাইম স্কেল বাতিলের ঘোষনা দু:খ জনক। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ এটা বাতিল করার জোর দাবী জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় : ০১:৫২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

বিভিন্ন দাবী দাওয়া নিয়ে রাজশাহী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির আয়োজনে রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে রাজশাহী পিটিআই এর সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষকগণ। এরপর তারা র‌্যালি করে রাজশাহী জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৪৮,৭২০ জন জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লেখিত টাইম স্কেল ফেরত প্রদানের জন্য ১২ আগষ্ট ২০২০ এর নির্দেশ পত্র বাতিল ও প্রশাসনিক ট্রাইবুনালের রায় বাস্তবায়ন এবং পদোন্নতিসহ তিন দফা দাবী আদায়ের লক্ষে এই কর্মসূচী পালন করেন তারা।

এ সময়ে বক্তারা বলেন, একই রকম চাকরী ও একই রকম পরিশ্রম করে একজন সকল সুবিধা ভোগ করবে আর অন্যরা চেয়ে চেয়ে দেখবে এটা হতে দেয়া হবেনা। তারাও সরকারী শিক্ষক আমরাও সরকারী শিক্ষক। তাহলে এত বৈষম্য কেন। সকল প্রকার বেষম্য দূর করে তাদের সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করার আহ্বান জানান তারা।

কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন প্রাথামিক শিক্ষক সমিতি রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি লিয়াকত কাদির। উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান, পুঠিয়া উপজেলা সভাপতি শফিউল ইসলাম, তানোর উপজেলা সভাপতি আতাউর রহমান, বাঘা উপজেলা সভাপতি গোলাম মোস্তফা, পবা উপজেলা সভাপতি মশিউর রহমান, গোদাগাড়ী উপজেলা সভাপতি সভাপতি সাবিয়ার রহমান, দূর্গাপূর উপজেলা উপজেলা সভাপতি দলিল উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন শমসের আলী, রুহুল আমীন, মুক্তার হোসেন, জালাল উদ্দিন ও নজরুল ইসলামসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

তারা বলেন, “শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড আর প্রাথমিক শিক্ষা এর মূল ভিত্তি” এই মহান বাণীর গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের দূর্বল অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে ১৯৭৩ সালে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষে ৩৬,১৬৫টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করাণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬,১৯৩ টি বেসরকারী প্রাথমিক বিধ্যালয় এবং কর্মরত শিক্ষকদের জাতীয়করণ করেন। শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালে প্রধান শিক্ষকদের দুই ধাপ বেতন বৃদ্ধিসহ দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের এক ধাপ বেতন বৃদ্ধির ঘোষনা দেন। কিন্তু টাইম স্কেল বাতিলের ঘোষনা দু:খ জনক। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ এটা বাতিল করার জোর দাবী জানান।