ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে পুকুর খননের মাটি ট্রাক্ট দারা বিক্রিতে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নষ্ট হচ্ছে পাকা রাস্তা

নাজিম হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী অবৈধভাবে ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধ থাকার কথা রয়েছে। কিন্তু রাজশাহীতে বিভিন্ন প্রশাসন ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে ক্ষমতাসিন দলের নেতাকর্মীরা রাতের আধাঁরে অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করে মাহিন্দ্রা ট্রাক্ট দারা মাটি বিক্রি করে পাকা রাস্তা নষ্ঠ করছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা। দিন দিন এসব অবৈধ পুকুর খননকারিদের দৌরাত্ন্যবৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছে ফসলি জমির মালিকেরা। পুকুর খননের জন্য যেমন কৃষি জমির উপর প্রভাব পড়েছে, তেমনি কৃষি জমি থেকে ইট ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি বিক্রি করায় পুনরায় প্রভাব পড়ছে পাকা রাস্তার উপরই। ফলে অবৈধ কাকড়ায় মাটি পরিবহন করায় রাস্তা ঘাটের বেহাল দশা দেখা দিয়েছে। পবিহনের সময় এসব কাকড়া থেকে মাটি রাস্তায় পড়ে এবং বৃষ্টিতে সেই মাটিতে কাঁদাময় হয়েপোকা রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা রাস্তা হচ্ছে নষ্ট। গতকাল রবিবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর ৯টি উপজেলার বাগমারাসহ প্রায় সবকটি উপজেলাতেই অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি বিক্রির ব্যবসা চলছে। রাজনৈতিক নাম অথবা পদধারি বা ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননে যেমন মেতে উঠেছে তারাই এখন কৃষি জমির মাটি বিক্রি মহোৎসবে মেতে উঠেছে। এখন তারা কৌশলে কৃষি জমির মাটি বিক্রি ব্যবসায় নেমে পড়েছে। কৃষকদের সামান্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে জমি থেকে মাটি তুলে বিক্রি করা হচ্ছে পাশর্^বর্তি ইট ভাটায়। এতে এক দিকে যেমন মাটির উর্বরতা হৃস পাচ্ছে, তেমনি এই মাটি বহনের জন্য সরকারের রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে কেউ কোন নিয়মিত মামলা না করায় অবৈধ পুকুর খননকারিদের আইনের ফাঁকফোঁকড় দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুঠিয়া উপজেলা ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে পুকুর খননের সবচেয়ে পছন্দের তালিকায় রয়েছে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন। এযাবত যতগুলো পুকুর খনন করা হয়েছে তার বেশির ভাগই খনন হয়েছে এই ইউনিয়নে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় পুঠিয়া উপজেলায় ফসলি জমির অভাব দেখা দিবে বলে সচেতন মহলেরা জানিয়েছেন। বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলা শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের নান্দিপাড়া বিলে ফসলি জমিতে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মানবনন্ধন করেছে উক্ত গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা। তবুও একশ্রণেীর অসাধু মাটি খেকো অবধৈ পুকুর খননকারীরা রাতরে আঁধারে পুকুর খনন করইে চলছে। এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর হোসেন নির্ঝর জানান, আইন প্রয়োগ করে পুকুর খনন বন্ধ করা যাচ্ছেনা। এর জন্য দরকার জনসচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্ঠা। সবাই সচেতন হলেই পুকুর খনন বন্ধ করা সম্ভব বলে এ কর্মকর্তা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে পুকুর খননের মাটি ট্রাক্ট দারা বিক্রিতে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নষ্ট হচ্ছে পাকা রাস্তা

আপডেট সময় : ১১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী অবৈধভাবে ফসলি জমিতে পুকুর খনন বন্ধ থাকার কথা রয়েছে। কিন্তু রাজশাহীতে বিভিন্ন প্রশাসন ও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে ক্ষমতাসিন দলের নেতাকর্মীরা রাতের আধাঁরে অবৈধ ভাবে পুকুর খনন করে মাহিন্দ্রা ট্রাক্ট দারা মাটি বিক্রি করে পাকা রাস্তা নষ্ঠ করছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা। দিন দিন এসব অবৈধ পুকুর খননকারিদের দৌরাত্ন্যবৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছে ফসলি জমির মালিকেরা। পুকুর খননের জন্য যেমন কৃষি জমির উপর প্রভাব পড়েছে, তেমনি কৃষি জমি থেকে ইট ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি বিক্রি করায় পুনরায় প্রভাব পড়ছে পাকা রাস্তার উপরই। ফলে অবৈধ কাকড়ায় মাটি পরিবহন করায় রাস্তা ঘাটের বেহাল দশা দেখা দিয়েছে। পবিহনের সময় এসব কাকড়া থেকে মাটি রাস্তায় পড়ে এবং বৃষ্টিতে সেই মাটিতে কাঁদাময় হয়েপোকা রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা রাস্তা হচ্ছে নষ্ট। গতকাল রবিবার খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহীর ৯টি উপজেলার বাগমারাসহ প্রায় সবকটি উপজেলাতেই অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি বিক্রির ব্যবসা চলছে। রাজনৈতিক নাম অথবা পদধারি বা ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা কৃষি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননে যেমন মেতে উঠেছে তারাই এখন কৃষি জমির মাটি বিক্রি মহোৎসবে মেতে উঠেছে। এখন তারা কৌশলে কৃষি জমির মাটি বিক্রি ব্যবসায় নেমে পড়েছে। কৃষকদের সামান্য কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে জমি থেকে মাটি তুলে বিক্রি করা হচ্ছে পাশর্^বর্তি ইট ভাটায়। এতে এক দিকে যেমন মাটির উর্বরতা হৃস পাচ্ছে, তেমনি এই মাটি বহনের জন্য সরকারের রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে কেউ কোন নিয়মিত মামলা না করায় অবৈধ পুকুর খননকারিদের আইনের ফাঁকফোঁকড় দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুঠিয়া উপজেলা ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে পুকুর খননের সবচেয়ে পছন্দের তালিকায় রয়েছে শিলমাড়িয়া ইউনিয়ন। এযাবত যতগুলো পুকুর খনন করা হয়েছে তার বেশির ভাগই খনন হয়েছে এই ইউনিয়নে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় পুঠিয়া উপজেলায় ফসলি জমির অভাব দেখা দিবে বলে সচেতন মহলেরা জানিয়েছেন। বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলা শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের নান্দিপাড়া বিলে ফসলি জমিতে পুকুর খননের বিরুদ্ধে মানবনন্ধন করেছে উক্ত গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা। তবুও একশ্রণেীর অসাধু মাটি খেকো অবধৈ পুকুর খননকারীরা রাতরে আঁধারে পুকুর খনন করইে চলছে। এবিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর হোসেন নির্ঝর জানান, আইন প্রয়োগ করে পুকুর খনন বন্ধ করা যাচ্ছেনা। এর জন্য দরকার জনসচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্ঠা। সবাই সচেতন হলেই পুকুর খনন বন্ধ করা সম্ভব বলে এ কর্মকর্তা জানান।