ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী ৩৪তম বার্ষিক তাবলীগী ইজতেমা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক//
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩২ বার পড়া হয়েছে

আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী ৩৪তম বার্ষিক তাবলীগী ইজতেমা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহীর বায়ার এয়ারপোর্ট থানার নিকটবর্তী ময়দানে আয়োজিত ইজতেমার শেষ দিন শুক্রবার ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সাথে জুম্মার নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। জুম্মার নামাজ শেষে তাবলীগী ইজতেমায় বক্তব্য দেন অতিথিবৃন্দ।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় মানুষের চিন্তা করেন, মানুষের কল্যানে কাজ করেন। তিনি টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় আছেন। আমাদের সৌভাগ্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবারো ৫ বছরের জন্য তাঁকে পেয়েছি। বাংলাদেশকে নিয়ে আমাদের যে স্বপ্ন আছে, আগামীতে সেই স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে আমরা এগিয়ে যাব।

রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। নানা চক্রান্ত ভেদ করে আমরা আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আগামী ৫ বছরে আমরা যে জায়গায় পৌছে যাব, ইনশাল্লাহ আমাদের আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। এমন একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ছেন প্রধানমন্ত্রী।

রাসিক মেয়র আরো বলেন, তাবলীগী ইজতেমার জন্য একটা নিজস্ব জায়গা দরকার। আপনাদের স্থায়ী ঠিকানা তৈরির জন্য আমার সামর্থ অনুযায়ী আমি আপনাদের পাশে থাকবো।

এ সময় আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মাওলানা নূরুল ইসলাম, আহলেহাদীছ যুবসংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ৩৪তম তাবলীগী ইজতেমার ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল লতীফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুইদিনের আয়োজিত তাবলীগী ইজতেমায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা অংশ নেন। ইজতেমায় আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও খ্যাতনামা ওয়ামায়ে কেমারগণ বক্তৃতা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী ৩৪তম বার্ষিক তাবলীগী ইজতেমা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১১:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী ৩৪তম বার্ষিক তাবলীগী ইজতেমা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহীর বায়ার এয়ারপোর্ট থানার নিকটবর্তী ময়দানে আয়োজিত ইজতেমার শেষ দিন শুক্রবার ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের সাথে জুম্মার নামাজ আদায় করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। জুম্মার নামাজ শেষে তাবলীগী ইজতেমায় বক্তব্য দেন অতিথিবৃন্দ।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় মানুষের চিন্তা করেন, মানুষের কল্যানে কাজ করেন। তিনি টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় আছেন। আমাদের সৌভাগ্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবারো ৫ বছরের জন্য তাঁকে পেয়েছি। বাংলাদেশকে নিয়ে আমাদের যে স্বপ্ন আছে, আগামীতে সেই স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে আমরা এগিয়ে যাব।

রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। নানা চক্রান্ত ভেদ করে আমরা আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আগামী ৫ বছরে আমরা যে জায়গায় পৌছে যাব, ইনশাল্লাহ আমাদের আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। এমন একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ছেন প্রধানমন্ত্রী।

রাসিক মেয়র আরো বলেন, তাবলীগী ইজতেমার জন্য একটা নিজস্ব জায়গা দরকার। আপনাদের স্থায়ী ঠিকানা তৈরির জন্য আমার সামর্থ অনুযায়ী আমি আপনাদের পাশে থাকবো।

এ সময় আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মাওলানা নূরুল ইসলাম, আহলেহাদীছ যুবসংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, ৩৪তম তাবলীগী ইজতেমার ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল লতীফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুইদিনের আয়োজিত তাবলীগী ইজতেমায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা অংশ নেন। ইজতেমায় আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও খ্যাতনামা ওয়ামায়ে কেমারগণ বক্তৃতা করেন।