ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রওশন এরশাদের হস্তক্ষেপে পাল্টে যাচ্ছে ময়মনসিংহ সদরের চিত্র

আরিফ রববানী, ময়মনসিংহঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান জেলা সদরের সদর উপজেলাটিকে এক সময় অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত হিসাবে দেখা হতো।

কিন্তু এখন এই উপজেলাটি গত ৯ বছরে সরকারের ও ময়মনসিংহ সদর আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে একান্ত প্রচেষ্টায় অগ্রণী ভ‚মিকায় তাঁর হাতের ছৌঁয়ায় অব্যাহত উন্নয়নের ধারায় পাল্টে যাচ্ছে এই উপজেলার চিত্র।

স্বাধীনতার পরবর্তিতে এই উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া পাওয়ার মৌলিক চাহিদাগুলি এখন মানুষের সেবার দোড়গোড়ায় পৌঁছে গেছে। এর সুফল উপজেলাবাসী ভোগ করছে।

শহরের আধুনিকতার সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে গ্রাম। শহরের সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে গ্রামেও। বদলে গেছে গ্রামীণ জীবন। গ্রামের রাস্তাঘাট উন্নয়ন হলে শহরের সব সুবিধা পাওয়া যায় গ্রামে। গ্রামে মাটির ঘর আর চোখে পড়ে না। এমনকি কাঠের টিনের ঘরও হারিয়ে যেতে বসেছে। অধিকাংশ গ্রামেই দেখা মেলে পাকা বা আধাপাকা বাড়ি। সরকারের স্থায়িত্বে উন্নয়নের সুফল প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে আর ক্রমশ বদলে যাচ্ছে সবকিছু। ভূমিহীন-গৃহহীনরা সরকারের দেওয়া বিনা পয়সায় ঘর পাচ্ছে। সরকার গৃহীত নানা প্রকল্পের কারণেই গ্রামীণ অর্থনীতিতে পরিবর্তন এসেছে। ফলে বর্তমানে সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। উপজেলার মুক্তিযুদ্ধা বাজার হতে জগির আলগী সড়ক উন্নয়ন ১কিলোমিটার,কাউনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে কাউনিয়া রশিদ হাউজ ১কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন,অম্বিকাগঞ্জ বাজার হতে মালিডাঙ্গা সড়ক উন্নয়ন ১কিলোমিটারসহ আরো কয়েকটি সড়ক, বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজবাস্তবায়নের জন্য ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন ও মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম । উপজেলার মধ্যে সড়কগুলো নতুনরূপে দেখা যাবে কয়েকদিন পরেই। এতে উপজেলার চিত্র পাল্টে যাবে। শহরের তুলনায় গ্রামের উন্নয়ন হয় না বললেই চলে।

গ্রামের ভুক্তভোগী অনেকেই জানান-আমরা যারা পিছিয়ে পড়া মানুষ গ্রামে বাস করি, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ গ্রামীণ উন্নয়নে যতটুকু কাজ হয় তা জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি করে থাকে। বিরোধী দলীয় নেতার প্রশংসা না করে পারা যায় না’ এমন মন্তব্য করেন উপজেলার একাধিক ব্যক্তি। শুধু তাদের কথা নয়, গ্রামে বাস করা অনেক মানুষের একই কথা। তার মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন এর অবদানের কারণে এ সরকারের সময়ে সদরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলেও অনেকেই মনে করেন। গ্রামাঞ্চলের অনেক রাস্তাঘাটের পরিবর্তন হয়েছে। ময়মনসিংহকে বিভাগ বাস্তবায়ন,ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবিকা ও উন্নত জীবন ব্যবস্থা তথা মানবসম্পদ উন্নয়নসহ গ্রামীণ অবকাঠামোর আমুল পরিবর্তনে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি জনতার প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার বিশ্বস্ত আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন, বেগম রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন তথা রাস্তাঘাটের জন্য মানুষের নানা ধরনের কাজ বেড়েছে। এতে আয়ও বেড়েছে। নানা ধরনের আয়বর্ধক কাজে জড়িত হয়ে সবাই এখন অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল।

এলাকা সূত্রে গেছে, রাস্তা ভালো হওয়ায় এলাকার ছেলেমেয়ে সহজে স্কুলে যেতে পারে। যারা অন্যের জমিতে কাজ করতেন তাদের অনেকেই ছোটখাটো ব্যবসা বা বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ করছেন। কেউ কেউ অটোরিকশা বা ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালিয়েও জীবিকা নির্বাহ করছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা জানায়- গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে টেকসই গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত এসব সড়ক সারা বছরের জন্য চলাচলের উপযোগী করে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন শাখা। নদ-নদী ও খালের ওপর ব্রিজ/কালভার্ট নির্মাণ করে সদর উপজেলা এলজিইডি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

উপজেলা এলজিইডি জানান, চলতি অর্থবছরে সদর উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে। আরো কিছু নতুন কাজ পক্রিয়ার পথে। এগুলোর বাস্তবায়ন হলে উপজেলা কিংবা গ্রামের চেহারা পাল্টে যাবে। তিনি জানান, এ সরকারের সময়ে সদর এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো, নগর ও ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। টেকসই ও সময়োপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রামীণ জনপদে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবিকা এবং উন্নত জীবনব্যবস্থা তথা মানবসম্পদ উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হয়। পল্লী সড়ক উন্নয়ন বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্প। পুরুষদের পাশাপাশি স্বাবলম্বী এখন গ্রামের নারীরাও। স্বল্পসুদে বা বিনাসুদে ঋণ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি নানা ধরনের আয়বর্ধক কাজে জড়িত হচ্ছেন নারীরা। এতে সংসারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যেমন হচ্ছে তেমনিভাবে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রওশন এরশাদের হস্তক্ষেপে পাল্টে যাচ্ছে ময়মনসিংহ সদরের চিত্র

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

ময়মনসিংহ বিভাগের প্রধান জেলা সদরের সদর উপজেলাটিকে এক সময় অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত হিসাবে দেখা হতো।

কিন্তু এখন এই উপজেলাটি গত ৯ বছরে সরকারের ও ময়মনসিংহ সদর আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে একান্ত প্রচেষ্টায় অগ্রণী ভ‚মিকায় তাঁর হাতের ছৌঁয়ায় অব্যাহত উন্নয়নের ধারায় পাল্টে যাচ্ছে এই উপজেলার চিত্র।

স্বাধীনতার পরবর্তিতে এই উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া পাওয়ার মৌলিক চাহিদাগুলি এখন মানুষের সেবার দোড়গোড়ায় পৌঁছে গেছে। এর সুফল উপজেলাবাসী ভোগ করছে।

শহরের আধুনিকতার সঙ্গে তাল মেলাচ্ছে গ্রাম। শহরের সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে গ্রামেও। বদলে গেছে গ্রামীণ জীবন। গ্রামের রাস্তাঘাট উন্নয়ন হলে শহরের সব সুবিধা পাওয়া যায় গ্রামে। গ্রামে মাটির ঘর আর চোখে পড়ে না। এমনকি কাঠের টিনের ঘরও হারিয়ে যেতে বসেছে। অধিকাংশ গ্রামেই দেখা মেলে পাকা বা আধাপাকা বাড়ি। সরকারের স্থায়িত্বে উন্নয়নের সুফল প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে আর ক্রমশ বদলে যাচ্ছে সবকিছু। ভূমিহীন-গৃহহীনরা সরকারের দেওয়া বিনা পয়সায় ঘর পাচ্ছে। সরকার গৃহীত নানা প্রকল্পের কারণেই গ্রামীণ অর্থনীতিতে পরিবর্তন এসেছে। ফলে বর্তমানে সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়কের উন্নয়ন কাজ চলছে। উপজেলার মুক্তিযুদ্ধা বাজার হতে জগির আলগী সড়ক উন্নয়ন ১কিলোমিটার,কাউনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে কাউনিয়া রশিদ হাউজ ১কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন,অম্বিকাগঞ্জ বাজার হতে মালিডাঙ্গা সড়ক উন্নয়ন ১কিলোমিটারসহ আরো কয়েকটি সড়ক, বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজবাস্তবায়নের জন্য ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন ও মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম । উপজেলার মধ্যে সড়কগুলো নতুনরূপে দেখা যাবে কয়েকদিন পরেই। এতে উপজেলার চিত্র পাল্টে যাবে। শহরের তুলনায় গ্রামের উন্নয়ন হয় না বললেই চলে।

গ্রামের ভুক্তভোগী অনেকেই জানান-আমরা যারা পিছিয়ে পড়া মানুষ গ্রামে বাস করি, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ গ্রামীণ উন্নয়নে যতটুকু কাজ হয় তা জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি করে থাকে। বিরোধী দলীয় নেতার প্রশংসা না করে পারা যায় না’ এমন মন্তব্য করেন উপজেলার একাধিক ব্যক্তি। শুধু তাদের কথা নয়, গ্রামে বাস করা অনেক মানুষের একই কথা। তার মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসাইন এর অবদানের কারণে এ সরকারের সময়ে সদরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলেও অনেকেই মনে করেন। গ্রামাঞ্চলের অনেক রাস্তাঘাটের পরিবর্তন হয়েছে। ময়মনসিংহকে বিভাগ বাস্তবায়ন,ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবিকা ও উন্নত জীবন ব্যবস্থা তথা মানবসম্পদ উন্নয়নসহ গ্রামীণ অবকাঠামোর আমুল পরিবর্তনে একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি জনতার প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার বিশ্বস্ত আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন, বেগম রওশন এরশাদ এমপির নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়ন তথা রাস্তাঘাটের জন্য মানুষের নানা ধরনের কাজ বেড়েছে। এতে আয়ও বেড়েছে। নানা ধরনের আয়বর্ধক কাজে জড়িত হয়ে সবাই এখন অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল।

এলাকা সূত্রে গেছে, রাস্তা ভালো হওয়ায় এলাকার ছেলেমেয়ে সহজে স্কুলে যেতে পারে। যারা অন্যের জমিতে কাজ করতেন তাদের অনেকেই ছোটখাটো ব্যবসা বা বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ করছেন। কেউ কেউ অটোরিকশা বা ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালিয়েও জীবিকা নির্বাহ করছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা জানায়- গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে টেকসই গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত এসব সড়ক সারা বছরের জন্য চলাচলের উপযোগী করে রাখতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করে যাচ্ছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন শাখা। নদ-নদী ও খালের ওপর ব্রিজ/কালভার্ট নির্মাণ করে সদর উপজেলা এলজিইডি ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় জনজীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

উপজেলা এলজিইডি জানান, চলতি অর্থবছরে সদর উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে। আরো কিছু নতুন কাজ পক্রিয়ার পথে। এগুলোর বাস্তবায়ন হলে উপজেলা কিংবা গ্রামের চেহারা পাল্টে যাবে। তিনি জানান, এ সরকারের সময়ে সদর এলজিইডি গ্রামীণ অবকাঠামো, নগর ও ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। টেকসই ও সময়োপযোগী প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রামীণ জনপদে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জীবিকা এবং উন্নত জীবনব্যবস্থা তথা মানবসম্পদ উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হয়। পল্লী সড়ক উন্নয়ন বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্প। পুরুষদের পাশাপাশি স্বাবলম্বী এখন গ্রামের নারীরাও। স্বল্পসুদে বা বিনাসুদে ঋণ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি নানা ধরনের আয়বর্ধক কাজে জড়িত হচ্ছেন নারীরা। এতে সংসারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যেমন হচ্ছে তেমনিভাবে পাল্টে যাচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি।