ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মায়ের কোলে ফিরে আনন্দে আত্মহারা নাবিকরা

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪ ৫ বার পড়া হয়েছে

জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এমভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেলে নাবিকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র, কেএসআরএমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নাবিকদের স্বজনরা।

নাবিকদের বরণ করতে ফুল হাতে জেটিতে এসেছিলেন স্বজনরা। জিম্মি হওয়ার ৬৩ দিন পর নাবিকদের কাছে পেয়ে আনন্দেন বুকে জড়িয়ে নেন স্বজনরা, কেঁদে ফেলেন অনেকে।

বন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিজ নিজ পরিবারে ফিরে গেছেন নাবিকরা।

চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার আগে জাহাজ থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান নাবিকরা। তিনটি টাগবোটের সহায়তায় এমভি জাহান মণি জাহাজটি এনসিটি ১ জেটিতে ভিড়ানো হয় বিকেল চারটির দিকে।এরপর জেটির সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ সিঁড়ি যুক্ত করা হয়। সোয়া চারটার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে একে একে নামেন নাবিকরা।

সিঁড়িতেই হাত বাড়িয়ে কোলে তুলে নেন দুধের শিশুকে। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাদের অপেক্ষমাণ স্বজনরা। নাবিকদের চোখে ছিল পানি, মুখে হাসি। এ হাসি যুদ্ধজয়ের।

এদিন সকাল থেকেই স্বামীর অপেক্ষায় ছিলেন জান্নাতুল।‘এমভি আবদুল্লাহ’ নাবিক জিএস নুরুদ্দিনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস।বিকেলে বন্দর জেটিতে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জান্নাতুল বলেন, ‘আজ আমাদের আনন্দের দিন। ঈদের দিন। আজ অনেকদিন পর স্বামীর সঙ্গে দেখা হবে। তিনি দস্যুদের হাতে বন্দি থাকাকালীন আমরা অনেক উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলাম।’

নিজ দেশের মাটি স্পর্শ করে নাবিক আইনুল হক বলেন, ‘অবশেষে দেশে ফিরলাম। মনে হচ্ছে আমার নতুন জন্ম হয়েছে। জিম্মি হওয়ার শুরুর দিনে ভয়াবহ অবস্থায় ছিলাম। মনে হচ্ছিল, তারা আমাদের মেরে ফেলবে কি না। শুরুর দিকে আমরা ব্রিজে অবস্থান করতাম। সোমালিয়ান জলদস্যুরা সবসময় ভারী অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিতো।’

জাহাজ থেকে নেমেই আদরের দুই কন্যাকে বুকে জড়িয়ে আনন্দে অশ্রুপাত করেন এমভি আবদুল্লাহর প্রধান কর্মকর্তা আতিকুল্লাহ খান। তার মেজো মেয়ে ছোট্ট উনাইজা দূর থেকে বাবাকে দেখেই জাতীয় পতাকা নেড়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছিল। উনাইজা জানিয়েছে, বাবা ফেরায় সে আজ অনেক খুশি।

টার্মিনালের জেটি চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, কারও মুখে হাসি, কারও চোখে জল। দুই মাস আগেও যে কান্না ছিল কষ্টের, আজ সে কান্না ফিরে এসেছে আনন্দ অশ্রু হয়ে। আপনজনদের ফিরে পেয়ে নাবিকরা যেমন আবেগাপ্লুত হন, তাদের স্বজনরাও খুশিতে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এসময় নাবিকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এমন দৃশ্যে বন্দরজুড়ে নামে বাঁধভাঙা আনন্দ।

জাহাজের ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমদের মা জোছনা বেগম জানান, ‘আজ খুব আনন্দ লাগছে। যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। প্রতিটি মুহূর্ত যেন অনেক দেরি হচ্ছে। আজ ঈদের আনন্দ। যুদ্ধ জয়ের আনন্দ। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’

মা বলেন, ‘সোমালিয়ায় জলদস্যুর কবলে পড়েছিল তখন আতঙ্কে ছিলাম। কষ্টে ছিলাম। কখন কী খবর আসে। এখন ঈদের চেয়ে বেশি আনন্দ। অপেক্ষা করছি কখন ছেলের মা ডাক শুনব। প্রথম দিন যখন জলদস্যুর কবলে পড়ার খবরে দেখলাম যখন বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছিল। ঈদটা গেছে মৃত্যুপুরিতে।’

বন্দরে পৌঁছে জাহাজের ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, সোমালিয়ার দস্যুদের কবল থেকে আমরা ২৩ নাবিকই পৌঁছাতে পেরেছি। সরকার কৌশলগতভাবে সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমি বলেছিলাম- বিদেশি নৌ-বাহিনী যেন ভায়োলেন্স না করে, যাতে আমাদের নাবিকদের কারো প্রাণ না যায় বা জাহাজের কোনো ক্ষতি যেন না হয়। আমরা সবাই সুস্থ ও অক্ষতভাবে ফিরতে পেরেছি, পরিবারের কাছে ফিরতে পেরেছি। এ এমন অনুভূতি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ক্যাপ্টেন বলেন, প্রথম দিন যখন আমরা দস্যু দ্বারা আক্রান্ত হলাম, তখন সেকেন্ড অফিসার ব্রিজে ছিলেন। আমি নিচে নেমে অ্যালার্ট দিচ্ছিলাম। সবকিছু অতি দ্রুত ঘটছে। দস্যুরা স্পিডবোটে এসে জাহাজে উঠে ব্রিজে চলে আসে। আমি আর সেকেন্ড অফিসার আমাদের হিডেন রুমে যেতে পারিনি। সেকেন্ড অফিসার আটক হওয়ার পর আমি গিয়ে দেখি একে-৪৭ তাক করে আছে তার দিকে। আমি যেতেই আমার দিকেও একে-৪৭ তাক করে। আমি স্ট্রং ছিলাম।

তিনি বলেন, আমি হাত তুলে সারেন্ডার করে বললাম, আমরা বাংলাদেশি, আমরা মুসলিম। আমরা রোজা আছি। দস্যুরা সবাইকে ডাকতে বলে। সবাই চলে আসে সেখানে। এরপর আমরা সবাই সেখানেই ব্রিজের মধ্যে সারাদিন সারারাত ছিলাম।

ক্যাপ্টেন বলেন, মৃত্যুর হুমকি ছিল। নাবিকদের কেউ কেউ কান্নাকাটি করছিল। আমার মনে ভয় ছিল, কিন্তু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ স্বাভাবিক রেখেছি। সবাইকে হ্যান্ডেল করে, যেন আমাদের কোনো ক্রুর কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর রাখি। সেফটি অফ লাইফটাকে প্রাধান্য দিয়েছি।

এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজের মুক্ত ২৩ নাবিক
জাহাজের মাস্টার মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, চিফ অফিসার মো. আতিক উল্লাহ খান, সেকেন্ড অফিসার মোজাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, থার্ড অফিসার এন মোহাম্মদ তারেকুল ইসলাম, ডেক ক্যাডেট মো. সাব্বির হোসাইন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার এএসএম সাইদুজ্জামান, সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. তৌফিকুল ইসলাম, থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. রোকন উদ্দিন, ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমেদ, ইঞ্জিন ক্যাডেট আইয়ুব খান, ইলেকট্রিশিয়ান ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ, এবি পদের মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, মো. আসিফুর রহমান, মো. সাজ্জাদ হোসাইন, জয় মাহমুদ, ওএস পদের মো. নাজমুল হক, অয়েলার পদের আইনুল হক, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, মো. আলী হোসেন, ফায়ারম্যান মোশাররফ হোসেন শাকিল, চিফ কুক মো. শফিকুল ইসলাম, জিএস পদের মোহাম্মদ নুর উদ্দিন ও ফিটার মোহাম্মদ সালেহ আহমদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মায়ের কোলে ফিরে আনন্দে আত্মহারা নাবিকরা

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এমভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেলে নাবিকদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র, কেএসআরএমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নাবিকদের স্বজনরা।

নাবিকদের বরণ করতে ফুল হাতে জেটিতে এসেছিলেন স্বজনরা। জিম্মি হওয়ার ৬৩ দিন পর নাবিকদের কাছে পেয়ে আনন্দেন বুকে জড়িয়ে নেন স্বজনরা, কেঁদে ফেলেন অনেকে।

বন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিজ নিজ পরিবারে ফিরে গেছেন নাবিকরা।

চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার আগে জাহাজ থেকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান নাবিকরা। তিনটি টাগবোটের সহায়তায় এমভি জাহান মণি জাহাজটি এনসিটি ১ জেটিতে ভিড়ানো হয় বিকেল চারটির দিকে।এরপর জেটির সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ সিঁড়ি যুক্ত করা হয়। সোয়া চারটার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-১ জেটিতে একে একে নামেন নাবিকরা।

সিঁড়িতেই হাত বাড়িয়ে কোলে তুলে নেন দুধের শিশুকে। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাদের অপেক্ষমাণ স্বজনরা। নাবিকদের চোখে ছিল পানি, মুখে হাসি। এ হাসি যুদ্ধজয়ের।

এদিন সকাল থেকেই স্বামীর অপেক্ষায় ছিলেন জান্নাতুল।‘এমভি আবদুল্লাহ’ নাবিক জিএস নুরুদ্দিনের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস।বিকেলে বন্দর জেটিতে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জান্নাতুল বলেন, ‘আজ আমাদের আনন্দের দিন। ঈদের দিন। আজ অনেকদিন পর স্বামীর সঙ্গে দেখা হবে। তিনি দস্যুদের হাতে বন্দি থাকাকালীন আমরা অনেক উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলাম।’

নিজ দেশের মাটি স্পর্শ করে নাবিক আইনুল হক বলেন, ‘অবশেষে দেশে ফিরলাম। মনে হচ্ছে আমার নতুন জন্ম হয়েছে। জিম্মি হওয়ার শুরুর দিনে ভয়াবহ অবস্থায় ছিলাম। মনে হচ্ছিল, তারা আমাদের মেরে ফেলবে কি না। শুরুর দিকে আমরা ব্রিজে অবস্থান করতাম। সোমালিয়ান জলদস্যুরা সবসময় ভারী অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিতো।’

জাহাজ থেকে নেমেই আদরের দুই কন্যাকে বুকে জড়িয়ে আনন্দে অশ্রুপাত করেন এমভি আবদুল্লাহর প্রধান কর্মকর্তা আতিকুল্লাহ খান। তার মেজো মেয়ে ছোট্ট উনাইজা দূর থেকে বাবাকে দেখেই জাতীয় পতাকা নেড়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছিল। উনাইজা জানিয়েছে, বাবা ফেরায় সে আজ অনেক খুশি।

টার্মিনালের জেটি চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, কারও মুখে হাসি, কারও চোখে জল। দুই মাস আগেও যে কান্না ছিল কষ্টের, আজ সে কান্না ফিরে এসেছে আনন্দ অশ্রু হয়ে। আপনজনদের ফিরে পেয়ে নাবিকরা যেমন আবেগাপ্লুত হন, তাদের স্বজনরাও খুশিতে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এসময় নাবিকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এমন দৃশ্যে বন্দরজুড়ে নামে বাঁধভাঙা আনন্দ।

জাহাজের ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমদের মা জোছনা বেগম জানান, ‘আজ খুব আনন্দ লাগছে। যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। প্রতিটি মুহূর্ত যেন অনেক দেরি হচ্ছে। আজ ঈদের আনন্দ। যুদ্ধ জয়ের আনন্দ। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’

মা বলেন, ‘সোমালিয়ায় জলদস্যুর কবলে পড়েছিল তখন আতঙ্কে ছিলাম। কষ্টে ছিলাম। কখন কী খবর আসে। এখন ঈদের চেয়ে বেশি আনন্দ। অপেক্ষা করছি কখন ছেলের মা ডাক শুনব। প্রথম দিন যখন জলদস্যুর কবলে পড়ার খবরে দেখলাম যখন বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছিল। ঈদটা গেছে মৃত্যুপুরিতে।’

বন্দরে পৌঁছে জাহাজের ক্যাপ্টেন আব্দুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, সোমালিয়ার দস্যুদের কবল থেকে আমরা ২৩ নাবিকই পৌঁছাতে পেরেছি। সরকার কৌশলগতভাবে সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমি বলেছিলাম- বিদেশি নৌ-বাহিনী যেন ভায়োলেন্স না করে, যাতে আমাদের নাবিকদের কারো প্রাণ না যায় বা জাহাজের কোনো ক্ষতি যেন না হয়। আমরা সবাই সুস্থ ও অক্ষতভাবে ফিরতে পেরেছি, পরিবারের কাছে ফিরতে পেরেছি। এ এমন অনুভূতি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ক্যাপ্টেন বলেন, প্রথম দিন যখন আমরা দস্যু দ্বারা আক্রান্ত হলাম, তখন সেকেন্ড অফিসার ব্রিজে ছিলেন। আমি নিচে নেমে অ্যালার্ট দিচ্ছিলাম। সবকিছু অতি দ্রুত ঘটছে। দস্যুরা স্পিডবোটে এসে জাহাজে উঠে ব্রিজে চলে আসে। আমি আর সেকেন্ড অফিসার আমাদের হিডেন রুমে যেতে পারিনি। সেকেন্ড অফিসার আটক হওয়ার পর আমি গিয়ে দেখি একে-৪৭ তাক করে আছে তার দিকে। আমি যেতেই আমার দিকেও একে-৪৭ তাক করে। আমি স্ট্রং ছিলাম।

তিনি বলেন, আমি হাত তুলে সারেন্ডার করে বললাম, আমরা বাংলাদেশি, আমরা মুসলিম। আমরা রোজা আছি। দস্যুরা সবাইকে ডাকতে বলে। সবাই চলে আসে সেখানে। এরপর আমরা সবাই সেখানেই ব্রিজের মধ্যে সারাদিন সারারাত ছিলাম।

ক্যাপ্টেন বলেন, মৃত্যুর হুমকি ছিল। নাবিকদের কেউ কেউ কান্নাকাটি করছিল। আমার মনে ভয় ছিল, কিন্তু বডি ল্যাঙ্গুয়েজ স্বাভাবিক রেখেছি। সবাইকে হ্যান্ডেল করে, যেন আমাদের কোনো ক্রুর কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর রাখি। সেফটি অফ লাইফটাকে প্রাধান্য দিয়েছি।

এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজের মুক্ত ২৩ নাবিক
জাহাজের মাস্টার মোহাম্মদ আবদুর রশিদ, চিফ অফিসার মো. আতিক উল্লাহ খান, সেকেন্ড অফিসার মোজাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, থার্ড অফিসার এন মোহাম্মদ তারেকুল ইসলাম, ডেক ক্যাডেট মো. সাব্বির হোসাইন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার এএসএম সাইদুজ্জামান, সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. তৌফিকুল ইসলাম, থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. রোকন উদ্দিন, ফোর্থ ইঞ্জিনিয়ার তানভীর আহমেদ, ইঞ্জিন ক্যাডেট আইয়ুব খান, ইলেকট্রিশিয়ান ইব্রাহীম খলিল উল্লাহ, এবি পদের মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, মো. আসিফুর রহমান, মো. সাজ্জাদ হোসাইন, জয় মাহমুদ, ওএস পদের মো. নাজমুল হক, অয়েলার পদের আইনুল হক, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, মো. আলী হোসেন, ফায়ারম্যান মোশাররফ হোসেন শাকিল, চিফ কুক মো. শফিকুল ইসলাম, জিএস পদের মোহাম্মদ নুর উদ্দিন ও ফিটার মোহাম্মদ সালেহ আহমদ।