ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্যয় বাড়ানোর জন্যই উন্নয়ন কাজে দেরি করা হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১০০ বার পড়া হয়েছে

ব্যয় বাড়ানোর জন্যই উন্নয়ন কাজে দেরি করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তার আগে সকাল সকাল ১০টায় সিলেটে পৌঁছান তিনি।

মোমেন বলেন, ব্যয় বাড়াতে আমাদের দেশে উন্নয়ন কাজ বিলম্ব করার ট্রেডিশন রয়েছে। এটা চায়না বা জাপানিরা করে না। তারা মেয়াদের আগে কাজ শেষ করে। মেট্রোরেলের কাজও তারা ৬ মাস আগে শেষ করেছে, টাকাও ফেরত দিয়েছে।

এ সময় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালের কাজ বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মোমেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের চেয়ে চীনারা অনেক অভিজ্ঞ। তারা চাইলে জনবল ও ইকুইপমেন্ট বাড়িয়ে ২০২৩ সালেই নতুন টার্মিনাল ভবনের কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। সেটি আমরা সমাধান করেছি। রেলওয়ে ব্যতিরেকে নিজের নির্বাচনী ওয়াদাগুলো পালন করতে সক্ষম হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ, প্রকল্প পরিচালক শাহ জুলফিকার হায়দার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্যয় বাড়ানোর জন্যই উন্নয়ন কাজে দেরি করা হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১১:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

ব্যয় বাড়ানোর জন্যই উন্নয়ন কাজে দেরি করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তার আগে সকাল সকাল ১০টায় সিলেটে পৌঁছান তিনি।

মোমেন বলেন, ব্যয় বাড়াতে আমাদের দেশে উন্নয়ন কাজ বিলম্ব করার ট্রেডিশন রয়েছে। এটা চায়না বা জাপানিরা করে না। তারা মেয়াদের আগে কাজ শেষ করে। মেট্রোরেলের কাজও তারা ৬ মাস আগে শেষ করেছে, টাকাও ফেরত দিয়েছে।

এ সময় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালের কাজ বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মোমেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের চেয়ে চীনারা অনেক অভিজ্ঞ। তারা চাইলে জনবল ও ইকুইপমেন্ট বাড়িয়ে ২০২৩ সালেই নতুন টার্মিনাল ভবনের কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। সেটি আমরা সমাধান করেছি। রেলওয়ে ব্যতিরেকে নিজের নির্বাচনী ওয়াদাগুলো পালন করতে সক্ষম হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ, প্রকল্প পরিচালক শাহ জুলফিকার হায়দার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।