রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের রাজপাড়া থানায় করা বিশেষ ক্ষশতা আইন মামলায় বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে শ্যোন অ্যারেষ্ট দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে একই মামলায় এক দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়। মিলন কারাগারে এবং চাঁদ বর্তমানে রাজপাড়া থানার অধিনে রয়েছে।
এই মামলার আসামিদের পক্ষে আইনজীবী আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী আশরাফ মাসুম বলেন, রাজপাড়া থানায় দায়ের করা ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন মামলায় মিলনকে শ্যোন অ্যারেষ্ট দেখানো হয়। রাজপাড়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় তাঁকে এই আটকাদেশ দেন রাজশাহী সিএমএম আদালত। যার মামলা নং-১৫।
বর্তমানে মিলন রাজশাহী সেন্ট্রাল জেলাতে রয়েছেন। অন্যদিকে আবু সাঈদ চাঁদ এর আইনজীবী সামসাদ বেগম মিতালী বলেন, রাজপাড়া থানায় করা বিশেষ ক্ষমতা আইন মামলায় একই কোর্টে আাবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে কোর্ট জিআরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা এ নিয়ে জেলা করেন। শেষে বিচারক তাঁকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানান তিনি। দুজনকে এক হাতকড়া পরিয়ে আদালতে নিয়ে আশা হয়।
এদিকে শ্যোন অ্যারেষ্ট ও রিমান্ডের প্রতিবাদে আদালত চত্বরে বিএনপি জেলা এবং মহানগরে অঙ্গ ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বিক্ষোভ করেন সেই সাথে উভয় নেতার মুক্তি দাবি করেন।
এ সময়ে আদালত চত্বরে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। পুলিশ, গোয়েন্দাসহ সিভিল পুলিশ অত্র এলাকা ঘিরে রাখে। এরমধ্যে রাজশাহী মহানগরসহ তাঁর নির্বাচনী এলাকা পবা-মোহন থেকে শত শত নেতাকর্মী আসেন আদালত চত্বরে মিলনের পক্ষে। অন্য দিকে চাঁদ এর পক্ষেও জেরা হতে শত শত নেতাকর্মী আসেন। নেতাকর্মীরা এক নজর তাদের প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য আদালতের সামনে ভীড় করেন। ভীড় সামলাত পুলিশ হিমশিম খায়। এ সময়ে তারা উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে ধন্যবাদ জানান।
এদিকে মিলন ও চাঁদ এর মুক্তির দাবীতে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ করতে থাকেন নেতাকর্মীরা। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমটির বন ও পিরেবশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রাসিক সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ^নাথ সরকার, রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, শেখ মকবুল হোসেন, মিজানুর রহমান মিজান, তোফায়ের হোসেন রাজু, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসন উজ্জল, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুর কালাম আজাদ সুইট, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের বকুল, জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি সুলতান আহমেদ ও মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হাসান ডিনপল।
আরো উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্চাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজশাহী মহানগর স্বেচ্চাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন, শাহ্ মখ্দুম থানা স্বেচ্চাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পরাগ, স্বেচ্চাসেবক দল নেতা শ্যামল, মিলন ও ডলার, জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন বাদশা, রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের যগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আকবর আলী জ্যাকি ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাকসুদুর রহমান সৌরভসহ রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা এবং পবা-মোহনপুরসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ।