ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপি’র আন্দোলন দেখে সরকার ভীত হয়ে পরেছে—রাজশাহীতে আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৯০ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ শনিবার বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী সন্ত্রাসী ও সরকারের দমন-নিপিড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের নি:শর্ত মুক্তি এবং ১০ দফা, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্য পণ্য, গ্যাস বিদ্যুতের মূল্য কমানোর দাবীতে রাজশাহী মহানগরীর সোনাদিঘির মোড়ে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি ১০টি বিভাগীয় গণসমাবেশ হয়েছে। এই সমাবেশকে ঘিরে সরকারীভাবে স্মরনকালের বাধা প্রদান। সকল প্রকার যানবাহন বন্ধ করে দিয়েও জনস্রোত ঠেকাতে না পেরে ভীত হয়ে এখন ভূল কবততে শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকার গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ফ্যাসিস্ট এই সরকারের নির্দেশে বিএনপি’র মহাসচিব মীর্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর ও তাঁকেসহ শত শত নেতাকর্মীদের বিনা কারনে সম্পূর্ন অবৈধভাবে আটক করে পুলিশ। মহাসচিব ও তাঁকে আটক করেও ঢাকার গণসমাবেশ বন্ধ করতে পারেনি। ঢাকার গণসমাবেশ মুহুর্তেও মদ্যে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ঢাকার গণসমাবেশে যেতে সবখানে বাধা প্রদান করেছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা রাস্তায় বেরিকেট দেয়ার চেষ্টা করেছে। এত কিছুর পরেও ঢাকার সমাবেশ হয়েছে স্মরণকালের।
প্রধান অতিথি বলেন, ঢাকার গণপদযাত্রা নিয়ে আওয়ামী লীগের এমপি, মন্ত্রী ও নেতারা নানা ধরনের কথা বলছে। আসলে আওয়ামী লীগের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কারন তারা জানে ক্ষমতা না থাকলে তাদের কি অবস্থা হবে। জনগণ এই সরকারের চেলা চামছাদেও কুড়ে কুড়ে খাবে। এই ভয়ে তারা ক্ষমতা ধওে রাখতে আবারও গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। এছাড়াও কিছু আইন শৃংখলাবাহিণীর সদস্যদের অবৈধ সুবিধা দিয়ে নিজের করে রেখেছে বরে উল্লেখ করেন তিনি। ।
তিনি আরো বলেন, দেশে এখন নিরব দূর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপন্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে কলকারখানা ও সিএনজি গ্যাসের মূল্য আবারও বৃদ্ধি করে সংকট আরো বৃদ্ধি করে দিয়েছে। প্রতিমাসে বিদ্যুতেরর মূল্য বৃদ্ধি করছে। এই অবৈধ সরকার মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে নিয়েছে। সে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। বিদেশে বাড়ি গাড়ি করে নিয়েছে। সুইচ ব্যাংকে অর্থ জমা করেছে তারা। এরফলে দেশে অর্থের তারুল্য সংকট দেখা দিয়েছে। বেকারত্বের হার প্রতিনিয়ত বাড়তেই আছে। কিন্ত্র এ অবস্থা আর চলতে দেয়া হবেনা। শান্তিপূর্ন আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই নিশিরাতের সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর সহধর্মীনি বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখতে আপোষহীন থেকেছেন, এখনো আছেন। কিন্তু তাদের নিয়ে এই সরকারের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী নানা ধরেনের বাজে মন্তব্য করেছেন। এই সঠিক জবাব দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, এই সরকারের আর সময় নেই। আগামী নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ও গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার করতে এই সরকারকে বিতারিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পূর্বে বিভাগের আটটি জেলার আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবগণ বক্তব্য রাখেন। শেষে তিনি আগামীর কর্মসূচী ঘোষনা করেন।
রাজশাহী বিভাগের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনে আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য জননেতা মিজানুর রহমান মিনু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত ও এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান মিয়া, বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়ার মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ সম্পাদক রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজশাহী জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম মার্শাল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সদস্য আবু বক্কার সিদ্দিক, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সদস্য দেবাশিষ রায় মধু, সাবেক সংসদ সদস্য জাহান পান্না, ।

রাজশাহী বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ^নাথ সরকারের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন, নাটোর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবু, পাবনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এডভোকেট মাসুদুর রহমান মাসুম, সিরাগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জয়পুর হাট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান, নওগাঁ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক নান্নু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব হাজী রফিকুল ইসলাম রফিক।

উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য গোলাম মোস্তফা মামুন, রায়হানুল আলম রায়হান, তাজমুল তান টুটুল, তোফায়েল হোসেন রাজু, জাকিরুল ইসলাম বিকুল, মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, ওয়ালিউল হক রানা, আসলাম সরকার, জয়নাল আবেদিন শিবলী, শফিকুল ইসলাম শাফিক, বজলুল হক মন্টু, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, বর্তমান আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, রাজশাহী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান স্বজন, সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরফিন কনক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, বর্তমান আহ্বায়ক মীর তারেক, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আল-আমিন সরকার টিটু, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত ও মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক আরিফুল শেখ বনি।

 

এছাড়াও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রোমেনা হোসেন ও মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুন নাহার, জান্নাতুন ফেরদৌস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেমা বেলী, মহানগর ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুর্ত্তযা ফামিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভসহ রাজশাহী বিভাগের মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপি’র আন্দোলন দেখে সরকার ভীত হয়ে পরেছে—রাজশাহীতে আব্বাস

আপডেট সময় : ০৪:০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ শনিবার বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী সন্ত্রাসী ও সরকারের দমন-নিপিড়ন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের নি:শর্ত মুক্তি এবং ১০ দফা, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্য পণ্য, গ্যাস বিদ্যুতের মূল্য কমানোর দাবীতে রাজশাহী মহানগরীর সোনাদিঘির মোড়ে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি ১০টি বিভাগীয় গণসমাবেশ হয়েছে। এই সমাবেশকে ঘিরে সরকারীভাবে স্মরনকালের বাধা প্রদান। সকল প্রকার যানবাহন বন্ধ করে দিয়েও জনস্রোত ঠেকাতে না পেরে ভীত হয়ে এখন ভূল কবততে শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকার গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে ফ্যাসিস্ট এই সরকারের নির্দেশে বিএনপি’র মহাসচিব মীর্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর ও তাঁকেসহ শত শত নেতাকর্মীদের বিনা কারনে সম্পূর্ন অবৈধভাবে আটক করে পুলিশ। মহাসচিব ও তাঁকে আটক করেও ঢাকার গণসমাবেশ বন্ধ করতে পারেনি। ঢাকার গণসমাবেশ মুহুর্তেও মদ্যে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ঢাকার গণসমাবেশে যেতে সবখানে বাধা প্রদান করেছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা রাস্তায় বেরিকেট দেয়ার চেষ্টা করেছে। এত কিছুর পরেও ঢাকার সমাবেশ হয়েছে স্মরণকালের।
প্রধান অতিথি বলেন, ঢাকার গণপদযাত্রা নিয়ে আওয়ামী লীগের এমপি, মন্ত্রী ও নেতারা নানা ধরনের কথা বলছে। আসলে আওয়ামী লীগের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কারন তারা জানে ক্ষমতা না থাকলে তাদের কি অবস্থা হবে। জনগণ এই সরকারের চেলা চামছাদেও কুড়ে কুড়ে খাবে। এই ভয়ে তারা ক্ষমতা ধওে রাখতে আবারও গভীর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। এছাড়াও কিছু আইন শৃংখলাবাহিণীর সদস্যদের অবৈধ সুবিধা দিয়ে নিজের করে রেখেছে বরে উল্লেখ করেন তিনি। ।
তিনি আরো বলেন, দেশে এখন নিরব দূর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপন্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে কলকারখানা ও সিএনজি গ্যাসের মূল্য আবারও বৃদ্ধি করে সংকট আরো বৃদ্ধি করে দিয়েছে। প্রতিমাসে বিদ্যুতেরর মূল্য বৃদ্ধি করছে। এই অবৈধ সরকার মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে নিয়েছে। সে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। বিদেশে বাড়ি গাড়ি করে নিয়েছে। সুইচ ব্যাংকে অর্থ জমা করেছে তারা। এরফলে দেশে অর্থের তারুল্য সংকট দেখা দিয়েছে। বেকারত্বের হার প্রতিনিয়ত বাড়তেই আছে। কিন্ত্র এ অবস্থা আর চলতে দেয়া হবেনা। শান্তিপূর্ন আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই নিশিরাতের সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর সহধর্মীনি বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখতে আপোষহীন থেকেছেন, এখনো আছেন। কিন্তু তাদের নিয়ে এই সরকারের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী নানা ধরেনের বাজে মন্তব্য করেছেন। এই সঠিক জবাব দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, এই সরকারের আর সময় নেই। আগামী নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে এবং জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ও গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার করতে এই সরকারকে বিতারিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যের পূর্বে বিভাগের আটটি জেলার আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবগণ বক্তব্য রাখেন। শেষে তিনি আগামীর কর্মসূচী ঘোষনা করেন।
রাজশাহী বিভাগের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনে আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য জননেতা মিজানুর রহমান মিনু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত ও এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান মিয়া, বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়ার মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ সম্পাদক রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজশাহী জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম মার্শাল, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সদস্য আবু বক্কার সিদ্দিক, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সদস্য দেবাশিষ রায় মধু, সাবেক সংসদ সদস্য জাহান পান্না, ।

রাজশাহী বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ^নাথ সরকারের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন, নাটোর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাবু, পাবনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এডভোকেট মাসুদুর রহমান মাসুম, সিরাগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, জয়পুর হাট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান, নওগাঁ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক নান্নু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব হাজী রফিকুল ইসলাম রফিক।

উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সদস্য গোলাম মোস্তফা মামুন, রায়হানুল আলম রায়হান, তাজমুল তান টুটুল, তোফায়েল হোসেন রাজু, জাকিরুল ইসলাম বিকুল, মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, ওয়ালিউল হক রানা, আসলাম সরকার, জয়নাল আবেদিন শিবলী, শফিকুল ইসলাম শাফিক, বজলুল হক মন্টু, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, বর্তমান আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, রাজশাহী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান স্বজন, সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরফিন কনক, সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, বর্তমান আহ্বায়ক মীর তারেক, কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আল-আমিন সরকার টিটু, জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত ও মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক আরিফুল শেখ বনি।

 

এছাড়াও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রোমেনা হোসেন ও মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামসুন নাহার, জান্নাতুন ফেরদৌস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেমা বেলী, মহানগর ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুর্ত্তযা ফামিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভসহ রাজশাহী বিভাগের মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।