ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বসন্তের বৃষ্টি উপেক্ষা করেই মঞ্চ মাতালেন জেমস

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৯৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের সঙ্গীতাঙ্গনের তুমুল জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমস। তার গান মানেই শ্রোতাদের সীমাহীন উচ্ছ্বাস, উন্মাদনা। তিনি যখন কনসার্টে গিটার হাতে গাইতে শুরু করেন তখন সামনে থাকা হাজারও ভক্তের হৃদয়ে ঝড় ওঠে। প্রিয় গায়কের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান সবাই।শুক্রবার একটি কনসার্টে অংশ নেন জেমস। কিন্তু মঞ্চে উঠে প্রথম গান গাওয়ার সময়েই বসন্তের বৃষ্টির আগমন হয়। বসন্তের বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়, কিন্তু বৃষ্টি উপেক্ষা করেই একের পর গান গাইতে থাকলেন জেমস।

এদিন গাজীপুর জেলার পূর্বাচলে অবস্থিত একটি রিসোর্টে ২০০৪ সালের এসএসসি ব্যাচ আয়োজিত ‘০৪ স্টার’স ডে’ শিরোনামের কনসার্টটিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে গানে গানে ভক্ত-অনুরাগীদের মাতান তিনি। এ সময় উপস্থিত সবাই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই প্রিয় গায়কের গান শোনেন।

পরনে কালো টি-শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট। কাঁধে গিটার ঝুলিয়ে তারুণ্যের প্রতীক হয়ে নগরবাউল জেমস মঞ্চে উঠলেন রাত নয়টায়। দর্শক গ্যালারি মুখর হয়ে উঠল ‘লাভ ইউ গুরু’ এবং ‘জয় গুরু’ ধ্বনিতে। জেমস যখন গান শুরু করলেন নেমে এলো পিনপতন নীরবতা।

মঞ্চে উঠে ভরাট কণ্ঠে জেমস গাওয়া শুরু করলেন ‘কবিতা তুমি স্বপ্নচারিণী’ গানটি দিয়ে। এরপরেই বৃষ্টি, তবে থামলেন না জেমস। এরপরে গেয়ে চলেন ‘দিওয়ানা মাস্তানা’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কী দিয়া’, ‘লেইস ফিতা লেইস’, ‘সুলতানা বিবিয়ানা’। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই জেমসের সঙ্গে উচ্চস্বরে সেই গানগুলো গাইলেন উপস্থিত সবাই। নগর বাউলের ‘পাগলা হাওয়া’ গানে ‘দুষ্ট ছেলের দল’ যেন আরও মাতোয়ারা। দুষ্টদের সঙ্গে আছে ‘সুন্দরীতমা’রাও। এ সময় ‘গুরুর’ সঙ্গে গেয়ে ও নিজের মতো নেচে তরুণ-তরুণীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। একের পর এক জনপ্রিয় সব গান শুনে দর্শকের আনন্দ-উচ্ছ্বাস বেড়েই চলে।

জেমসের আগে এই আয়োজনে গান পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া। মঞ্চে এসে তিনি কণ্ঠে তুলেন ‘লাক ভেলকি লাখ’। তারপর ‘ডানাকাটা পরী’সহ বেশকিছু গান পরিবেশন করেন। কনসার্টটিতে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিলেন ক্রিকেটার রুবেল হোসেন, অভিনেতা ওয়ালিউল হক রুমি ও রাশেদ সীমান্ত। পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার মাধ্যমে মাতিয়ে রাখেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাশেদ সীমান্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বসন্তের বৃষ্টি উপেক্ষা করেই মঞ্চ মাতালেন জেমস

আপডেট সময় : ১২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দেশের সঙ্গীতাঙ্গনের তুমুল জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমস। তার গান মানেই শ্রোতাদের সীমাহীন উচ্ছ্বাস, উন্মাদনা। তিনি যখন কনসার্টে গিটার হাতে গাইতে শুরু করেন তখন সামনে থাকা হাজারও ভক্তের হৃদয়ে ঝড় ওঠে। প্রিয় গায়কের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান সবাই।শুক্রবার একটি কনসার্টে অংশ নেন জেমস। কিন্তু মঞ্চে উঠে প্রথম গান গাওয়ার সময়েই বসন্তের বৃষ্টির আগমন হয়। বসন্তের বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়, কিন্তু বৃষ্টি উপেক্ষা করেই একের পর গান গাইতে থাকলেন জেমস।

এদিন গাজীপুর জেলার পূর্বাচলে অবস্থিত একটি রিসোর্টে ২০০৪ সালের এসএসসি ব্যাচ আয়োজিত ‘০৪ স্টার’স ডে’ শিরোনামের কনসার্টটিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করে গানে গানে ভক্ত-অনুরাগীদের মাতান তিনি। এ সময় উপস্থিত সবাই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই প্রিয় গায়কের গান শোনেন।

পরনে কালো টি-শার্ট ও জিন্সের প্যান্ট। কাঁধে গিটার ঝুলিয়ে তারুণ্যের প্রতীক হয়ে নগরবাউল জেমস মঞ্চে উঠলেন রাত নয়টায়। দর্শক গ্যালারি মুখর হয়ে উঠল ‘লাভ ইউ গুরু’ এবং ‘জয় গুরু’ ধ্বনিতে। জেমস যখন গান শুরু করলেন নেমে এলো পিনপতন নীরবতা।

মঞ্চে উঠে ভরাট কণ্ঠে জেমস গাওয়া শুরু করলেন ‘কবিতা তুমি স্বপ্নচারিণী’ গানটি দিয়ে। এরপরেই বৃষ্টি, তবে থামলেন না জেমস। এরপরে গেয়ে চলেন ‘দিওয়ানা মাস্তানা’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কী দিয়া’, ‘লেইস ফিতা লেইস’, ‘সুলতানা বিবিয়ানা’। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই জেমসের সঙ্গে উচ্চস্বরে সেই গানগুলো গাইলেন উপস্থিত সবাই। নগর বাউলের ‘পাগলা হাওয়া’ গানে ‘দুষ্ট ছেলের দল’ যেন আরও মাতোয়ারা। দুষ্টদের সঙ্গে আছে ‘সুন্দরীতমা’রাও। এ সময় ‘গুরুর’ সঙ্গে গেয়ে ও নিজের মতো নেচে তরুণ-তরুণীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। একের পর এক জনপ্রিয় সব গান শুনে দর্শকের আনন্দ-উচ্ছ্বাস বেড়েই চলে।

জেমসের আগে এই আয়োজনে গান পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী জাকিয়া সুলতানা কর্ণিয়া। মঞ্চে এসে তিনি কণ্ঠে তুলেন ‘লাক ভেলকি লাখ’। তারপর ‘ডানাকাটা পরী’সহ বেশকিছু গান পরিবেশন করেন। কনসার্টটিতে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিলেন ক্রিকেটার রুবেল হোসেন, অভিনেতা ওয়ালিউল হক রুমি ও রাশেদ সীমান্ত। পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনার মাধ্যমে মাতিয়ে রাখেন জনপ্রিয় অভিনেতা রাশেদ সীমান্ত।