• শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আকাশসীমা বন্ধ করল ইরান “শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দুরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই” পোস্টাল ব্যালটে জালিয়াতি হলে এনআইডি বাতিল ও দেশে ফেরত পাঠানো হবে: ইসি রংপুরে মদ পানে আরও তিনজনের মৃত্যু, মোট ৭ স্ত্রী-কন্যাসহ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের প্রায় দুই ঘণ্টার  সাক্ষাৎ ১১ দলীয় জোটে চূড়ান্ত সমঝোতা, কে কতটি আসন পেল ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব “প্রেসকাব ফর প্রেসম্যান” সংস্কারের উদ্যোগের আশ্বাস ইউনিমাস হোল্ডিংসের প্রপার্টি ফেয়ার শুরু, চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজশাহীতে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে: ড. বদিউল

বরিশাল ও খুলনা সিটির ভোট চলছে

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ / ১২৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩

খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ জুন) সকাল আটটা থেকে বিরতিহীনভাবে এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

আজ দুই সিটির আট লাখের বেশি ভোটার মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করবেন। এর আগে মোটামুটি নির্বিঘ্নেই দুই সিটির নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ হয়। আজ ভোট গ্রহণের জন্য দুই সিটিতেই সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এবার খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ ৩১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ১৩৬ জন ও সংরক্ষিত ১০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সিটি করপোরেশনের মধ্যে মোট ভোটার রয়েছেন ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন ও পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন। মোট ২৮৯টি কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৩২টি কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন পাঁচ প্রার্থী। তারা হলেন-আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আবদুল আউয়াল, জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধু, জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান (মুশফিক)।

আওয়ামী লীগ বাদে অন্য প্রার্থীরাও মনে করছেন, ভোটারের উপস্থিতি কম হবে। আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক নির্বাচনে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়বে বলে মনে করছেন। এবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে ধরা হচ্ছে জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে। তবে ওই দলও মনে করছে, সর্বোচ্চ ভোট পড়বে ৪৫ শতাংশ। আর অন্যান্য দলের প্রার্থীদের আশঙ্কা, ভোট ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের বেশি পড়বে না। এর কারণ হিসেবে গত দুই নির্বাচনে অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন তারা।

এবারের নির্বাচনে জয়ের চেয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়াই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ। ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রে নিয়ে যেতে ইতিমধ্যে সব ধরনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে দল থেকে। এ জন্য ওয়ার্ডগুলোয় কাউন্সিলর প্রার্থিতা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে, যাতে কাউন্সিলর প্রার্থীরা কেন্দ্রে ভোটার নিয়ে যেতে পারেন।

বরিশাল সিটিতে ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯৫। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭১ জন এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৪ জন। সিটির মোট ভোটকেন্দ্র ১২৬টি। এখানে ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩০ আর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সংখ্যা ১০। কাউন্সিলর পদে প্রার্থী রয়েছেন ১১৬ জন। সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী ৪২ জন।

এবার বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- আবুল খায়ের আবদুল্লাহ (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নৌকা), মো. কামরুল আহসান (স্বতন্ত্র, টেবিলঘড়ি) মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা), মো. আলী হোসেন হাওলাদার (স্বতন্ত্র, হরিণ), মিজানুর রহমান বাচ্চু (জাকের পাটি, গোলাপফুল), মো. ইকবাল হোসেন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও মো. আসাদুজ্জামান (স্বতন্ত্র, হাতি)।

ইসি কর্মকর্তারা আরও জানায়, নির্বাচনে দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন ভোটার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। মোট ১২৬টি কেন্দ্রের ৮৯৪টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করা হবে। এ নির্বাচনী এলাকায় ৩০ জন নির্বাহী ও ১০ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। তারা নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন ও বিভিন্ন অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করবেন।

ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে ১০ প্লাটুন বিজিবি, তিন সেকশন কোস্টগার্ড, র‍্যাবের ১৬টি টিম, পুলিশ-এপিবিএন-ব্যাটালিয়ন আনসারের ৪৩টি টিম। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এবং নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা ভোটের দু’দিন পর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৭২ ঘণ্টার জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে মোটরসাইকেল। ভোটের দিন সীমিত থাকবে যন্ত্রচালিত যান চলাচল। নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সব ধরনের মিছিলের ওপরও। সবার ভোট দেওয়ার সুবিধার্থে ভোটের এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ