ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রোটিনের ‘শেষ ভরসা’ ব্রয়লার কিনতেও হিমশিম

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০২৩ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

সারা দেশ গরুর মাংস কিনতে গিয়ে ক্রেতার হিসেব না মেলার গল্প বহুদিনের। কারণ কোনো নিয়মনীতির বালাই না থাকায় যেমন খুশি তেমন চলছে গরুর মাংসের বাজার। এতদিন ধরে যে দামে মাংস বিক্রি হচ্ছিল সেটাই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। অনেকে কোরবানির মৌসুম ছাড়া গরুর মাংস খেতে পারতেন না এমন উদাহরণও আছে। বর্তমানে গরুর মাংসের কেজি ৮শ’ ছুঁয়েছে কিছু কিছু জায়গায়। সাড়ে ৭শ’তেও মিলছে কোথাও কোথাও। আর খাসির মাংস তো হাজার ছাড়িয়েছে বেশ আগেই। সবশেষ প্রোটিনের চাহিদা পূরণের ভরসা ব্রয়লার মুরগি কিনতে গিয়েও হিসেব মেলাতে পারছেন না ক্রেতারা।

কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগির প্রতিকেজি ২৫০ টাকা করে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। বাজারে চাহিদা থাকলেও যথেষ্ট সরবারহ না থাকা, মুরগির বাচ্চা নিয়ে ‘সিন্ডিকেট’ এর দৌরাত্ম ও মুরগি আনা-নেওয়ায় খরচ বাড়ার অজুহাত দেওয়া হচ্ছে উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে। অন্যদিকে মুরগির খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতি বলছেন বিক্রেতারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রোটিনের ‘শেষ ভরসা’ ব্রয়লার কিনতেও হিমশিম

আপডেট সময় : ১০:০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মার্চ ২০২৩

সারা দেশ গরুর মাংস কিনতে গিয়ে ক্রেতার হিসেব না মেলার গল্প বহুদিনের। কারণ কোনো নিয়মনীতির বালাই না থাকায় যেমন খুশি তেমন চলছে গরুর মাংসের বাজার। এতদিন ধরে যে দামে মাংস বিক্রি হচ্ছিল সেটাই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। অনেকে কোরবানির মৌসুম ছাড়া গরুর মাংস খেতে পারতেন না এমন উদাহরণও আছে। বর্তমানে গরুর মাংসের কেজি ৮শ’ ছুঁয়েছে কিছু কিছু জায়গায়। সাড়ে ৭শ’তেও মিলছে কোথাও কোথাও। আর খাসির মাংস তো হাজার ছাড়িয়েছে বেশ আগেই। সবশেষ প্রোটিনের চাহিদা পূরণের ভরসা ব্রয়লার মুরগি কিনতে গিয়েও হিসেব মেলাতে পারছেন না ক্রেতারা।

কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগির প্রতিকেজি ২৫০ টাকা করে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। বাজারে চাহিদা থাকলেও যথেষ্ট সরবারহ না থাকা, মুরগির বাচ্চা নিয়ে ‘সিন্ডিকেট’ এর দৌরাত্ম ও মুরগি আনা-নেওয়ায় খরচ বাড়ার অজুহাত দেওয়া হচ্ছে উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে। অন্যদিকে মুরগির খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতি বলছেন বিক্রেতারা।