ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ বদলি আবেদন শুরু ২৬ মার্চ

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ বদলির আবেদন গ্রহণ আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে। আর এ কার্যক্রম চলবে ২৮ মার্চ পর্যন্ত। অনলাইনে নির্ধারিত সার্ভারে (http://ttms.dpe.gov.bd/login) লগইন করে শিক্ষকরা আন্তঃবিভাগ বদলির আবেদন করতে পারবেন। তবে সিটি কর্পোরেশনে বদলির আবেদন করা যাবে না।

একইসঙ্গে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বদলির কার্যক্রম শেষ করতে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আন্তঃবিভাগ বদলিতে শিক্ষকরা সর্বোচ্চ তিনটি করে স্কুল পছন্দের সুযোগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়ে আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসরিন সুলতানা স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষকরা অনলাইনে আন্তঃবিভাগ (সিটি কর্পোরেশন ছাড়া) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি হতে আবেদন করতে পারবেন। ২৯ মার্চ উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করবেন। ৩০ মার্চ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত কাজ করতে হবে। আর ৩১ মার্চ বিভাগীয় উপপরিচালকরা বদলির সব কার্যক্রম শেষ করবেন।

শিক্ষকদের বদলির আবেদনে ৩ শর্ত

শিক্ষকদের বদলির আবেদনের বিষয়ে তিনটি শর্ত দিয়েছে অধিদপ্তর।

শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, শিক্ষকরা সর্বোচ্চ ৩টি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে পছন্দ করবেন। তবে কোনো শিক্ষকের একাধিক পছন্দ না থাকলে একটি বা দুইটি বিদ্যালয় পছন্দ করতে পারবেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বদলির আদেশ জারি হলে তা বাতিলের জন্য পরবর্তীতে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

যাচাইকারী কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ২২ ডিসেম্বর জারি করা সর্বশেষ সংশোধিত সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা অনুযায়ী- শিক্ষকদের বদলির আবেদন ও কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। কর্মকর্তাদের সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে। যাচাই করে পাঠানোর পর তা পুনঃবিবেচনা করার আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আবেদনকারী শিক্ষকের পছন্দক্রম অনুযায়ী বদলি হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। একাধিক আবেদনকারীর পছন্দকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয় তাই কোনো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ বদলি আবেদন শুরু ২৬ মার্চ

আপডেট সময় : ০৩:১১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের আন্তঃবিভাগ বদলির আবেদন গ্রহণ আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে। আর এ কার্যক্রম চলবে ২৮ মার্চ পর্যন্ত। অনলাইনে নির্ধারিত সার্ভারে (http://ttms.dpe.gov.bd/login) লগইন করে শিক্ষকরা আন্তঃবিভাগ বদলির আবেদন করতে পারবেন। তবে সিটি কর্পোরেশনে বদলির আবেদন করা যাবে না।

একইসঙ্গে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বদলির কার্যক্রম শেষ করতে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আন্তঃবিভাগ বদলিতে শিক্ষকরা সর্বোচ্চ তিনটি করে স্কুল পছন্দের সুযোগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) এসব তথ্য জানিয়ে আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাসরিন সুলতানা স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষকরা অনলাইনে আন্তঃবিভাগ (সিটি কর্পোরেশন ছাড়া) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি হতে আবেদন করতে পারবেন। ২৯ মার্চ উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করবেন। ৩০ মার্চ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত কাজ করতে হবে। আর ৩১ মার্চ বিভাগীয় উপপরিচালকরা বদলির সব কার্যক্রম শেষ করবেন।

শিক্ষকদের বদলির আবেদনে ৩ শর্ত

শিক্ষকদের বদলির আবেদনের বিষয়ে তিনটি শর্ত দিয়েছে অধিদপ্তর।

শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, শিক্ষকরা সর্বোচ্চ ৩টি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে পছন্দ করবেন। তবে কোনো শিক্ষকের একাধিক পছন্দ না থাকলে একটি বা দুইটি বিদ্যালয় পছন্দ করতে পারবেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বদলির আদেশ জারি হলে তা বাতিলের জন্য পরবর্তীতে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

যাচাইকারী কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গত ২২ ডিসেম্বর জারি করা সর্বশেষ সংশোধিত সমন্বিত অনলাইন বদলি নির্দেশিকা অনুযায়ী- শিক্ষকদের বদলির আবেদন ও কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। কর্মকর্তাদের সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে। যাচাই করে পাঠানোর পর তা পুনঃবিবেচনা করার আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আবেদনকারী শিক্ষকের পছন্দক্রম অনুযায়ী বদলি হওয়ার নিশ্চয়তা নেই। একাধিক আবেদনকারীর পছন্দকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয় তাই কোনো হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।