ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রতারনা মামলায় নিজাম নুরের জামিন না মুঞ্জর, কারাগারে প্রেরণ

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২১ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের ছেলাইয়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আতিকুর রহমান দেশে এসে একই গ্রামের রিয়াদ হাসান,নিজাম নুর ও তার ভাইয়ের নিকট হতে সাড়ে ৯লাখ টাকায় ক্রয়কৃত ট্রাক গাড়িটি স্টাম্পের মাধ্যমে ক্রয় করলে ও প্রতারনার মাধ্যমে প্রতারক নিজাম নুর গাড়িটির কাগজপত্র তার নামে করে নেন ।

এ ঘটনায় গত ২১/০৮/২০২৩ ইং তারিখে ছেলাইয়া গ্রামের মোঃ আবুল বাতেনের ছেলে প্রতারিত প্রবাসী মোঃ আতিকুরের আপন ছোট ভাই মোঃ আসাদুর রহমান বাদি হয়ে একই গ্রামের রিয়াদ হাসানকে প্রধান আসামী করে এবং একই গ্রামের ,নিজাম নুর ও তার ভাই মিজানুর এই তিনকে আসামী করে কটি মামলা দায়ের আমল গ্রহনকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত জামালগঞ্জ,সুনামগঞ্জ জোনে করেন। যার মামলা নং-সি.আর-২০৩/২৩ জামালগঞ্জ।

বৃহস্পবিার দুপুরে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামালগঞ্জ জোনের বিঞ্জ বিচারক ইসরাত জাহানের আদালতে প্রতারক নিজাম নুর হাজিরা দিতে আসলে বিঞ্জ বিচারক তার জামি,ন না মুঞ্জর করে তাকে কারাাগরে পাঠানোর নিদেশ দেন। নিজাম নুর এই মামলার ২নং আসামী। নিজাম নুর সে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের ছেলাইয়া গ্রামের মিরাশ আলীর ছেলে। মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন একই গ্রামের মুক্তার আলীর ছেলে রিয়াজ হাসান(সানু) ও মিরাশ আলীর দুই ছেলে নিজাম নুর তার ভাই মিজানুর। এই মামলায় নিজাম নুরের ভাই মিজানুর জামিনে মুক্ত থাকলেও প্রধান আসামী রিয়াদ হাসান(সানু) পলাতক রয়েছেন।

মালয়েশিয়া প্রবাসী সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের ছেলাইয়া গ্রামের মোঃ আতিকুর রহমান দেশে এসে গত ২৬/৯/২০২২ইং তারিখের ট্রাকটি ১০০টাকা মুল্যের তিনটি নন জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্প ক্রয় করে লিখিত ভাবে সাক্ষীর উপস্থিতি ও স্বাক্ষর নিয়ে একই গ্রামের একটি মালবাহী ট্রাক মালিক মো: রিয়াদ হাসান (সানু), পিতা- মুক্তার আলী, সাং-ছেলাইয়া , ইউ/পি ভীমখালী, থানা জামালগঞ্জ -জেলা সুনামগঞ্জ এর নিকট হইতে ক্রয় করেন । ট্রাক গাড়িটির বর্ণনা গাড়ির নাম্বার ঢাকা মেট্রো-ঢ ১৪-৬৬৬১,মডেল ।উক্ত ট্রাকটি বিক্রয়ের রশিদপত্র ১জন গ্রহিতা ১জন দাতা ১০০ টাকার ৩টি ষ্ট্যাম্প ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর দ্বারা সম্পাদিত রয়েছে । গত ০৫/১১/২০২২ইং তারিখে জামালগঞ্জ মসজিদ মার্কেটে লিখিত স্ট্রাম্পের মাধ্যমে নগদ সাড়ে ৯লাখ টাকা পরিশোধ করে ট্রাকটি কেনা হয়। এসময় ট্রাক মালিক মো: রিয়াদ হাসান (সানু), আমাদের জানান ট্রাকটির মুল কাগজ কোম্পানিতে রয়েছে পরে আমাদের নামে টান্সফার করে কিছুদিন পর দিয়া দিবেন । আমার ভাই আতিকুর রহমান সরল বিশ্বাসে এবং বিক্রেতা আমরা উভয়ই একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় বিক্রেতা মো: রিয়াদ হাসান(সানু)র, কথা বিশ্বাস করে ষ্টাম্পের মাধ্যমে সাড়ে ৯ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করে ট্রাক গাড়িটি ক্রয় করি। আমার বড়ভাই আতিকুর রহমান গাড়িটি কেনার পর তিনি বিদেশ চলে যান। গত ১ আগষ্ট ২০২৩ইং তারিখ পর্যন্ত খরিদকৃত ট্রাক গাড়িটি আমাদের কাছে ছিল কোন সমস্যা হয়নি। গাড়িটি ড্রাইভার রেখে এবং আমরা নিজে ও গাড়ি চালিয়ে আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দর ভাবে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলাম।

গত ০১/০৮/২০২৩ইং তারিখে হঠাৎ করে ছেলাইয়া গ্রামের মুক্তার আলীর ছেলে বিক্রেতা মো: রিয়াদ হাসান ( সানু), মিরাশ আলীর ছেলে প্রতারক নিজাম নূর ও মিজানুরসহ কয়েকজন পুলিশ নিয়ে আমাদের কাছ থেকে আমাদের ক্রয়কৃত ট্রাকটি জোরপূর্বক ভাবে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে গাড়িটি পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় । ঘটনার পর পরই আমি বাদি হয়ে নামাংঙ্কিত প্রতারকদের আসামী করে জামালগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে গেলে থানা পুলিশ আমাদের অভিযোগটি গ্রহন করেননি। আমি নিরুপায় হয়ে গত ২১/০৮/২০২৩ ইং তারিখে আমল গ্রহনকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত জামালগঞ্জ,সুনামগঞ্জ জোনে একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং-সি.আর-২০৩/২৩ জামালগঞ্জ। আমাদের ট্রাক গাড়িটি প্রতারক চক্রের কবল হইতে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের নিকট দাবী জানাচ্ছি। তিনি আরো উল্লেখ করেন আদালতে মামলা করায় আসামীগণ বিভিন্ন সময় ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য নিজাম নুর গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় ফেকুল মাহমুদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে সি এইচ সিপি পদে কর্মরত থাকার পরও রাজনৈতিক চত্রছায়ার সে মাসে এক দুইদিন কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের হাজিরা দিয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন করে নিলে ও দেখার যেন কেহ নেই। ফলে এই ইউনিয়নের প্রায় দশটি গ্রামের সাধারন রোগীরা প্রতিদিন ক্লিনিকে এসে ও নিজাম নুরকে না পেয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়। এ নিয়ে ছেলাইয়া গ্রামের লোকজন গত ১৪ই জানুয়ারী সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিলে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তাছাড়া এই নিজাম নুরের বিরুদ্ধে এলাকার বেশ কয়েকজন লোককে বিদেশে নেওয়ার নামে প্রতারনা করে ঐ সমস্ত অসহায় মানুষদের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলেও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রতারনা মামলায় নিজাম নুরের জামিন না মুঞ্জর, কারাগারে প্রেরণ

আপডেট সময় : ০৯:০৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের ছেলাইয়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী আতিকুর রহমান দেশে এসে একই গ্রামের রিয়াদ হাসান,নিজাম নুর ও তার ভাইয়ের নিকট হতে সাড়ে ৯লাখ টাকায় ক্রয়কৃত ট্রাক গাড়িটি স্টাম্পের মাধ্যমে ক্রয় করলে ও প্রতারনার মাধ্যমে প্রতারক নিজাম নুর গাড়িটির কাগজপত্র তার নামে করে নেন ।

এ ঘটনায় গত ২১/০৮/২০২৩ ইং তারিখে ছেলাইয়া গ্রামের মোঃ আবুল বাতেনের ছেলে প্রতারিত প্রবাসী মোঃ আতিকুরের আপন ছোট ভাই মোঃ আসাদুর রহমান বাদি হয়ে একই গ্রামের রিয়াদ হাসানকে প্রধান আসামী করে এবং একই গ্রামের ,নিজাম নুর ও তার ভাই মিজানুর এই তিনকে আসামী করে কটি মামলা দায়ের আমল গ্রহনকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত জামালগঞ্জ,সুনামগঞ্জ জোনে করেন। যার মামলা নং-সি.আর-২০৩/২৩ জামালগঞ্জ।

বৃহস্পবিার দুপুরে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামালগঞ্জ জোনের বিঞ্জ বিচারক ইসরাত জাহানের আদালতে প্রতারক নিজাম নুর হাজিরা দিতে আসলে বিঞ্জ বিচারক তার জামি,ন না মুঞ্জর করে তাকে কারাাগরে পাঠানোর নিদেশ দেন। নিজাম নুর এই মামলার ২নং আসামী। নিজাম নুর সে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের ছেলাইয়া গ্রামের মিরাশ আলীর ছেলে। মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন একই গ্রামের মুক্তার আলীর ছেলে রিয়াজ হাসান(সানু) ও মিরাশ আলীর দুই ছেলে নিজাম নুর তার ভাই মিজানুর। এই মামলায় নিজাম নুরের ভাই মিজানুর জামিনে মুক্ত থাকলেও প্রধান আসামী রিয়াদ হাসান(সানু) পলাতক রয়েছেন।

মালয়েশিয়া প্রবাসী সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের ছেলাইয়া গ্রামের মোঃ আতিকুর রহমান দেশে এসে গত ২৬/৯/২০২২ইং তারিখের ট্রাকটি ১০০টাকা মুল্যের তিনটি নন জুডিসিয়াল ষ্ট্যাম্প ক্রয় করে লিখিত ভাবে সাক্ষীর উপস্থিতি ও স্বাক্ষর নিয়ে একই গ্রামের একটি মালবাহী ট্রাক মালিক মো: রিয়াদ হাসান (সানু), পিতা- মুক্তার আলী, সাং-ছেলাইয়া , ইউ/পি ভীমখালী, থানা জামালগঞ্জ -জেলা সুনামগঞ্জ এর নিকট হইতে ক্রয় করেন । ট্রাক গাড়িটির বর্ণনা গাড়ির নাম্বার ঢাকা মেট্রো-ঢ ১৪-৬৬৬১,মডেল ।উক্ত ট্রাকটি বিক্রয়ের রশিদপত্র ১জন গ্রহিতা ১জন দাতা ১০০ টাকার ৩টি ষ্ট্যাম্প ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর দ্বারা সম্পাদিত রয়েছে । গত ০৫/১১/২০২২ইং তারিখে জামালগঞ্জ মসজিদ মার্কেটে লিখিত স্ট্রাম্পের মাধ্যমে নগদ সাড়ে ৯লাখ টাকা পরিশোধ করে ট্রাকটি কেনা হয়। এসময় ট্রাক মালিক মো: রিয়াদ হাসান (সানু), আমাদের জানান ট্রাকটির মুল কাগজ কোম্পানিতে রয়েছে পরে আমাদের নামে টান্সফার করে কিছুদিন পর দিয়া দিবেন । আমার ভাই আতিকুর রহমান সরল বিশ্বাসে এবং বিক্রেতা আমরা উভয়ই একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় বিক্রেতা মো: রিয়াদ হাসান(সানু)র, কথা বিশ্বাস করে ষ্টাম্পের মাধ্যমে সাড়ে ৯ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করে ট্রাক গাড়িটি ক্রয় করি। আমার বড়ভাই আতিকুর রহমান গাড়িটি কেনার পর তিনি বিদেশ চলে যান। গত ১ আগষ্ট ২০২৩ইং তারিখ পর্যন্ত খরিদকৃত ট্রাক গাড়িটি আমাদের কাছে ছিল কোন সমস্যা হয়নি। গাড়িটি ড্রাইভার রেখে এবং আমরা নিজে ও গাড়ি চালিয়ে আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দর ভাবে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলাম।

গত ০১/০৮/২০২৩ইং তারিখে হঠাৎ করে ছেলাইয়া গ্রামের মুক্তার আলীর ছেলে বিক্রেতা মো: রিয়াদ হাসান ( সানু), মিরাশ আলীর ছেলে প্রতারক নিজাম নূর ও মিজানুরসহ কয়েকজন পুলিশ নিয়ে আমাদের কাছ থেকে আমাদের ক্রয়কৃত ট্রাকটি জোরপূর্বক ভাবে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে গাড়িটি পুলিশ দিয়ে ভয় দেখিয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় । ঘটনার পর পরই আমি বাদি হয়ে নামাংঙ্কিত প্রতারকদের আসামী করে জামালগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে গেলে থানা পুলিশ আমাদের অভিযোগটি গ্রহন করেননি। আমি নিরুপায় হয়ে গত ২১/০৮/২০২৩ ইং তারিখে আমল গ্রহনকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত জামালগঞ্জ,সুনামগঞ্জ জোনে একটি মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং-সি.আর-২০৩/২৩ জামালগঞ্জ। আমাদের ট্রাক গাড়িটি প্রতারক চক্রের কবল হইতে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের নিকট দাবী জানাচ্ছি। তিনি আরো উল্লেখ করেন আদালতে মামলা করায় আসামীগণ বিভিন্ন সময় ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করা হয়।

উল্লেখ্য নিজাম নুর গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় ফেকুল মাহমুদপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে সি এইচ সিপি পদে কর্মরত থাকার পরও রাজনৈতিক চত্রছায়ার সে মাসে এক দুইদিন কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় পুরো মাসের হাজিরা দিয়ে বেতন ভাতা উত্তোলন করে নিলে ও দেখার যেন কেহ নেই। ফলে এই ইউনিয়নের প্রায় দশটি গ্রামের সাধারন রোগীরা প্রতিদিন ক্লিনিকে এসে ও নিজাম নুরকে না পেয়ে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে বাড়ি ফিরতে দেখা যায়। এ নিয়ে ছেলাইয়া গ্রামের লোকজন গত ১৪ই জানুয়ারী সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিলে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তাছাড়া এই নিজাম নুরের বিরুদ্ধে এলাকার বেশ কয়েকজন লোককে বিদেশে নেওয়ার নামে প্রতারনা করে ঐ সমস্ত অসহায় মানুষদের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলেও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ রয়েছে।