• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

প্রতারণার মামলায় বিএনপি নেতা চাঁদের ৩ বছর কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৩০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

প্রতারণার মামলায় রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। চারঘাট উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নামে ২২ জনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগে তাঁকে এই কারাদণ্ড দেন আদালত।

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতের বিচারক মারুফ আল্লাম এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে চাঁদকে ৫ হাজর টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আদালত এই মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে চারঘাটের বামনদিঘী চক ঝিকরা টেকনিক্যাল স্কুল স্থাপন করে আবু সাইদ চাঁদসহ ৩ জন চাকরি দেওয়ার নামে ২২ জনের কাছ থেকে ১৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। ঘটনার ৩ বছর পর ২০০৭ সালে মাসুদ রানা বাদী হয় রাজশাহীর প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা আমলে নিয়ে বিচারিক অনুসন্ধান শেষে ২০০৯ সালে চার্জ গঠন করেন।

পরে আসামি পক্ষ উচ্চ আদালতে যায়। ১৬ বছর পর ২০২২ সালে আদালত আবারও এই মামলার কার্যক্রম শুরু করেন। গত জুলাই মাসে বাদী মাসুদ রানা মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। পরে মামলার স্বাক্ষী সুজা উদ্দিন সবুর মামলার কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার জন্য আরেকটি আবেদন করেন। আদালত সবুরের আবেদন আমলে নেন। পরে ৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য, তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত ও সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইব্রাহিম হোসেন। তিনি বলেন, এ রায় প্রতারণার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

অন্যদিকে রায়ে অস্তুষ্ট প্রকাশ করে আসামি পক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির জানান, এ রায় ফরমায়েশি।

উল্লেখ্য, রাজশাহীর পুঠিয়ার শিবপুর হাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১৯ মে বিকেলে রাজশাহী জেলা ও মহানগর বিএনপির আয়োজনে একটি সমাবেশ হয়। ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ। সেখানে তাঁর দেওয়া বক্তব্য নিয়ে আপত্তি জানান আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। পরে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হত্যার হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতা আবু সাঈদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মামলা হয়। এরপর গ্রেপ্তারের পর থেকেই কারাগারে আছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ