ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“দশ টাকায় তিন চোখঁ”

সেলমি সানোয়ার পলাশ
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩ ২২৭ বার পড়া হয়েছে

দশ টাকায় তিন চোখঁ। মানুষের চোখঁ নয়। তালের চোখঁ। রাজশাহী অঞ্চলের সাধারন মানুষ তালের শাঁসকে তালের চোখঁ নামে চিনে। গ্রীষ্মের অন্যতম একটি আরামদায়ক ফল হচ্ছে কাঁচা তাল অর্থাৎ তালের শাঁস। তিব্র গরমে এর চাহিদা প্রচুর। দেশে গরমে কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার হিসেবে পরিচিত। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে দশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তালের তিন চোঁখ (শাঁস)। তিব্র তাপদাহের কারনে তালের চোঁখ (শাঁস) এর চাহিদা বেশী। সাধারন মানুষ তাপদাহ থেকে প্রশান্তি পেতে কিনে খাচ্ছে তালের চোখঁ।
তালের শাঁস খেতে অনেকটা নারকেলের মতই। কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এর রয়েছে অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। তালের ফল এবং বীজ দুইই বাঙালি খাদ্য। কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। পাম গোত্রের অন্যতম দীর্ঘ উদ্ভিদে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, ফরিদপুর, গাজীপুরে তালের ব্যাপক চাষ হলেও ফলটির আদি নিবাস আফ্রিকা।
তাল উদ্ভিদ প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা থেকে গাছকে রক্ষা ও ভূমির ক্ষয় রোধ করে। বহুকাল আগে এই দেশে তার আগমন। বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন বোরাসুস ফ্লাবেলিয়ার। খুবই ধীরে বাড়ে। দীর্ঘ হয়ে ফল দিতে সময় নেয় অন্তত দশ বছর। বসন্তের শেষে ফুল ধরে ফল হয়। তালের যে বীজও খাওয়া হয় তা তালের চোখঁ (তালশাঁস ) নামে বেশি পরিচিত। প্রতিটি তালে দুই থেকে তিনটি চোখঁ (শাঁস) হয়। গ্রীষ্মের সময় কচি অবস্থায় তালের শাঁস ব্যাপক চাহিদা থাকে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত।
গরমে তালের শাঁস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই সঙ্গে বাড়বে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়। এর নরম কচি শাঁস খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে।
উপজেলার পিরিজপুর মোড়ে দশ টাকায় তালের তিন চোখঁ (শাঁস) বিক্রি করছে ফারুক হোসেন। কথা হয় তালের শাঁস বিক্রেতা ফারুকের সাথে। সে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে ঠিকায় গাছে তাল কিনি। এক একটি গাছের তাল ৪ শ’ থেকে ৫শ’ টাকায় কিনতে হয়। এক একটি গাছে ৩ শ’ থেকে ৪শ’ তাল পাই।
এক প্রশ্নের জবাবে তালের চোখঁ বিক্রেতা ফারুক বলে, প্রতিদিন গড়ে ১২ শ’ থেকে ১৪ শ’ টাকার তালের চোখঁ বিক্রি হয়। এতে প্রতিদিন তার ৮ শ’ থেকে ৯ শ’ টাকা লাভ হয়। সে বলে এখন গরম বেশী হওয়ায় তালের চোখেঁর চাহিদা বেশী।
তালের চোখঁ কিনতে আসা ক্রেতা রানা বলে, প্রচন্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখাতে তালের চোখঁ কিনে খাচ্ছি। এছাড়াও পরিবারের জন্য নিয়ে যাচ্ছি।
এটা মৌসুমী ফল হলেও গরমে শরীরের জন্য উপকারী।
তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। এটি খেতে খুবই সুস্বাদু। এতে প্রচুর পরিমাণ পানিও থাকে। যা অনেকটা ডাবের পানির মতো। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ফাইবার এবং খনিজ উপাদান থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানি এবং তালের শাঁসের গুণাগুণ একই রকমের। দুইটিই খোলসের ভিতরে থাকে। ডাবের পানির পুরোটাই তরল, অন্যদিকে তালের শাঁসে কিছুটা শক্ত অংশ থাকে।
মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতেও অনেক ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম তালের শাঁসে আছে জলীয় অংশ ৮৭ দশমিক ছয় গ্রাম, আমিষ শূন্য দশমিক আট গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক পাঁচ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ১০ দশমিক নয় গ্রাম, খাদ্য আঁশ এক গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন এক মিলিগ্রাম, থায়ামিন শূন্য দশমিক চার গ্রাম, রিবোফাভিন শূন্য দশমিক দুই মিলিগ্রাম, নিয়াসিন শূন্য দশমিক তিন মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি মিলিগ্রাম। এসব উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করাসহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে তালের শাঁস। প্রচণ্ড গরমে তালের কচি শাঁস এবং এর ভেতরের মিষ্টি পানি তৃষ্ণা মিটিয়ে শরীরে এনে দেয় আরামদায়ক অনুভূতি। এছাড়া এ সময় তাপমাত্রার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল পড়া ইত্যাদি রোধ করতে সাহায্য করে এটি। অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে যে পানি বেরিয়ে যায় তা পূরণ করতে সাহায্য করে তালের শাঁস।
পাকস্থলীর বিভিন্ন সমস্যা এবং হজমের সহায়ক হিসেবে প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে তালের শাঁস। এটা কোষ্টকাঠিন্য কমায় এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আলসার এবং এসিডিটি দূর করতেও সাহায্য করে এটি। গভর্বতী নারীদের হজমের জন্য এটি বেশ উপকারী।
ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় তালের শাঁস ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।
তালে শাঁসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। একই সাথে এটি ক্যানসারের মত মরণব্যাধি রোগ থেকে আমাদের বাঁচায়।
তালে শাঁসে আছে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বেশ কিছু উপকারী উপাদান। যা আমাদের চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও চোখের এলার্জিসহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমাতে তাল অনেক কার্যকরী। স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে, দাঁতের ক্ষয় রোধ করে, হাড়কে শক্তিশালী করে, রক্তশূন্যতা দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে, লিভারের সমস্যা দূর করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

“দশ টাকায় তিন চোখঁ”

আপডেট সময় : ০৫:২১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

দশ টাকায় তিন চোখঁ। মানুষের চোখঁ নয়। তালের চোখঁ। রাজশাহী অঞ্চলের সাধারন মানুষ তালের শাঁসকে তালের চোখঁ নামে চিনে। গ্রীষ্মের অন্যতম একটি আরামদায়ক ফল হচ্ছে কাঁচা তাল অর্থাৎ তালের শাঁস। তিব্র গরমে এর চাহিদা প্রচুর। দেশে গরমে কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার হিসেবে পরিচিত। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে দশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তালের তিন চোঁখ (শাঁস)। তিব্র তাপদাহের কারনে তালের চোঁখ (শাঁস) এর চাহিদা বেশী। সাধারন মানুষ তাপদাহ থেকে প্রশান্তি পেতে কিনে খাচ্ছে তালের চোখঁ।
তালের শাঁস খেতে অনেকটা নারকেলের মতই। কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, এর রয়েছে অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা। তালের ফল এবং বীজ দুইই বাঙালি খাদ্য। কাঁচা তালের শাঁস খুবই জনপ্রিয় একটি খাবার। পাম গোত্রের অন্যতম দীর্ঘ উদ্ভিদে পাওয়া যায়। বাংলাদেশের রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, ফরিদপুর, গাজীপুরে তালের ব্যাপক চাষ হলেও ফলটির আদি নিবাস আফ্রিকা।
তাল উদ্ভিদ প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা থেকে গাছকে রক্ষা ও ভূমির ক্ষয় রোধ করে। বহুকাল আগে এই দেশে তার আগমন। বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন বোরাসুস ফ্লাবেলিয়ার। খুবই ধীরে বাড়ে। দীর্ঘ হয়ে ফল দিতে সময় নেয় অন্তত দশ বছর। বসন্তের শেষে ফুল ধরে ফল হয়। তালের যে বীজও খাওয়া হয় তা তালের চোখঁ (তালশাঁস ) নামে বেশি পরিচিত। প্রতিটি তালে দুই থেকে তিনটি চোখঁ (শাঁস) হয়। গ্রীষ্মের সময় কচি অবস্থায় তালের শাঁস ব্যাপক চাহিদা থাকে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত।
গরমে তালের শাঁস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সেই সঙ্গে বাড়বে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। শুধু গ্রীষ্মকালেই বাজারে কচি তাল দেখতে পাওয়া যায়। এর নরম কচি শাঁস খেতে ছোট বড় সবাই পছন্দ করে।
উপজেলার পিরিজপুর মোড়ে দশ টাকায় তালের তিন চোখঁ (শাঁস) বিক্রি করছে ফারুক হোসেন। কথা হয় তালের শাঁস বিক্রেতা ফারুকের সাথে। সে বলে বিভিন্ন এলাকা থেকে ঠিকায় গাছে তাল কিনি। এক একটি গাছের তাল ৪ শ’ থেকে ৫শ’ টাকায় কিনতে হয়। এক একটি গাছে ৩ শ’ থেকে ৪শ’ তাল পাই।
এক প্রশ্নের জবাবে তালের চোখঁ বিক্রেতা ফারুক বলে, প্রতিদিন গড়ে ১২ শ’ থেকে ১৪ শ’ টাকার তালের চোখঁ বিক্রি হয়। এতে প্রতিদিন তার ৮ শ’ থেকে ৯ শ’ টাকা লাভ হয়। সে বলে এখন গরম বেশী হওয়ায় তালের চোখেঁর চাহিদা বেশী।
তালের চোখঁ কিনতে আসা ক্রেতা রানা বলে, প্রচন্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখাতে তালের চোখঁ কিনে খাচ্ছি। এছাড়াও পরিবারের জন্য নিয়ে যাচ্ছি।
এটা মৌসুমী ফল হলেও গরমে শরীরের জন্য উপকারী।
তালের শাঁসকে নারিকেলের মতই পুষ্টিকর বলে বিবেচনা করা হয়। এটি খেতে খুবই সুস্বাদু। এতে প্রচুর পরিমাণ পানিও থাকে। যা অনেকটা ডাবের পানির মতো। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ফাইবার এবং খনিজ উপাদান থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ডাবের পানি এবং তালের শাঁসের গুণাগুণ একই রকমের। দুইটিই খোলসের ভিতরে থাকে। ডাবের পানির পুরোটাই তরল, অন্যদিকে তালের শাঁসে কিছুটা শক্ত অংশ থাকে।
মিষ্টি স্বাদের কচি তালের শাঁস শুধু খেতেই সুস্বাদু নয় বরং পুষ্টিতেও অনেক ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম তালের শাঁসে আছে জলীয় অংশ ৮৭ দশমিক ছয় গ্রাম, আমিষ শূন্য দশমিক আট গ্রাম, ফ্যাট শূন্য দশমিক পাঁচ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ১০ দশমিক নয় গ্রাম, খাদ্য আঁশ এক গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন এক মিলিগ্রাম, থায়ামিন শূন্য দশমিক চার গ্রাম, রিবোফাভিন শূন্য দশমিক দুই মিলিগ্রাম, নিয়াসিন শূন্য দশমিক তিন মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি মিলিগ্রাম। এসব উপাদান আমাদের শরীরকে নানা রোগ থেকে রক্ষা করাসহ রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে তালের শাঁস। প্রচণ্ড গরমে তালের কচি শাঁস এবং এর ভেতরের মিষ্টি পানি তৃষ্ণা মিটিয়ে শরীরে এনে দেয় আরামদায়ক অনুভূতি। এছাড়া এ সময় তাপমাত্রার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চুল পড়া ইত্যাদি রোধ করতে সাহায্য করে এটি। অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে যে পানি বেরিয়ে যায় তা পূরণ করতে সাহায্য করে তালের শাঁস।
পাকস্থলীর বিভিন্ন সমস্যা এবং হজমের সহায়ক হিসেবে প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে তালের শাঁস। এটা কোষ্টকাঠিন্য কমায় এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আলসার এবং এসিডিটি দূর করতেও সাহায্য করে এটি। গভর্বতী নারীদের হজমের জন্য এটি বেশ উপকারী।
ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় তালের শাঁস ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি হৃদরোগ এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে।
তালে শাঁসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। একই সাথে এটি ক্যানসারের মত মরণব্যাধি রোগ থেকে আমাদের বাঁচায়।
তালে শাঁসে আছে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো বেশ কিছু উপকারী উপাদান। যা আমাদের চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এছাড়াও চোখের এলার্জিসহ অন্যান্য চোখের রোগের প্রকোপ কমাতে তাল অনেক কার্যকরী। স্মৃতিশক্তি ভালো রাখে, দাঁতের ক্ষয় রোধ করে, হাড়কে শক্তিশালী করে, রক্তশূন্যতা দূরীকরণে দারুণ ভূমিকা রাখে, লিভারের সমস্যা দূর করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করে থাকে।