ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাস লিক করে ১৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিষাক্ত নাইট্রেট অক্সাইড গ্যাস লিক করে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী এবং শিশু রয়েছে। গতকাল বুধবার জোহানেসবার্গের বোকসবার্গের একটি অনুমোদনহীন বসতিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সঙ্গে অবৈধ সোনার খনির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কারণ, অবৈধ খনি শ্রমিকরা বিষাক্ত নাইট্রেট অক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করে থাকেন। এটি স্থানীয়ভাবে ঝামা ঝামাস নামে পরিচিত। পরিত্যাক্ত খনি থেকে মাটি চুরি করে এনে— এই গ্যাসের মাধ্যমে মাটি থেকে সোনার ছোট ছোট দানা খুঁজে বের করা হয়।

বিষাক্ত এই গ্যাসের একটি সিলিন্ডার বোকসবার্গের ঘনবসতিপূর্ণ অ্যাঙ্গেলো সান্টে শহরে পাওয়া যায়। যেখানে গ্যাস লিকের ঘটনা ঘটে-সেই স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে নিহতদের পাওয়া যায়।

জরুরি পরিষেবা সংস্থার এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তবে তাদের আশঙ্কা, ওই এলাকা থেকে আরও মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে। আহত বা নিহতদের খুঁজে বের করতে রাতেও উদ্ধার অভিযান চলছিল।

এদিকে, ৬ মাস আগে জোহানেসবার্গেই একটি গ্যাস ট্যাংকার বিস্ফোরণ হয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আবারও গ্যাস দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাস লিক করে ১৬ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিষাক্ত নাইট্রেট অক্সাইড গ্যাস লিক করে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী এবং শিশু রয়েছে। গতকাল বুধবার জোহানেসবার্গের বোকসবার্গের একটি অনুমোদনহীন বসতিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সঙ্গে অবৈধ সোনার খনির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কারণ, অবৈধ খনি শ্রমিকরা বিষাক্ত নাইট্রেট অক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করে থাকেন। এটি স্থানীয়ভাবে ঝামা ঝামাস নামে পরিচিত। পরিত্যাক্ত খনি থেকে মাটি চুরি করে এনে— এই গ্যাসের মাধ্যমে মাটি থেকে সোনার ছোট ছোট দানা খুঁজে বের করা হয়।

বিষাক্ত এই গ্যাসের একটি সিলিন্ডার বোকসবার্গের ঘনবসতিপূর্ণ অ্যাঙ্গেলো সান্টে শহরে পাওয়া যায়। যেখানে গ্যাস লিকের ঘটনা ঘটে-সেই স্থানের ১০০ মিটারের মধ্যে নিহতদের পাওয়া যায়।

জরুরি পরিষেবা সংস্থার এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তবে তাদের আশঙ্কা, ওই এলাকা থেকে আরও মৃতদেহ পাওয়া যেতে পারে। আহত বা নিহতদের খুঁজে বের করতে রাতেও উদ্ধার অভিযান চলছিল।

এদিকে, ৬ মাস আগে জোহানেসবার্গেই একটি গ্যাস ট্যাংকার বিস্ফোরণ হয়ে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে আবারও গ্যাস দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটল।