ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

তুরাগ তীরে আসছেন মুসল্লিরা

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ ১৪ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরুর বাকি আর মাত্র এক দিন। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা। কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থায় মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গণজমায়েত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সবধরনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ইজতেমা ময়দানের পুরো প্রস্তুতি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। শীত উপেক্ষা করে ময়দানে আসছেন দেশি-বিদেশি মুসল্লিরা।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা গেছে, ইজতেমা ময়দানে ১৬০ একর জমিতে শামিয়ানা টাঙানো প্রায় সম্পন্ন। বুধবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন। মাঠে জেলাওয়ারি বিভক্ত খিত্তায় উঠেছেন তারা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, টয়লেট ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তায় মাঠের ভেতরে ও বাইরে ১৫ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া দুই শতাধিক সিসিটিভি, ১৪টি ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে পুরো মাঠ পর্যবেক্ষণ করা হবে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ময়দানে তাদের অবস্থান জোরদার করতে শুরু করেছেন।

তবে ময়দানের পূর্ব অংশে বড় জায়গাজুড়ে শামিয়ানা নেই। শুধু বাঁশ দিয়ে কাঠামো তৈরি করে রাখা হয়েছে। খিত্তাওয়ারি দেশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা নিজ উদ্যোগে চট এনে শামিয়ানা টানাতে দেখা গেছে। অবশ্য আগেই আয়োজকদের পক্ষ থেকে চট সঙ্গে করে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল।

মুসল্লিরা বলেছেন, শামিয়ানার অভাবে অনেকেই খোলা মাঠে অবস্থান নিয়েছেন। এতে শীতে তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। তবে শীতের প্রকোপ ও চটের সংকট থাকলেও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় মুসল্লিরা তা হাসিমুখে মেনে নিচ্ছেন।

নরসিংদীর স্থানীয় একটি মসজিদের ২৭ জনের তাবলিগ জামাত দলের সঙ্গে ইজতেমা ময়দানে এসেছেন আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, আল্লাহর রাস্তায় তিন চিল্লা দিয়ে এখন ইজতেমা ময়দানে এসেছি। আমাদের মতো অনেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছেন। সময় যত ঘনিয়ে আসবে ভিড় ততই বাড়বে।

ইজতেমার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন। তবে তুরাগ নদের অপর প্রান্তে একটি রাস্তা স্থানীয় লোকজন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রেখেছে। আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। এটি সমাধান হলে লাখ লাখ মুসল্লির যাতায়াত সহজ হবে।

নিরাপত্তা নিয়ে র‌্যাব, পুলিশের ব্রিফিং

ইজতেমা নিয়ে নিরাপত্তা ও মুসল্লিদের সুবিধায় গৃহীত ব্যবস্থা নিয়ে আলাদা সংবাদ ব্রিফিং করছেন পুলিশ ও র‌্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাবের কন্ট্রোল রুমে ব্রিফিং করেন বাহিনীর মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, ইজতেমায় কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা আশঙ্কা নেই। আমরা এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছি। আমরা আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার পেট্টোলিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি।

মহাপরিচালক বলেন, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের আগমন ঘটে। এ বছরও প্রায় দুই ধাপে তিন দিন করে মোট ছয় দিন ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্র, ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার, গুজব রোধে র‌্যাবের সাইবার উইং টিম অনলাইনে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। আসন্ন ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করতে কোনো ব্যক্তি স্বার্থ গোষ্ঠী মহলের অপচেষ্টা, অপপ্রচার কঠোর হাতে দমন করা হবে। আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা সফল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিসহ দেশের সবার আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।

এরপর বেলা ১১টার পরে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ব্রিফিং করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। এসময় জনসাধারণকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক কোনো পোস্ট বা ছবি আপলোড করে কেউ যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পেরে সেজন্য আমাদের সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার পেট্টোলিং জোরদার করা হয়েছে। ইজতেমার আগত মুসল্লিরা গমনাগমন স্বাভাবিক রাখার জন্য আমরা বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

আইজিপি বলেন, বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকটি মিটিং করেছেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টারে আমরা মিটিং করেছি, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারও মিটিং করেছেন, জেলা প্রশাসক মিটিং করেছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশও তাদের মিটিং করেছে। ইজতেমাস্থলে যেকোনো সমস্যা হলে আপনারা এলাকাভিত্তিক ঢাকামহানগরের হলে ঢাকা মহানগর পুলিশের কন্ট্রোল রুম, গাজীপুর মহানগরের হলে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কন্ট্রোল রুম, র‌্যাবের কন্ট্রোল রুমে, রেলওয়ে কন্ট্রেল পুলিশসহ বিভিন্ন ইউনিটের রুম অপনারা সকলে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া নিকটস্থ থানায়ও জানাতে পারেন। সর্বোপরি আপনাদের কিছুই মনে না থাকলে ৯৯৯-এ ফোন করে দেবেন।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, এবারে ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রটের একাধিক টিম কাজ করবে। সুত্রঃ ঢাকা মেইল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তুরাগ তীরে আসছেন মুসল্লিরা

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বিশ্ব ইজতেমা শুরুর বাকি আর মাত্র এক দিন। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা। কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থায় মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গণজমায়েত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সবধরনের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ইজতেমা ময়দানের পুরো প্রস্তুতি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। শীত উপেক্ষা করে ময়দানে আসছেন দেশি-বিদেশি মুসল্লিরা।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা গেছে, ইজতেমা ময়দানে ১৬০ একর জমিতে শামিয়ানা টাঙানো প্রায় সম্পন্ন। বুধবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকার মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন। মাঠে জেলাওয়ারি বিভক্ত খিত্তায় উঠেছেন তারা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, টয়লেট ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুসল্লিদের নিরাপত্তায় মাঠের ভেতরে ও বাইরে ১৫ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া দুই শতাধিক সিসিটিভি, ১৪টি ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে পুরো মাঠ পর্যবেক্ষণ করা হবে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ময়দানে তাদের অবস্থান জোরদার করতে শুরু করেছেন।

তবে ময়দানের পূর্ব অংশে বড় জায়গাজুড়ে শামিয়ানা নেই। শুধু বাঁশ দিয়ে কাঠামো তৈরি করে রাখা হয়েছে। খিত্তাওয়ারি দেশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা নিজ উদ্যোগে চট এনে শামিয়ানা টানাতে দেখা গেছে। অবশ্য আগেই আয়োজকদের পক্ষ থেকে চট সঙ্গে করে নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল।

মুসল্লিরা বলেছেন, শামিয়ানার অভাবে অনেকেই খোলা মাঠে অবস্থান নিয়েছেন। এতে শীতে তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। তবে শীতের প্রকোপ ও চটের সংকট থাকলেও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় মুসল্লিরা তা হাসিমুখে মেনে নিচ্ছেন।

নরসিংদীর স্থানীয় একটি মসজিদের ২৭ জনের তাবলিগ জামাত দলের সঙ্গে ইজতেমা ময়দানে এসেছেন আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, আল্লাহর রাস্তায় তিন চিল্লা দিয়ে এখন ইজতেমা ময়দানে এসেছি। আমাদের মতো অনেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছেন। সময় যত ঘনিয়ে আসবে ভিড় ততই বাড়বে।

ইজতেমার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন। তবে তুরাগ নদের অপর প্রান্তে একটি রাস্তা স্থানীয় লোকজন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রেখেছে। আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। এটি সমাধান হলে লাখ লাখ মুসল্লির যাতায়াত সহজ হবে।

নিরাপত্তা নিয়ে র‌্যাব, পুলিশের ব্রিফিং

ইজতেমা নিয়ে নিরাপত্তা ও মুসল্লিদের সুবিধায় গৃহীত ব্যবস্থা নিয়ে আলাদা সংবাদ ব্রিফিং করছেন পুলিশ ও র‌্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সকাল সাড়ে ১০টায় র‌্যাবের কন্ট্রোল রুমে ব্রিফিং করেন বাহিনীর মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, ইজতেমায় কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা আশঙ্কা নেই। আমরা এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছি। আমরা আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার পেট্টোলিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছি।

মহাপরিচালক বলেন, টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের আগমন ঘটে। এ বছরও প্রায় দুই ধাপে তিন দিন করে মোট ছয় দিন ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্র, ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার, গুজব রোধে র‌্যাবের সাইবার উইং টিম অনলাইনে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। আসন্ন ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করতে কোনো ব্যক্তি স্বার্থ গোষ্ঠী মহলের অপচেষ্টা, অপপ্রচার কঠোর হাতে দমন করা হবে। আসন্ন বিশ্ব ইজতেমা সফল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিসহ দেশের সবার আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।

এরপর বেলা ১১টার পরে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ব্রিফিং করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। এসময় জনসাধারণকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গুজবে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক কোনো পোস্ট বা ছবি আপলোড করে কেউ যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পেরে সেজন্য আমাদের সাইবার মনিটরিং এবং সাইবার পেট্টোলিং জোরদার করা হয়েছে। ইজতেমার আগত মুসল্লিরা গমনাগমন স্বাভাবিক রাখার জন্য আমরা বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

আইজিপি বলেন, বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকটি মিটিং করেছেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টারে আমরা মিটিং করেছি, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারও মিটিং করেছেন, জেলা প্রশাসক মিটিং করেছেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশও তাদের মিটিং করেছে। ইজতেমাস্থলে যেকোনো সমস্যা হলে আপনারা এলাকাভিত্তিক ঢাকামহানগরের হলে ঢাকা মহানগর পুলিশের কন্ট্রোল রুম, গাজীপুর মহানগরের হলে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কন্ট্রোল রুম, র‌্যাবের কন্ট্রোল রুমে, রেলওয়ে কন্ট্রেল পুলিশসহ বিভিন্ন ইউনিটের রুম অপনারা সকলে জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া নিকটস্থ থানায়ও জানাতে পারেন। সর্বোপরি আপনাদের কিছুই মনে না থাকলে ৯৯৯-এ ফোন করে দেবেন।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, এবারে ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রটের একাধিক টিম কাজ করবে। সুত্রঃ ঢাকা মেইল