ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে জলবায়ু সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পাঁচ দিনের সফরে ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল।

রোববার (৫ মার্চ) সকালেই তাদের ঢাকায় নামার কথা রয়েছে।

সফরসূচির তথ্যানুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত অবস্থানকালে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়ামিন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জাতীয় হিসাব শাখার পরিচালক জিয়া উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে অথবা তাদের মনোনীত প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা বলেছে, আইএমএফের মনিটারি অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট (এমসিএম) ডিপার্টমেন্ট ৫-৯ মার্চ বাংলাদেশে একটি মিশন প্রস্তাব করছে।

চলমান ডলার সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ আইএমএফ থেকে যে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিচ্ছে তার মধ্যে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় দেওয়া হচ্ছে। আরএসএফ সুবিধা থেকে ঋণ পাওয়া প্রথম এশীয় দেশ বাংলাদেশ। ঋণের শর্ত অনুযায়ী, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আগামী বাজেটে বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

আইএমএফের এমসিএম বিভাগের অর্থনীতিবিদ এজেন্স ক্যারেলার নেতৃত্বে এই মিশন বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে ভৌত জলবায়ু ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য একটি কাঠামো তৈরি করতে সাহায্য করবে।

কৃষি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ—এসব মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে যেসব জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তাঁদের এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা স্থাপনে সহায়তা করবে মিশনটি।

বর্তমানে জলবায়ু সম্পর্কিত বার্ষিক সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ জিডিপির ১ শতাংশের কম। কিন্তু আগামী ১৫ বছরে এই খাতে ব্যয় ৩ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশে উন্নীত করতে হবে বিধায়, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের বেশ বড় অর্থায়ন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে আইএমএফ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

আপডেট সময় : ০৯:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মার্চ ২০২৩

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে জলবায়ু সম্পর্কিত ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে পাঁচ দিনের সফরে ঢাকায় আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল।

রোববার (৫ মার্চ) সকালেই তাদের ঢাকায় নামার কথা রয়েছে।

সফরসূচির তথ্যানুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত অবস্থানকালে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়ামিন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জাতীয় হিসাব শাখার পরিচালক জিয়া উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে অথবা তাদের মনোনীত প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা বলেছে, আইএমএফের মনিটারি অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট (এমসিএম) ডিপার্টমেন্ট ৫-৯ মার্চ বাংলাদেশে একটি মিশন প্রস্তাব করছে।

চলমান ডলার সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ আইএমএফ থেকে যে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিচ্ছে তার মধ্যে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় দেওয়া হচ্ছে। আরএসএফ সুবিধা থেকে ঋণ পাওয়া প্রথম এশীয় দেশ বাংলাদেশ। ঋণের শর্ত অনুযায়ী, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আগামী বাজেটে বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।

আইএমএফের এমসিএম বিভাগের অর্থনীতিবিদ এজেন্স ক্যারেলার নেতৃত্বে এই মিশন বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে ভৌত জলবায়ু ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য একটি কাঠামো তৈরি করতে সাহায্য করবে।

কৃষি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ—এসব মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে যেসব জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তাঁদের এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা স্থাপনে সহায়তা করবে মিশনটি।

বর্তমানে জলবায়ু সম্পর্কিত বার্ষিক সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ জিডিপির ১ শতাংশের কম। কিন্তু আগামী ১৫ বছরে এই খাতে ব্যয় ৩ শতাংশ থেকে ৪ শতাংশে উন্নীত করতে হবে বিধায়, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের বেশ বড় অর্থায়ন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে আইএমএফ।