ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে হিমাগারে আলুতে পচন, ক্ষতিপূরণ দাবি

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪ ২৬ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটের কালাইয়ে হিমাগারের আলুতে পচন ধরেছে। এর ফলে লোকসানে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বাধ্য হয়ে হিমাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তারা।

কালাই উপজেলার উদয়পুরে একই মালিকের দুটি হিমাগার মান্নান অ্যান্ড সন্স বীজ হিমাগার এবং মুসলিমগঞ্জ মান্নান বীজ হিমাগারে রোমানা জাতের আলু ৩০ হাজার বস্তা পচা ও দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের তাদের পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত আলু বের করে দিচ্ছে। বস্তা খুলে দেখা যায় ৬০ থেকে ৬৫ কেজি ওজনের মধ্যে প্রায় ৩০ কেজি আলু পচে গেছে। বাজারে ৬০ কেজি আলুর দাম ২৫শ টাকা সেখানে হিমাগারে শেডে পাইকারি বিক্রি করছে এক হাজার থেকে ১২শ টাকা। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের প্রতি বস্তায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ১৩শ থেকে ১৫শ টাকা।

হিমাগারে আলু বাছাইকারী নারী শ্রমিক দেলোয়ারা বেগম, ফিরোজা, রওশন আরা জানান, প্রতি বস্তায় ৬০ থেকে ৬৫ কেজি আলুর ৩০ কেজি পচে গেছে।

সানাইপুকুর গ্রামের খায়রল ইসলাম বলেন, নষ্ট আলু নিতে গেলে ক্ষতিপূরণ তো দেয়া্ হয় না। বরং বস্তাপ্রতি ৩৪০ টাকা ভাড়া দিতে হচ্ছে।

হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, হিমাগারে নিয়ে আসা আলুতে মাটি লেগে থাকায় পচন ধরেছে। রোমানা জাতের আলু ছাড়া অন্য কোনো জাতের আলুতে পচন ধরেনি।

কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অরুণ চন্দ্র রায় এ বিষয়ে জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হায়াতও বললেন একই কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জয়পুরহাটে হিমাগারে আলুতে পচন, ক্ষতিপূরণ দাবি

আপডেট সময় : ০৪:১৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০২৪

জয়পুরহাটের কালাইয়ে হিমাগারের আলুতে পচন ধরেছে। এর ফলে লোকসানে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বাধ্য হয়ে হিমাগার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তারা।

কালাই উপজেলার উদয়পুরে একই মালিকের দুটি হিমাগার মান্নান অ্যান্ড সন্স বীজ হিমাগার এবং মুসলিমগঞ্জ মান্নান বীজ হিমাগারে রোমানা জাতের আলু ৩০ হাজার বস্তা পচা ও দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের তাদের পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত আলু বের করে দিচ্ছে। বস্তা খুলে দেখা যায় ৬০ থেকে ৬৫ কেজি ওজনের মধ্যে প্রায় ৩০ কেজি আলু পচে গেছে। বাজারে ৬০ কেজি আলুর দাম ২৫শ টাকা সেখানে হিমাগারে শেডে পাইকারি বিক্রি করছে এক হাজার থেকে ১২শ টাকা। এতে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের প্রতি বস্তায় লোকসান গুনতে হচ্ছে ১৩শ থেকে ১৫শ টাকা।

হিমাগারে আলু বাছাইকারী নারী শ্রমিক দেলোয়ারা বেগম, ফিরোজা, রওশন আরা জানান, প্রতি বস্তায় ৬০ থেকে ৬৫ কেজি আলুর ৩০ কেজি পচে গেছে।

সানাইপুকুর গ্রামের খায়রল ইসলাম বলেন, নষ্ট আলু নিতে গেলে ক্ষতিপূরণ তো দেয়া্ হয় না। বরং বস্তাপ্রতি ৩৪০ টাকা ভাড়া দিতে হচ্ছে।

হিমাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, হিমাগারে নিয়ে আসা আলুতে মাটি লেগে থাকায় পচন ধরেছে। রোমানা জাতের আলু ছাড়া অন্য কোনো জাতের আলুতে পচন ধরেনি।

কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অরুণ চন্দ্র রায় এ বিষয়ে জানান, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হায়াতও বললেন একই কথা।