ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় দাম নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪ ৩২ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সংক্রান্ত ১০টি বিবেচ্য বিষয় দিয়ে হিসাব-নিকাশ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিনের মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

চলতি মার্চ থেকেই জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করতে হবে। এরপর নতুন সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যেসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে, সেগুলো হলো-

ডিজেল-কেরোসিনের স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় মূল্য = পণ্য মূল্য+আমদানি শুল্ক, অগ্রিম আয়কর ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট+অপারেশনাল ব্যয়+আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়+বিপিসির মার্জিন+ভ্যাট+বিক্রয় ও বিতরণ খরচ।

অকটেনের স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় মূল্য = পণ্য মূল্য+আমদানি শুল্ক, অগ্রিম আয়কর ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট+অপারেশনাল ব্যয়+আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়+বিপিসির মার্জিন+আলফা+ভ্যাট+ বিতরণ খরচ।

স্বয়ংক্রিয় মূল্য কাঠামো বলতে পূর্ববর্তী মাসের বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চলমান গড়ের ভিত্তিতে জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যয়, সংশ্লিষ্ট সময়ের ডলারের গড় বিনিময় হার, শুল্ক-কর, বিপিসির মার্জিন ও আনুষঙ্গিক ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্য ঠিক করা হবে।

আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য: আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য বলতে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালে প্রকাশিত মিন অব প্ল্যাটস অ্যারাব গালফ অনুযায়ী বিপিসির আমদানি করা বিভিন্ন গ্রেডের জ্বালানি তেলের মূল্যকে বোঝাবে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ব্যবহৃত ক্রুড অয়েলের মূল্যকে বোঝাবে।

চলমান গড় মূল্য: চলমান গড় মূল্য বলতে আমদানি করা পরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের প্রতিদিনের প্লাটস-এ প্রকাশিত মূল্যের চলমান গড়কে বুঝাবে। তবে যেসব পণ্য ইস্টার্ন রিফাইনারিতে উৎপাদিত হয়, সেসব ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে ইআরলে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় মূল্যের ভিত্তিতে নিরূপিত মূল্যকে ধরা হবে।

প্রিমিয়াম: পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির মূল্য ছাড়া অন্যান্য ব্যয়। যেমন: জাহাজ ভাড়া, ইন্স্যুরেন্স, সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর মার্জিনের সমন্বিত ব্যয়কে প্রিমিয়াম ধরা হবে।

অপারেশনাল ব্যয়: আমদানি করা জ্বালানি তেল জাহাজযোগে লোড পোর্ট থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন, খালাস, মজুদ ও সরবরাহের লক্ষ্যে সৃষ্ট ব্যয় অর্থাৎ হ্যান্ডলিং কমিশন, রিভার ডিউস, সার্ভে ফি, এলসি কমিশন, ওশান লস/ট্রানজিট লস, ক্রুড অয়েলের ক্ষেত্রে প্রসেসিং খরচ ইত্যাদি ব্যয়ের সমষ্টিকে অপারেশনাল ব্যয় বুঝাবে।

আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়: জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয়িত অর্থের ইন্টারেস্ট, প্রশাসনিক ব্যয় ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন/ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের সমষ্টিকে বুঝাবে।

ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর: জ্বালানি তেলের খুচরা বিক্রয় মূল্যের ওপর ব্যবসায়ী পর্যায়ে পরিশোধিত মূসককে বুঝাবে।

ফ্রেইটপুল: ফ্রেইটপুল বলতে চট্টগ্রাম প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশে ডিপোগুলোতে জ্বালানি তেল পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত পরিবহণ ভাড়ার পুলকে বুঝাবে।

ডিলার/এজেন্টস কমিশন ও পরিবহন: জ্বালানি তেল বিপণনের ক্ষেত্রে পেট্রোল পাম্প ডিলার/এজেন্টকে খুচরা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য লিটার প্রতি যে কমিশন দেওয়া হবে।

উন্নয়ন তহবিল: জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে জ্বালানি তেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত প্রকল্পের ব্যয়িত অর্থ রিকভারি এবং বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পের আর্থিক সংস্থানের জন্য সংগৃহীত তহবিল।

কোম্পানি মার্জিন: সারাদেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রয়ের জন্য তেল বিপণন কোম্পানিগুলোকে লিটার প্রতি প্রদত্ত মার্জিন।

এছাড়াও সাধারণ শর্ত হিসেবে রয়েছে, জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মাসের বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের গড় মূল্য বিবেচনায় নিতে হবে। যেমন- এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে জ্বালানি তেলের মূল্য কার্যকর করার ক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ থেকে মার্চ মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ পূর্ববর্তী এক মাসের সুবিধাজনক সময় বিবেচনায় নিতে হবে। ক্রুড অয়েলের ক্ষেত্রে উল্লিখিত সময়ের পার্সেলের মূল্য বা উক্ত সময়ের একাধিক পার্সেলের গড় মূল্য বিবেচিত হবে; তবে উক্ত সময়ের মধ্যে ক্রুড অয়েলের কোনো পার্সেল না আসলে তৎপূর্ববর্তী সময়ের পার্সেল বিবেচনা করা যাবে।

ফর্মুলায় পরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম হিসেবে প্রতি ছয় মাসের জন্য প্রকাশিত জিটুজি ও টেন্ডারের প্রিমিয়ামের গড় বিবেচনায় নিতে হবে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড অয়েল) জন্য বিপিসি কর্তৃক আমদানিকৃত ক্রুড অয়েলের জাহাজ ভাড়া, লাইটারেজ এবং ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদি ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যের অস্বাভাবিক হ্রাস/বৃদ্ধিজনিত কারণে জনদুর্ভোগ কমাতে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সহনীয় ও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নির্ধারণে সরকার বিপণন কোম্পানি/বিপিসির মার্জিন সমন্বয় করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন…

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় দাম নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি

আপডেট সময় : ০৬:২৫:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সংক্রান্ত ১০টি বিবেচ্য বিষয় দিয়ে হিসাব-নিকাশ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিনের মূল্য নির্ধারণের নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

চলতি মার্চ থেকেই জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করতে হবে। এরপর নতুন সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত প্রতি মাসেই জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় যেসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে, সেগুলো হলো-

ডিজেল-কেরোসিনের স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় মূল্য = পণ্য মূল্য+আমদানি শুল্ক, অগ্রিম আয়কর ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট+অপারেশনাল ব্যয়+আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়+বিপিসির মার্জিন+ভ্যাট+বিক্রয় ও বিতরণ খরচ।

অকটেনের স্বয়ংক্রিয় বিক্রয় মূল্য = পণ্য মূল্য+আমদানি শুল্ক, অগ্রিম আয়কর ও আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট+অপারেশনাল ব্যয়+আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়+বিপিসির মার্জিন+আলফা+ভ্যাট+ বিতরণ খরচ।

স্বয়ংক্রিয় মূল্য কাঠামো বলতে পূর্ববর্তী মাসের বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের চলমান গড়ের ভিত্তিতে জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যয়, সংশ্লিষ্ট সময়ের ডলারের গড় বিনিময় হার, শুল্ক-কর, বিপিসির মার্জিন ও আনুষঙ্গিক ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্য ঠিক করা হবে।

আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য: আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য বলতে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালে প্রকাশিত মিন অব প্ল্যাটস অ্যারাব গালফ অনুযায়ী বিপিসির আমদানি করা বিভিন্ন গ্রেডের জ্বালানি তেলের মূল্যকে বোঝাবে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ব্যবহৃত ক্রুড অয়েলের মূল্যকে বোঝাবে।

চলমান গড় মূল্য: চলমান গড় মূল্য বলতে আমদানি করা পরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের প্রতিদিনের প্লাটস-এ প্রকাশিত মূল্যের চলমান গড়কে বুঝাবে। তবে যেসব পণ্য ইস্টার্ন রিফাইনারিতে উৎপাদিত হয়, সেসব ক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে ইআরলে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পরিশোধিত জ্বালানি তেলের গড় মূল্যের ভিত্তিতে নিরূপিত মূল্যকে ধরা হবে।

প্রিমিয়াম: পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির মূল্য ছাড়া অন্যান্য ব্যয়। যেমন: জাহাজ ভাড়া, ইন্স্যুরেন্স, সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর মার্জিনের সমন্বিত ব্যয়কে প্রিমিয়াম ধরা হবে।

অপারেশনাল ব্যয়: আমদানি করা জ্বালানি তেল জাহাজযোগে লোড পোর্ট থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আগমন, খালাস, মজুদ ও সরবরাহের লক্ষ্যে সৃষ্ট ব্যয় অর্থাৎ হ্যান্ডলিং কমিশন, রিভার ডিউস, সার্ভে ফি, এলসি কমিশন, ওশান লস/ট্রানজিট লস, ক্রুড অয়েলের ক্ষেত্রে প্রসেসিং খরচ ইত্যাদি ব্যয়ের সমষ্টিকে অপারেশনাল ব্যয় বুঝাবে।

আর্থিক, প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়: জ্বালানি তেল আমদানিতে ব্যয়িত অর্থের ইন্টারেস্ট, প্রশাসনিক ব্যয় ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন/ রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের সমষ্টিকে বুঝাবে।

ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর: জ্বালানি তেলের খুচরা বিক্রয় মূল্যের ওপর ব্যবসায়ী পর্যায়ে পরিশোধিত মূসককে বুঝাবে।

ফ্রেইটপুল: ফ্রেইটপুল বলতে চট্টগ্রাম প্রধান স্থাপনা থেকে সারাদেশে ডিপোগুলোতে জ্বালানি তেল পরিবহণের জন্য ব্যবহৃত পরিবহণ ভাড়ার পুলকে বুঝাবে।

ডিলার/এজেন্টস কমিশন ও পরিবহন: জ্বালানি তেল বিপণনের ক্ষেত্রে পেট্রোল পাম্প ডিলার/এজেন্টকে খুচরা পর্যায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির জন্য লিটার প্রতি যে কমিশন দেওয়া হবে।

উন্নয়ন তহবিল: জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে জ্বালানি তেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত প্রকল্পের ব্যয়িত অর্থ রিকভারি এবং বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পের আর্থিক সংস্থানের জন্য সংগৃহীত তহবিল।

কোম্পানি মার্জিন: সারাদেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রয়ের জন্য তেল বিপণন কোম্পানিগুলোকে লিটার প্রতি প্রদত্ত মার্জিন।

এছাড়াও সাধারণ শর্ত হিসেবে রয়েছে, জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী মাসের বা একটি নির্দিষ্ট সময়ের গড় মূল্য বিবেচনায় নিতে হবে। যেমন- এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে জ্বালানি তেলের মূল্য কার্যকর করার ক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ থেকে মার্চ মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ পূর্ববর্তী এক মাসের সুবিধাজনক সময় বিবেচনায় নিতে হবে। ক্রুড অয়েলের ক্ষেত্রে উল্লিখিত সময়ের পার্সেলের মূল্য বা উক্ত সময়ের একাধিক পার্সেলের গড় মূল্য বিবেচিত হবে; তবে উক্ত সময়ের মধ্যে ক্রুড অয়েলের কোনো পার্সেল না আসলে তৎপূর্ববর্তী সময়ের পার্সেল বিবেচনা করা যাবে।

ফর্মুলায় পরিশোধিত জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম হিসেবে প্রতি ছয় মাসের জন্য প্রকাশিত জিটুজি ও টেন্ডারের প্রিমিয়ামের গড় বিবেচনায় নিতে হবে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড অয়েল) জন্য বিপিসি কর্তৃক আমদানিকৃত ক্রুড অয়েলের জাহাজ ভাড়া, লাইটারেজ এবং ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদি ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যের অস্বাভাবিক হ্রাস/বৃদ্ধিজনিত কারণে জনদুর্ভোগ কমাতে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সহনীয় ও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় নির্ধারণে সরকার বিপণন কোম্পানি/বিপিসির মার্জিন সমন্বয় করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন…