ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে ধানের দামে হতাশ কৃষক

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

জয়পুরহাটে ধানের বাজার নিম্নমুখী হলে ও চাউলের দাম বেশি। এক সপ্তাহ আগেও ধান যে দামে বিক্রি হচ্ছিল তা থেকে মণপ্রতি ২০০-২৫০ টাকা কমেছে। সেচ খরচ, সার ও কীটনাশকের মূল্যবৃদ্ধি, শ্রমিক সংকটের মধ্যেও ধানের ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল, বড়ইতলী, দুর্গাদহ পাকার মাথা ও কালাই শহরের পাঁচশিরা বাজারে প্রতিদিনই ধান কেনা বেচা হয়। এসব বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৮ ধান ১ হাজার ৫০ টাকা , কাটারি ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা, জিরা ধান ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ ও সুফলতা ধান ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে ধানের দাম মণপ্রতি ২০০-২৫০ টাকা কমেছে।

পুরানাপৈল বাজারে ধান বিক্রি করতে আসা কয়েকজন কুষক বলেন, ‘সার ও কীটনাশকের দাম এমনিতেই বেশি। উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় আমরা যদি ধানের ন্যায্য দাম না পাই তাহলে কোথায় যাবো? আমরা কৃষকরা কী করবো?’

বড়ইতলীর ধান ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘গত মৌসুমের ধান-চাল এখনো মজুত থেকে গেছে। মিলাররাও এখনো নতুন ধান কেনা শুরু করেননি। এজন্য ধানের বাজার নিম্নমুখী।’

এদিকে জযপুরহাট শহরের পুর্ব বাজার মাছুয়া বাজার আমতলি পাইকারী চাউলের দোকানে সরজমিন ঘুরে দেখা যায় ২৮, চাউল,৫৫থেকে ৬০জিরা ৬০,থেকে ৬৫কাটারি৫০থেকে ৫৫টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রতন কুমার রায় বলেন, ‘ধানের দাম কমে যাওয়ার কারণ হলো উৎপাদন বেড়েছে। এছাড়া মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হওয়ায় ধান পুরো না পাকতেই কৃষকরা কেটে ফেলছেন। এসব ধানের দাম কম পাওয়া যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধানের বাজারে কিছুটা সিন্ডিকেটও কাজ করে। তবে আমাদের বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।’

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জয়পুরহাটের পাঁচটি উপজেলায় এবার ৬৯ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার মেট্রিক টন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জয়পুরহাটে ধানের দামে হতাশ কৃষক

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

জয়পুরহাটে ধানের বাজার নিম্নমুখী হলে ও চাউলের দাম বেশি। এক সপ্তাহ আগেও ধান যে দামে বিক্রি হচ্ছিল তা থেকে মণপ্রতি ২০০-২৫০ টাকা কমেছে। সেচ খরচ, সার ও কীটনাশকের মূল্যবৃদ্ধি, শ্রমিক সংকটের মধ্যেও ধানের ন্যায্য দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার পুরানাপৈল, বড়ইতলী, দুর্গাদহ পাকার মাথা ও কালাই শহরের পাঁচশিরা বাজারে প্রতিদিনই ধান কেনা বেচা হয়। এসব বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৮ ধান ১ হাজার ৫০ টাকা , কাটারি ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা, জিরা ধান ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ ও সুফলতা ধান ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে ধানের দাম মণপ্রতি ২০০-২৫০ টাকা কমেছে।

পুরানাপৈল বাজারে ধান বিক্রি করতে আসা কয়েকজন কুষক বলেন, ‘সার ও কীটনাশকের দাম এমনিতেই বেশি। উচ্চ মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় আমরা যদি ধানের ন্যায্য দাম না পাই তাহলে কোথায় যাবো? আমরা কৃষকরা কী করবো?’

বড়ইতলীর ধান ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘গত মৌসুমের ধান-চাল এখনো মজুত থেকে গেছে। মিলাররাও এখনো নতুন ধান কেনা শুরু করেননি। এজন্য ধানের বাজার নিম্নমুখী।’

এদিকে জযপুরহাট শহরের পুর্ব বাজার মাছুয়া বাজার আমতলি পাইকারী চাউলের দোকানে সরজমিন ঘুরে দেখা যায় ২৮, চাউল,৫৫থেকে ৬০জিরা ৬০,থেকে ৬৫কাটারি৫০থেকে ৫৫টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রতন কুমার রায় বলেন, ‘ধানের দাম কমে যাওয়ার কারণ হলো উৎপাদন বেড়েছে। এছাড়া মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হওয়ায় ধান পুরো না পাকতেই কৃষকরা কেটে ফেলছেন। এসব ধানের দাম কম পাওয়া যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ধানের বাজারে কিছুটা সিন্ডিকেটও কাজ করে। তবে আমাদের বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।’

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জয়পুরহাটের পাঁচটি উপজেলায় এবার ৬৯ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার মেট্রিক টন।