ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়ার বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২০৯ বার পড়া হয়েছে

ফাগুনের আনন্দে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়ার বার্ষিক বনভোজন। সতেরো ফেব্রুয়ারি চার ফাগুন শুক্রবার নাটোরের গ্রীণভ্যালী পার্কের পারিজাত স্পটের মঞ্চ নেচে উঠেছিল আনন্দের মহা উল্লাসে।গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাগঞ্জ এরিয়ার তিনশত ছুইছুই কর্মকর্তা,কর্মচারীর উপস্থিতিতে বনভোজন ছিলো পুরোটায় জাকজমকপূর্ণ। পরিবেশ ছিলো শান্তময়। তবে উল্লাস ছিলো বাধ ভাঙা। আনন্দের শুরু সকাল ছয়টায় আর সমাপ্তি রাত আটটায়। বনভোজনের যোগাযোগ ছিলো বাস যোগ। অনুষ্ঠানে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী সহ উপস্থিত ছিলেন সকলের পরিবারের সদস্যরাও। মনে হচ্ছিলো এটা যেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি মিলন মেলা। মুরুব্বি, আধা মুরুব্বি, কিশোর -কিশোরী,তরুণ – তরুণী সবাই যেন ভেসে গিয়েছিলো সীমাহীন আনন্দের আনন্দ বন্যায়। কোথাও অপূর্ণতা লক্ষ্য করা যায়নি। যার যেই দায়িত্ব ছিলো পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে।

 

বনভোজনের আকর্ষণের একটি ছিলো পুরুষ,মহিলা ও কিশোর কিশোরীদের বিভিন্নরকমের খেলাধুলা। সকালের নাস্তা ছিলো তৃপ্তিময় এবং দুপুরের খাবারও ছিলো অতুলনীয় স্বাদের। সরিজমিনে দ্যাখা যায় এইসব হৃদয় ছোঁয়া অনুপম দৃশ্য। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেই অনুষ্ঠানে মুগ্ধ হয়ে ভীড় জমিয়েছিলো দুরদুরান্ত থেকে পার্কে ঘুরতে আশা দর্শনার্থীরাও। রাজশাহীর আলোচিত সুবর্ণলতা সংগীত বিদ্যালয়ের কন্ঠশিল্পী সুমাইয়া ও সোনালী গান গেয়ে মাতিয়েছিল পুরো মঞ্চ, চাঙ্গা করেছিলো উপস্থিত দর্শকদের ভাঙা মন। পাশাপাশি ঝুমুর ঝুমুর নৃত্য তো ছিলোই। সি.ডি.এম ব্যান্ড ঈশরদী,পাবনার ড্যান্সাররা হট ড্যান্স পরিবেশন করে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলো বনভোজন এলাকায়। সবার মুখে মুখে শোভা পাচ্ছিলো বাহ্ কি সুন্দর ড্যান্স! আহ কতো সুন্দর ড্যান্সার! ইচ্ছে থাকলেও সবকিছু সম্ভব হয়না। তাই হার মানতে হয়েছে সময়ের কাছে।

 

আনন্দে আনন্দে ভরপুর নাটোরের গ্রীণভ্যালী পার্কের পারিজাত স্টেজে সর্বশেষ আকর্ষণ ছিলো র‍্যাফেল ড্র। যার মোহনীয় পুরুষ্কার ছিলো সাতাত্তরটি। খেলাধূলায় বিজয়ীদেরকে দেয়া হয় উন্নতমানের পুরুষ্কার। আরো একটি বিষয় লক্ষনীয় ছিলো তা হলো কেউ ফিরেনি খালি হাতে, গ্রীণভ্যালী নাটোর হতে। অর্থাৎ সবার জন্যই শান্তনা পুরষ্কার ব্যবস্থা করে রেখছিলো সুদুর প্রসারী চিন্তাধারক গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়া কর্তৃপক্ষ ও তার সহযোগীরা। মোটকথা শৃঙ্খলা লক্ষ্য করা যায় পুরো বনভোজনটায়। কোথাও সামান্যতম ভুলের গন্ধও পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে একান্ত আলাপনে জানা যায় বনভোজনটি এতো সুন্দর হওয়ার আসল রহস্য । তারা সকলেই বলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় এরিয়া ম্যানেজার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ সরকারের বিচক্ষণতার ফসলই আজকের এই বার্ষিক বনভোজনের সফলতার প্রধান কারন।

 

উক্ত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব, সদা হাস্যজ্জল নেতৃত্ব ও গ্রামীণ ব্যাংক রাজশাহী যোনের যোনাল অডিট অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী যোনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্বাছ উদ্দিন সিদ্দিকী ও শিবগঞ্জ এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার এ.কে.এম আরিফুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংক বাসুদেবপুর গোদাগাড়ী শাখার শাখা ব্যবস্থাপক খন্দকার আব্দুর রহিম, চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়া কর্মচারী সমিতির এরিয়া প্রতিনিধি মোঃ ফয়সাল হোসেন, সভাপতি মোঃ নাহিদ কবির নাহিদ এবং বিশিষ্ট কবি,সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ মুকুল হোসেন সহ তিনশত কর্মকর্তা,কর্মচারী, শিল্পী সহ অনেক অচেনা মানুষও।

 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন এরিয়া প্রতিনিধি মোঃ ফোয়সাল হোসেন এবং বার্ষিক বনভোজনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বনভোজনের সফলতার নায়ক, গ্রামীণ ব্যাংক এর আস্থার প্রতীক, গ্রামীণ ব্যাংক রাজশাহী যোনের চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়ার দুর্বার এরিয়া ম্যানেজার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়ার বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ফাগুনের আনন্দে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়ার বার্ষিক বনভোজন। সতেরো ফেব্রুয়ারি চার ফাগুন শুক্রবার নাটোরের গ্রীণভ্যালী পার্কের পারিজাত স্পটের মঞ্চ নেচে উঠেছিল আনন্দের মহা উল্লাসে।গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাগঞ্জ এরিয়ার তিনশত ছুইছুই কর্মকর্তা,কর্মচারীর উপস্থিতিতে বনভোজন ছিলো পুরোটায় জাকজমকপূর্ণ। পরিবেশ ছিলো শান্তময়। তবে উল্লাস ছিলো বাধ ভাঙা। আনন্দের শুরু সকাল ছয়টায় আর সমাপ্তি রাত আটটায়। বনভোজনের যোগাযোগ ছিলো বাস যোগ। অনুষ্ঠানে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী সহ উপস্থিত ছিলেন সকলের পরিবারের সদস্যরাও। মনে হচ্ছিলো এটা যেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি মিলন মেলা। মুরুব্বি, আধা মুরুব্বি, কিশোর -কিশোরী,তরুণ – তরুণী সবাই যেন ভেসে গিয়েছিলো সীমাহীন আনন্দের আনন্দ বন্যায়। কোথাও অপূর্ণতা লক্ষ্য করা যায়নি। যার যেই দায়িত্ব ছিলো পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে।

 

বনভোজনের আকর্ষণের একটি ছিলো পুরুষ,মহিলা ও কিশোর কিশোরীদের বিভিন্নরকমের খেলাধুলা। সকালের নাস্তা ছিলো তৃপ্তিময় এবং দুপুরের খাবারও ছিলো অতুলনীয় স্বাদের। সরিজমিনে দ্যাখা যায় এইসব হৃদয় ছোঁয়া অনুপম দৃশ্য। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেই অনুষ্ঠানে মুগ্ধ হয়ে ভীড় জমিয়েছিলো দুরদুরান্ত থেকে পার্কে ঘুরতে আশা দর্শনার্থীরাও। রাজশাহীর আলোচিত সুবর্ণলতা সংগীত বিদ্যালয়ের কন্ঠশিল্পী সুমাইয়া ও সোনালী গান গেয়ে মাতিয়েছিল পুরো মঞ্চ, চাঙ্গা করেছিলো উপস্থিত দর্শকদের ভাঙা মন। পাশাপাশি ঝুমুর ঝুমুর নৃত্য তো ছিলোই। সি.ডি.এম ব্যান্ড ঈশরদী,পাবনার ড্যান্সাররা হট ড্যান্স পরিবেশন করে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিলো বনভোজন এলাকায়। সবার মুখে মুখে শোভা পাচ্ছিলো বাহ্ কি সুন্দর ড্যান্স! আহ কতো সুন্দর ড্যান্সার! ইচ্ছে থাকলেও সবকিছু সম্ভব হয়না। তাই হার মানতে হয়েছে সময়ের কাছে।

 

আনন্দে আনন্দে ভরপুর নাটোরের গ্রীণভ্যালী পার্কের পারিজাত স্টেজে সর্বশেষ আকর্ষণ ছিলো র‍্যাফেল ড্র। যার মোহনীয় পুরুষ্কার ছিলো সাতাত্তরটি। খেলাধূলায় বিজয়ীদেরকে দেয়া হয় উন্নতমানের পুরুষ্কার। আরো একটি বিষয় লক্ষনীয় ছিলো তা হলো কেউ ফিরেনি খালি হাতে, গ্রীণভ্যালী নাটোর হতে। অর্থাৎ সবার জন্যই শান্তনা পুরষ্কার ব্যবস্থা করে রেখছিলো সুদুর প্রসারী চিন্তাধারক গ্রামীণ ব্যাংক চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়া কর্তৃপক্ষ ও তার সহযোগীরা। মোটকথা শৃঙ্খলা লক্ষ্য করা যায় পুরো বনভোজনটায়। কোথাও সামান্যতম ভুলের গন্ধও পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে একান্ত আলাপনে জানা যায় বনভোজনটি এতো সুন্দর হওয়ার আসল রহস্য । তারা সকলেই বলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় এরিয়া ম্যানেজার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ সরকারের বিচক্ষণতার ফসলই আজকের এই বার্ষিক বনভোজনের সফলতার প্রধান কারন।

 

উক্ত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব, সদা হাস্যজ্জল নেতৃত্ব ও গ্রামীণ ব্যাংক রাজশাহী যোনের যোনাল অডিট অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী যোনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্বাছ উদ্দিন সিদ্দিকী ও শিবগঞ্জ এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার এ.কে.এম আরিফুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংক বাসুদেবপুর গোদাগাড়ী শাখার শাখা ব্যবস্থাপক খন্দকার আব্দুর রহিম, চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়া কর্মচারী সমিতির এরিয়া প্রতিনিধি মোঃ ফয়সাল হোসেন, সভাপতি মোঃ নাহিদ কবির নাহিদ এবং বিশিষ্ট কবি,সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ মুকুল হোসেন সহ তিনশত কর্মকর্তা,কর্মচারী, শিল্পী সহ অনেক অচেনা মানুষও।

 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন এরিয়া প্রতিনিধি মোঃ ফোয়সাল হোসেন এবং বার্ষিক বনভোজনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন বনভোজনের সফলতার নায়ক, গ্রামীণ ব্যাংক এর আস্থার প্রতীক, গ্রামীণ ব্যাংক রাজশাহী যোনের চাপাই নবাবগঞ্জ এরিয়ার দুর্বার এরিয়া ম্যানেজার মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ সরকার।