ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নবগঠিত কমিটির যাত্রা শুরু চালের বস্তায় দামসহ থাকতে হবে সব তথ্য, পরিপত্র জারি টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ১০ হাজারে শীর্ষে বাবর অমর একুশে ময়মনসিংহে শহীদ বেদীতে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন ১৯৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন ইইউ’র স্মার্ট হতে ইংরেজিতে কথা বলতে হবে তা ঠিক নয়: প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের স্মরণে দেশের প্রথম শহীদ মিনারে আরসিআরইউ’র শ্রদ্ধা স্মার্ট ত্রিশাল উপজেলা গড়তে জনগণের সেবক হতে চান’যুবনেতা জুয়েল সরকার পুঠিয়ায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত চুরির অপবাদ সইতে না পেরে পুঠিয়ায় নৈশ্য প্রহোরীর আত্মহত্যা

গোদাগাড়ীতে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাইয়ের সময় পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার দুই

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ৭৪ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে র‌্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে এক তরুণকে তল্লাশির নামে ‘ছিনতাই’করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন এক পুলিশ কনস্টেবল ও তাঁর এক সহযোগী। গোদাগাড়ী উপজেলার চাপাল গ্রামে শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল আবু হেনা মোস্তফা কামাল (৩১) রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) দামকুড়া থানায় কর্মরত। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার আলীনগর গ্রামের তাহেরুল ইসলাম ছেলে। তার সহযোগীর নাম মো. রাব্বী (২৭)। রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া আপেল ডেকোরেটর মোড়ে তার বাড়ি। বাবার নাম আমিনুল ইসলাম।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোদাগাড়ীর চাপাল এলাকায় বুলবুল আহম্মেদ (২৪) নামের এক যুবককে তল্লাশি করছিলেন আবু হেনা ও রাব্বী। তল্লাশির নামে তারা বুলবুলের মোবাইল ফোন কেড়ে নিচ্ছিলেন। বুলবুল পরিচয় জানতে চাইলে আবু হেনা জানান, তিনি র‌্যাবের লোক। এ সময় বুলবুল পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে আবু হেনা ও রাব্বী মারধর শুরু করেন। তখন ভুক্তভোগী বুলবুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে দুজনকে আটক করেন। এরপর র‌্যাব-৫ এবং গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা সেখানে গেলে আবু হেনা মোস্তফা কামাল নিজেকে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে পরিচয় দেন। পরে র‌্যাবের একটি দল দুজনকে আটক করে র‌্যাব-৫ এর সদর দপ্তরে নিয়ে যায়।

ওসি কামরুল ইসলাম আরও জানান, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় র‌্যাব আটক দুজনকে গোদাগাড়ী থানায় হস্তান্তর করেছে। সকালে র‌্যাবের পক্ষ থেকে দুজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলাও হয়েছে। দুপুরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
র‌্যাব-৫ এর রাজশাহীর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন স্বীকার করেছেন যে, তারা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই চাপাল গিয়েছিলেন। র‌্যাবের মিথ্যা পরিচয় দেওয়া এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
ছিনতাইয়ের সময় পুলিশ কনস্টেবল আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে আরএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘ঘটনা সত্য হলে কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গোদাগাড়ীতে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাইয়ের সময় পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার দুই

আপডেট সময় : ০৪:০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে র‌্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে এক তরুণকে তল্লাশির নামে ‘ছিনতাই’করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন এক পুলিশ কনস্টেবল ও তাঁর এক সহযোগী। গোদাগাড়ী উপজেলার চাপাল গ্রামে শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল আবু হেনা মোস্তফা কামাল (৩১) রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) দামকুড়া থানায় কর্মরত। সে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার আলীনগর গ্রামের তাহেরুল ইসলাম ছেলে। তার সহযোগীর নাম মো. রাব্বী (২৭)। রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া আপেল ডেকোরেটর মোড়ে তার বাড়ি। বাবার নাম আমিনুল ইসলাম।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোদাগাড়ীর চাপাল এলাকায় বুলবুল আহম্মেদ (২৪) নামের এক যুবককে তল্লাশি করছিলেন আবু হেনা ও রাব্বী। তল্লাশির নামে তারা বুলবুলের মোবাইল ফোন কেড়ে নিচ্ছিলেন। বুলবুল পরিচয় জানতে চাইলে আবু হেনা জানান, তিনি র‌্যাবের লোক। এ সময় বুলবুল পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে আবু হেনা ও রাব্বী মারধর শুরু করেন। তখন ভুক্তভোগী বুলবুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে দুজনকে আটক করেন। এরপর র‌্যাব-৫ এবং গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা সেখানে গেলে আবু হেনা মোস্তফা কামাল নিজেকে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে পরিচয় দেন। পরে র‌্যাবের একটি দল দুজনকে আটক করে র‌্যাব-৫ এর সদর দপ্তরে নিয়ে যায়।

ওসি কামরুল ইসলাম আরও জানান, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় র‌্যাব আটক দুজনকে গোদাগাড়ী থানায় হস্তান্তর করেছে। সকালে র‌্যাবের পক্ষ থেকে দুজনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলাও হয়েছে। দুপুরে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
র‌্যাব-৫ এর রাজশাহীর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন স্বীকার করেছেন যে, তারা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই চাপাল গিয়েছিলেন। র‌্যাবের মিথ্যা পরিচয় দেওয়া এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
ছিনতাইয়ের সময় পুলিশ কনস্টেবল আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে আরএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘ঘটনা সত্য হলে কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’