ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গেজেটের পরও ভোট বাতিলের ক্ষমতা পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৮২ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনের পর গেজেট প্রকাশ হলেও পরে সে নির্বাচন বাতিল করার ক্ষমতা পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কারণ, আরপিও সংশোধনীতে এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাব ইসি থেকে দেওয়া হয়েছিল তাতে আইন মন্ত্রণালয়ের সায় মিলেছে। ফলে ভোটে অনিয়ম করে কেউ জয়ী হলে এবং সেই নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ হওয়ার পরও তা বাতিল করা যাবে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনে অনিয়ম হলেও ফলাফলের গেজেট হওয়ার পর আরপিওতে কিছু করার ক্ষমতা নেই কমিশনের। এই ক্ষমতা পাওয়ার জন্যই আমরা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) ভোট বাতিলের ক্ষমতা সংক্রান্ত সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আইন মন্ত্রণালয়ের যারা বৈঠকে ছিলেন তারা নির্বাচন কমিশনের জাস্টিফিকেশনে খুশি। তারা বলেছেন, কোনো অসুবিধা নেই। এখন কেবিনেটে যাবে। পরে পাস হবে সংসদে।’

আরপিও সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে রাশেদা সুলতানা বলেন, দু-একটি জায়গায় আরও চিন্তাভাবনা করার জন্য আইন মন্ত্রণালয় বলেছিল। ইভিএমে আঙুলের ছাপ মেলে না, তাই ১ শতাংশ ভোটারের ভোট প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার আঙুলের ছাপ ব্যবহারের বিষয়টি আমরা নির্ধারিত করে দিতে চাচ্ছিলাম। আইনে এক শতাংশের বেশি অনুমোদন করব না, এমনটি আসুক। উনারা (আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা) জানালেন, এটা বিধিমালা দিয়ে আওতায় আনা সম্ভব। এ বিষয়টিতেই তারা আপত্তি করেছিলেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে আমরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি। প্রত্যেক ভোটের আগে আমরা সার্কুলার দিয়ে দিতে পারব। কমিশন যখন সার্কুলার দেয় সেটাও কিন্তু আইন। আমরা আরপিওতে পাচ্ছি না, তবে বিধি দিয়ে করতে পারব। আমরা সার্কুলার দিয়েই আগে করেছি। একটা পরিপত্র দিয়ে দিলেই হবে।

ভোটের মাঠে সাংবাদিকদের দূরে রাখার বিষয় নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে রাশেদা সুলতানা বলেন, সাংবাদিকদের দূরে রাখতে চাই না। রংপুরে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটা আমরা দিইনি। কোথা থেকে যে হলো আমি নিজেও জানি না। হয়তো আগের কোনো নির্দেশনায় ছিল। সম্ভবত মোটরসাইকেল চলাচলের বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছিল। আমরা আপনাদের জন্য আরপিওতে ব্যবস্থা রাখছি। যন্ত্র কেড়ে নিলে শাস্তির প্রস্তাব করেছি। আমরা সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষকদের ব্যাপারে বরাবরই পজিটিভ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গেজেটের পরও ভোট বাতিলের ক্ষমতা পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নির্বাচনের পর গেজেট প্রকাশ হলেও পরে সে নির্বাচন বাতিল করার ক্ষমতা পাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কারণ, আরপিও সংশোধনীতে এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাব ইসি থেকে দেওয়া হয়েছিল তাতে আইন মন্ত্রণালয়ের সায় মিলেছে। ফলে ভোটে অনিয়ম করে কেউ জয়ী হলে এবং সেই নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ হওয়ার পরও তা বাতিল করা যাবে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনে অনিয়ম হলেও ফলাফলের গেজেট হওয়ার পর আরপিওতে কিছু করার ক্ষমতা নেই কমিশনের। এই ক্ষমতা পাওয়ার জন্যই আমরা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) ভোট বাতিলের ক্ষমতা সংক্রান্ত সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আইন মন্ত্রণালয়ের যারা বৈঠকে ছিলেন তারা নির্বাচন কমিশনের জাস্টিফিকেশনে খুশি। তারা বলেছেন, কোনো অসুবিধা নেই। এখন কেবিনেটে যাবে। পরে পাস হবে সংসদে।’

আরপিও সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে রাশেদা সুলতানা বলেন, দু-একটি জায়গায় আরও চিন্তাভাবনা করার জন্য আইন মন্ত্রণালয় বলেছিল। ইভিএমে আঙুলের ছাপ মেলে না, তাই ১ শতাংশ ভোটারের ভোট প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার আঙুলের ছাপ ব্যবহারের বিষয়টি আমরা নির্ধারিত করে দিতে চাচ্ছিলাম। আইনে এক শতাংশের বেশি অনুমোদন করব না, এমনটি আসুক। উনারা (আইন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা) জানালেন, এটা বিধিমালা দিয়ে আওতায় আনা সম্ভব। এ বিষয়টিতেই তারা আপত্তি করেছিলেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে আমরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসিনি। প্রত্যেক ভোটের আগে আমরা সার্কুলার দিয়ে দিতে পারব। কমিশন যখন সার্কুলার দেয় সেটাও কিন্তু আইন। আমরা আরপিওতে পাচ্ছি না, তবে বিধি দিয়ে করতে পারব। আমরা সার্কুলার দিয়েই আগে করেছি। একটা পরিপত্র দিয়ে দিলেই হবে।

ভোটের মাঠে সাংবাদিকদের দূরে রাখার বিষয় নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে রাশেদা সুলতানা বলেন, সাংবাদিকদের দূরে রাখতে চাই না। রংপুরে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময় একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটা আমরা দিইনি। কোথা থেকে যে হলো আমি নিজেও জানি না। হয়তো আগের কোনো নির্দেশনায় ছিল। সম্ভবত মোটরসাইকেল চলাচলের বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছিল। আমরা আপনাদের জন্য আরপিওতে ব্যবস্থা রাখছি। যন্ত্র কেড়ে নিলে শাস্তির প্রস্তাব করেছি। আমরা সাংবাদিক এবং পর্যবেক্ষকদের ব্যাপারে বরাবরই পজিটিভ।