ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গুলিস্তানের বিস্ফোরণস্থল ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তাকর্মীরা

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজার এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। বুধবার সকাল থেকেই ওই এলাকা নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। তবে, পাশের এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।এর আগে, মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর গুলিস্তানে সিদ্দিক বাজারে একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। ইতোমধ্যে আহত অবস্থায় শতাধিক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর।

বিস্ফোরণে নিহতরা হলেন মো. সুমন (২১), ইসহাক মৃধা (৩৫), মুনসুর হোসেন (৪০), মো. ইসমাইল (৪২), আল আমিন (২৩), রাহাত (১৮), মমিনুল ইসলাম (৩৮), নদী বেগম (৩৬), মাঈন উদ্দিন (৫০), নাজমুল হোসেন (২৫), ওবায়দুল হাসান বাবুল (৫৫), আবু জাফর সিদ্দিক (৩৪), আকুতি বেগম (৭০), মো. ইদ্রিস (৬০), নুরুল ইসলাম ভূইয়া (৫৫), হৃদয় (২০), সম্রাট (১৮) ও সিয়াম (১৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগীয় উপ-পরিচালক দিনমনি শর্মা।

এদিকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা একেএম হেদায়েতুল ইসলাম।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হয়।

এর আগে, রাতেই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান জানিয়েছিলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে স্বজনদেরও সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

তিনি জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে সিদ্দিক বাজার বিস্ফোরণে জেলা প্রশাসনের সহায়তা বুথ বসানো হয়েছে। এ বুথ থেকে নিহতদের তাৎক্ষণিক ৫০ হাজার টাকা, গুরুতর আহতদের ২৫ হাজার, সামান্য আহতদের ১৫ হাজার আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। আমাদের টিম কাজ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রয়োজন বুথ থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গুলিস্তানের বিস্ফোরণস্থল ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তাকর্মীরা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০২৩

রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিকবাজার এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। বুধবার সকাল থেকেই ওই এলাকা নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। তবে, পাশের এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।এর আগে, মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর গুলিস্তানে সিদ্দিক বাজারে একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। ইতোমধ্যে আহত অবস্থায় শতাধিক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর।

বিস্ফোরণে নিহতরা হলেন মো. সুমন (২১), ইসহাক মৃধা (৩৫), মুনসুর হোসেন (৪০), মো. ইসমাইল (৪২), আল আমিন (২৩), রাহাত (১৮), মমিনুল ইসলাম (৩৮), নদী বেগম (৩৬), মাঈন উদ্দিন (৫০), নাজমুল হোসেন (২৫), ওবায়দুল হাসান বাবুল (৫৫), আবু জাফর সিদ্দিক (৩৪), আকুতি বেগম (৭০), মো. ইদ্রিস (৬০), নুরুল ইসলাম ভূইয়া (৫৫), হৃদয় (২০), সম্রাট (১৮) ও সিয়াম (১৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগীয় উপ-পরিচালক দিনমনি শর্মা।

এদিকে মঙ্গলবার মধ্যরাতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা একেএম হেদায়েতুল ইসলাম।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হয়।

এর আগে, রাতেই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান জানিয়েছিলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা ও খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে স্বজনদেরও সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

তিনি জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে সিদ্দিক বাজার বিস্ফোরণে জেলা প্রশাসনের সহায়তা বুথ বসানো হয়েছে। এ বুথ থেকে নিহতদের তাৎক্ষণিক ৫০ হাজার টাকা, গুরুতর আহতদের ২৫ হাজার, সামান্য আহতদের ১৫ হাজার আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। আমাদের টিম কাজ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত প্রয়োজন বুথ থাকবে।