ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আদালত চত্বরে ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

খুলনা জেলা আদালতের আদেশে অভিযুক্তের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান বিয়ের আদেশ দিলে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

ট্রাইব্যুনালটির স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ বলেন, ২০২০ সালে ভিকটিমের সঙ্গে রাজু শেখের পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। এরপর ভিকটিমের আগের ঘরের ছেলেসহ তাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে বসবাস করেন রাজু। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করায় তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে রাজু তাকে সন্তান নষ্ট করতে বলেন। এরপর থেকে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি।

পরে ভিকটিম জানতে পারেন, ২০২১ সালের ১৬ জুন রাজু অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছেন। ভিকটিম রাজুকে ফোন দিলে রিসিভ করতেন না। একবার রিসিভ করে বলেন, তোর গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেল। আর কখনও আমার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবি না।

এরপর সেই বছরের ২০ জুন ভিকটিম লবনচরা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর নারী ও শিশু ২৮/২৩। সেই মামলায় সোমবার (১৩ মার্চ) বিচারক ভিকটিমের সঙ্গে ধর্ষক রাজুর বিয়ের আদেশ দেন। পরে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। এ বিয়ের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর স্বীকৃতি দিলেন বাবা। আদালতে এ ঘটনা এটাই প্রথম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আদালত চত্বরে ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

খুলনা জেলা আদালতের আদেশে অভিযুক্তের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস ছালাম খান বিয়ের আদেশ দিলে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

ট্রাইব্যুনালটির স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট ফরিদ আহমেদ বলেন, ২০২০ সালে ভিকটিমের সঙ্গে রাজু শেখের পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। এরপর ভিকটিমের আগের ঘরের ছেলেসহ তাকে নিয়ে ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে বসবাস করেন রাজু। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ করায় তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে রাজু তাকে সন্তান নষ্ট করতে বলেন। এরপর থেকে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি।

পরে ভিকটিম জানতে পারেন, ২০২১ সালের ১৬ জুন রাজু অন্য মেয়েকে বিয়ে করেছেন। ভিকটিম রাজুকে ফোন দিলে রিসিভ করতেন না। একবার রিসিভ করে বলেন, তোর গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেল। আর কখনও আমার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবি না।

এরপর সেই বছরের ২০ জুন ভিকটিম লবনচরা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর নারী ও শিশু ২৮/২৩। সেই মামলায় সোমবার (১৩ মার্চ) বিচারক ভিকটিমের সঙ্গে ধর্ষক রাজুর বিয়ের আদেশ দেন। পরে কাজীর মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। এ বিয়ের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর স্বীকৃতি দিলেন বাবা। আদালতে এ ঘটনা এটাই প্রথম।