ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এই সরকারের পতন ছাড়া জনগণ ঘরে ফিরবেনা: টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

এই সরকার বিএনপি’র গণজোয়ার দেখে ভীত হয়ে পড়েছে। বিএনপি যেদিন কর্মসূচী দেয় সেদিন এই ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের শান্তির সমাবেশ ডাকে। জনগণের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টির করার জন্য তারা এই ধরনের কর্মসূচী দিচ্ছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রাজশাহীতে শরিবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভূবন মোহন পার্কে মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে গ্যাস, বিদ্যুৎ. চাল, ডাল, তেল ও আটাসহ নিত্যপ্রয়োজীনয় দ্রব্য সার ও ডিজেল, কৃষি উপকরণের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সকল কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ ১০দফা দাবী আদায়ের লক্ষে পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এই কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, শান্তির সমাবেশের নামে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে বিএনপি, অঙ্গ সহোযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের সমাবেশ অশান্তি মনে জনগণ কোন প্রকার সাড়া দিচ্ছে না। টাকা খরচ করে সমাবেশে এই বিনা ভোটের সরকার লোক আনতে পারছেনা। অথচ বিএনপি কোন প্রকার অর্থ খরচ না করইে হাজার হাজার লোক নিয়ে সকল কর্মসূচী সফলভাবে পালন করে যাচ্ছে।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, জনগণ আর এই সরকারকে চায়না। সরকার তাদের সময় জেনে এখন জোরপূর্বক ক্ষমতায় থাকার জন্য মরিয়া উঠেছে। বিএনপি’র কর্মসূচী নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা ভূল বকতে শুরু করেছে। এক কথায় তাদের মতিভ্রম শুরু হয়ে গেছে। এ থেকেই তারা বিএনপি’র সকল শান্তিপূর্ন কর্মসূচীতে বাধা প্রদান ও আওয়ামী আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা নির্যাতন ও আটক করছে। কয়েকদিনি পূর্বে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের পদাযাত্রায় ন্যাক্কারজনকভাবে বাধা প্রদান করেছে এবং মারপিট ও নেতাকর্মীদের আটক করেছে। যতই নিপিড়ন, নির্যাতন, আটক, মামলা, হামলা ও গুলি চলুক বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা আর পিছু হটবেনা। এই সরকারের পতন ঘটিয়েই ঘরে ফিরবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই আন্দোলন আরো বেগমান করতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী জেলায় জেলা পদয্রাতা অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, রাসিক সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য জননেতা মিজানুর রহমান মিনু প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন দেশে এখন নিরব দূর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপন্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে কলকারখানা ও সিএনজি গ্যাসের মূল্য আবারও বৃদ্ধি করে সংকট আরো বৃদ্ধি করে দিয়েছে। প্রতিমাসে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করছে। এই অবৈধ সরকার মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে নিয়েছে। সে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। বিদেশে বাড়ি গাড়ি করে নিয়েছে। সুইচ ব্যাংকে অর্থ জমা করেছে তারা। এরফলে দেশে অর্থের তারুল্য সংকট দেখা দিয়েছে। বেকারত্বের হার প্রতিনিয়ত বাড়তেই আছে। কিন্ত্র এ অবস্থা আর চলতে দেয়া হবেনা। শান্তিপূর্ন আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই নিশিরাতের সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্য শেষে নেতৃবৃন্দ ব্যনার ও ফেস্টুন নিয়ে ভূবন মোহন পার্ক এর সামনে পদাযাত্রা শুরু করেন। তারা সোনাদিঘি মোড় হয়ে সাহেব জিরো পয়েন্ট সহ বাটার মোড় হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর হাসপাতালের মোড়ে এসে পদাযাত্রা শেষ করেন।

সমাবেশ ও পদযাত্রায় সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ.এইচ.এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন,বেগম জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব অবসারপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন, জেলা বিএনপি’র সদস্য এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, ওয়ালিউল হক রানা, আসলাম সরকার, জয়নাল আবেদিন শিবলী, শফিকুল ইসলাম শাফিক ও বজলুল হক মন্টু।

আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, বর্তমান আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, বর্তমান আহ্বায়ক মীর তারেক, মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক আরিফুল শেখ বনি।

এছাড়াও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সকিনা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুন ফেরদৌস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেমা বেলী, মহানগর ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুর্ত্তযা ফামিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি রাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহম্মেদ রাহি ও মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভসহ রাজশাহী মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এই সরকারের পতন ছাড়া জনগণ ঘরে ফিরবেনা: টুকু

আপডেট সময় : ০১:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

এই সরকার বিএনপি’র গণজোয়ার দেখে ভীত হয়ে পড়েছে। বিএনপি যেদিন কর্মসূচী দেয় সেদিন এই ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের শান্তির সমাবেশ ডাকে। জনগণের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টির করার জন্য তারা এই ধরনের কর্মসূচী দিচ্ছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রাজশাহীতে শরিবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভূবন মোহন পার্কে মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে গ্যাস, বিদ্যুৎ. চাল, ডাল, তেল ও আটাসহ নিত্যপ্রয়োজীনয় দ্রব্য সার ও ডিজেল, কৃষি উপকরণের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সকল কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ ১০দফা দাবী আদায়ের লক্ষে পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এই কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, শান্তির সমাবেশের নামে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে বিএনপি, অঙ্গ সহোযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের সমাবেশ অশান্তি মনে জনগণ কোন প্রকার সাড়া দিচ্ছে না। টাকা খরচ করে সমাবেশে এই বিনা ভোটের সরকার লোক আনতে পারছেনা। অথচ বিএনপি কোন প্রকার অর্থ খরচ না করইে হাজার হাজার লোক নিয়ে সকল কর্মসূচী সফলভাবে পালন করে যাচ্ছে।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, জনগণ আর এই সরকারকে চায়না। সরকার তাদের সময় জেনে এখন জোরপূর্বক ক্ষমতায় থাকার জন্য মরিয়া উঠেছে। বিএনপি’র কর্মসূচী নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা ভূল বকতে শুরু করেছে। এক কথায় তাদের মতিভ্রম শুরু হয়ে গেছে। এ থেকেই তারা বিএনপি’র সকল শান্তিপূর্ন কর্মসূচীতে বাধা প্রদান ও আওয়ামী আইন শৃংখলাবাহিনীর সদস্যরা নির্যাতন ও আটক করছে। কয়েকদিনি পূর্বে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের পদাযাত্রায় ন্যাক্কারজনকভাবে বাধা প্রদান করেছে এবং মারপিট ও নেতাকর্মীদের আটক করেছে। যতই নিপিড়ন, নির্যাতন, আটক, মামলা, হামলা ও গুলি চলুক বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা আর পিছু হটবেনা। এই সরকারের পতন ঘটিয়েই ঘরে ফিরবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই আন্দোলন আরো বেগমান করতে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী জেলায় জেলা পদয্রাতা অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষনা দেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, রাসিক সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য জননেতা মিজানুর রহমান মিনু প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন দেশে এখন নিরব দূর্ভিক্ষ চলছে। নিত্যপন্যের মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে কলকারখানা ও সিএনজি গ্যাসের মূল্য আবারও বৃদ্ধি করে সংকট আরো বৃদ্ধি করে দিয়েছে। প্রতিমাসে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করছে। এই অবৈধ সরকার মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করে নিয়েছে। সে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। বিদেশে বাড়ি গাড়ি করে নিয়েছে। সুইচ ব্যাংকে অর্থ জমা করেছে তারা। এরফলে দেশে অর্থের তারুল্য সংকট দেখা দিয়েছে। বেকারত্বের হার প্রতিনিয়ত বাড়তেই আছে। কিন্ত্র এ অবস্থা আর চলতে দেয়া হবেনা। শান্তিপূর্ন আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই এই নিশিরাতের সরকারের পতন ঘটানো হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্য শেষে নেতৃবৃন্দ ব্যনার ও ফেস্টুন নিয়ে ভূবন মোহন পার্ক এর সামনে পদাযাত্রা শুরু করেন। তারা সোনাদিঘি মোড় হয়ে সাহেব জিরো পয়েন্ট সহ বাটার মোড় হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর হাসপাতালের মোড়ে এসে পদাযাত্রা শেষ করেন।

সমাবেশ ও পদযাত্রায় সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এ.এইচ.এম ওবায়দুর রহমান চন্দন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন,বেগম জিয়ার সাবেক সামরিক সচিব অবসারপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন, জেলা বিএনপি’র সদস্য এডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন তপু, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, ওয়ালিউল হক রানা, আসলাম সরকার, জয়নাল আবেদিন শিবলী, শফিকুল ইসলাম শাফিক ও বজলুল হক মন্টু।

আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, বর্তমান আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান রিটন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, বর্তমান আহ্বায়ক মীর তারেক, মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক আরিফুল শেখ বনি।

এছাড়াও মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রোকসানা বেগম টুকটুকি, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সকিনা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুন ফেরদৌস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেমা বেলী, মহানগর ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুর্ত্তযা ফামিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি রাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহম্মেদ রাহি ও মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান সৌরভসহ রাজশাহী মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।