ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: ফখরুল

দেশের আওয়াজ ডেস্কঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জনগণ তাদের অধিকার অবশ্যই আদায় করবে। আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। তাদের পদত্যাগে বাধ্য ও সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) রাজধানী শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন কালে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে ফুলের শ্রদ্ধা দিতে ও দোয়া করেন দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে সমাধির পাশে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নেতাকর্মীরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্য খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও আমান উল্লাহ আমানের সাজা বহাল রাখার প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে থাকা মামলাগুলোর রায় দেওয়া থেকে বোঝা যায় সরকার সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে দখল করে নিয়েছে।

তিনি বলেন, যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছে ফরমায়েশি রায় দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে আন্দোলন স্তব্ধ করতে চাইছে সরকার। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তারা একই কাজ করছে। এ ধরনের রায় দিয়ে আন্দোলকে বন্ধ করা যায় না।

মির্জা ফখরুল বলেন, গোটা দেশকে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে দূরে রাখা, রাজনৈতিক অধিকার থেকে দূরে রাখা, একটি সুষ্ঠু ভোট থেকে জনগণকে দূরে রাখা এবং যাতে একদলীয় নির্বাচন করতে পারে তার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। কিন্তু এবার জনগণ সেটা করতে দেবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমরা শপথ নিয়েছি, হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে পুনঃরুদ্ধার করবো। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

খালেদা জিয়া গৃহবন্দি হয়ে আছেন বলেও দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে নিস্তব্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান উমর বীর উত্তম, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব ফজলুল হক মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: ফখরুল

আপডেট সময় : ১০:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, জনগণ তাদের অধিকার অবশ্যই আদায় করবে। আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। তাদের পদত্যাগে বাধ্য ও সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) রাজধানী শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন কালে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে ফুলের শ্রদ্ধা দিতে ও দোয়া করেন দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে সমাধির পাশে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নেতাকর্মীরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্য খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

বিএনপি নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও আমান উল্লাহ আমানের সাজা বহাল রাখার প্রতি ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে থাকা মামলাগুলোর রায় দেওয়া থেকে বোঝা যায় সরকার সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে দখল করে নিয়েছে।

তিনি বলেন, যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছে ফরমায়েশি রায় দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে আন্দোলন স্তব্ধ করতে চাইছে সরকার। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তারা একই কাজ করছে। এ ধরনের রায় দিয়ে আন্দোলকে বন্ধ করা যায় না।

মির্জা ফখরুল বলেন, গোটা দেশকে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে দূরে রাখা, রাজনৈতিক অধিকার থেকে দূরে রাখা, একটি সুষ্ঠু ভোট থেকে জনগণকে দূরে রাখা এবং যাতে একদলীয় নির্বাচন করতে পারে তার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। কিন্তু এবার জনগণ সেটা করতে দেবে না।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আমরা শপথ নিয়েছি, হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে পুনঃরুদ্ধার করবো। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে একটি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

খালেদা জিয়া গৃহবন্দি হয়ে আছেন বলেও দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে নিস্তব্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান উমর বীর উত্তম, অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব ফজলুল হক মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।